📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:০৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অস্ট্রেলিয়া: বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবার আনা বন্ধ, ভিসা নিয়ম কঠোর হবে

অস্ট্রেলিয়া: বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবার আনা বন্ধ, ভিসা নিয়ম কঠোর হবে

📷 ছবি: Jamuna TV

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 যমুনা টিভি ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 অস্ট্রেলিয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিবার আনা এবং অস্থায়ী অভিবাসীদের ভিসা পরিবর্তন কঠোর করার ঘোষণা দিয়েছে। সরকারের উদ্দেশ্য হলো ২০২৮ সালের মধ্যে বছরে নিট অভিবাসন সংখ্যা কমিয়ে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামানো

অস্ট্রেলিয়া সরকার বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিবার আনা এবং অস্থায়ী অভিবাসীদের ভিসা পরিবর্তন কঠোর করার সিদ্ধান্ত নেয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশটি ২০২৮ সালের মধ্যে বছরে নিট বিদেশি অভিবাসনের সংখ্যা কমিয়ে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামাতে চায়। বর্তমানে এই সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অস্ট্রেলিয়া থেকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিবার আনা বন্ধ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 অস্থায়ী অভিবাসীদের ভিসা পরিবর্তন নিয়ম কঠোর করা হবে।
  • 📌 ২০২৮ সালের মধ্যে বছরে নিট বিদেশি অভিবাসনের সংখ্যা কমিয়ে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামানোর লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
  • 📌 বর্তমানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্বামী, স্ত্রী বা সঙ্গীরা অস্ট্রেলিয়ায় কাজ করতে পারতেন, তবে শিক্ষার্থীর কোর্সের ওপর নির্ভর করে কাজের সময়ের সীমা ছিল।
  • 📌 শিক্ষার্থীরা ১৮ বছরের কম বয়সী নির্ভরশীল সন্তানকেও সঙ্গে আনতে পারতেন।
  • 📌 ডানপন্থী ওয়ান নেশন দলের উদ্দেশ্য হলো অস্থায়ী অভিবাসীর সংখ্যা কমিয়ে ৭ লাখ ৫০ হাজারে নামানো।
  • 📌 ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নিট বিদেশি অভিবাসনের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৬ হাজার, যার অর্ধেকেরও বেশি ছিলেন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী।

📰 বিস্তারিত

১৭ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে বক্তব্য দেবেন অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন নিয়ে। এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো অস্ট্রেলিয়ার সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে সহায়তা করা। ডানপন্থী ওয়ান নেশন দলের জরিপের প্রেক্ষিতে সরকার এই পদক্ষেপ নিচ্ছে। তারা তিন বছরের মধ্যে অস্থায়ী অভিবাসীর সংখ্যা কমিয়ে ৭ লাখ ৫০ হাজারে নামিয়ে আনতে চায়।

অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন সংখ্যা মূলত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, ব্যাকপ্যাকার ও অস্থায়ী দক্ষ কর্মীদের কারণে বেড়েছে। করোনা মহামারির সীমান্ত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এই সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে। তবে গত দুই বছরে অভিবাসনের সংখ্যা কমতির দিকে রয়েছে।

সমালোচকদের দাবি, বেশি অভিবাসীর কারণে অস্ট্রেলিয়ায় আবাসন ও অবকাঠামোর ওপর চাপ বেড়েছে এবং সামাজিক সংহতিতেও চাপ তৈরি হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বছরে নিট বিদেশি অভিবাসনের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৬ হাজার। এর মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি ছিলেন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী।

"২০২৮ সালের মধ্যে বছরে নিট বিদেশি অভিবাসনের সংখ্যা কমিয়ে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। বর্তমানে এই সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: অস্ট্রেলিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: টনি বার্ক (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ লাখ ২৫ হাজার (২০২৮ সালের নিট অভিবাসন লক্ষ্য), ৩ লাখ ৬ হাজার (২০২৫ সালের নিট অভিবাসন), ৭ লাখ ৫০ হাজার (অস্থায়ী অভিবাসী লক্ষ্য)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖