📅 ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গুম প্রতিরোধে যুগান্তকারী আইন পাসের অপেক্ষায়: মৃত্যুদণ্ডসহ সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: সালাহউদ্দিন আহমদ সালাহউদ্দিন আহমদ
গুম প্রতিরোধে যুগান্তকারী আইন পাসের অপেক্ষায়: মৃত্যুদণ্ডসহ সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান

📷 ছবি: বাসস

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BSS ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস সামনে রেখে সরকার ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেছে। আইনে গুমকে স্বতন্ত্র অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে

ঢাকা, ২৯ আগস্ট ২০২৬: আগামীকাল ৩০ আগস্ট পালিত হবে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস। এ উপলক্ষে সরকার গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। জাতীয় সংসদে ইতোমধ্যে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ উত্থাপিত হয়েছে, যা এখন পাসের অপেক্ষায় রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আগামীকাল ৩০ আগস্ট পালিত হবে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস
  • 📌 জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয়েছে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’
  • 📌 গুমকে স্বতন্ত্র, আমলযোগ্য ও অজামিনযোগ্য অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  • 📌 গুমের জন্য সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডসহ তিন বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান
  • 📌 গুমের ঘটনা তদন্ত ও বিচার সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার প্রস্তাব

📰 বিস্তারিত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ গত ২৭ আগস্ট জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনে বিলটি উত্থাপন করেন। পরে বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সাংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করেন তিনি। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিলটি সংশ্লিষ্ট কমিটিতে পাঠিয়ে দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেন।

প্রস্তাবিত আইনে গুমকে একটি স্বতন্ত্র ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। কোনো সরকারি কর্মচারী বা শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য কর্তৃক অথবা সরকারি অনুমোদনে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার বা আটকের পর ঘটনাটি অস্বীকার করা কিংবা ব্যক্তির অবস্থান গোপন রাখাকে ‘গুম’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

বিলে গুমের জন্য দায়ী ব্যক্তির সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডসহ তিন বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অনধিক ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। কোনো ভুক্তভোগী মারা গেলে বা পাঁচ বছরের বেশি সময় নিখোঁজ থাকলে দায়ী ব্যক্তির সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অন্যূন পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ডের প্রস্তাব করা হয়েছে।

গুমের সাক্ষ্যপ্রমাণ জেনেশুনে বিনষ্ট বা বিকৃত করলে অন্যূন পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং অনধিক ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। একইভাবে গোপন আটককেন্দ্র নির্মাণ বা ব্যবহার করলে অন্যূন পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং অনধিক ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের প্রস্তাব রয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনে ব্যাপক বা পরিকল্পিত পদ্ধতিতে সংঘটিত গুমকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিচারযোগ্য করার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া গুম প্রতিরোধে আদালতের মাধ্যমে তল্লাশি পরোয়ানা জারি, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার এবং ডিজিটাল সাক্ষ্য গ্রহণের বিধান রাখা হয়েছে।

"গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন প্রণয়নের মাধ্যমে ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বেআইনিভাবে গুমের শিকার হবেন না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ আগস্ট (আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস), ২৭ আগস্ট (বিল উত্থাপন), ৫০ লাখ টাকা (অর্থদণ্ড), ১ কোটি টাকা (অর্থদণ্ড), ২০ লাখ টাকা (অর্থদণ্ড), ১২০ দিন (তদন্ত সময়সীমা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖