📌 বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো: ইসমাইল জবিউল্লাহর সাথে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশ সচিবালয়ে সাক্ষাৎ করেন। তারা বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং রাজনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো: ইসমাইল জবিউল্লাহর সাথে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ে উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতে উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **বাংলাদেশ সচিবালয়ে** প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো: ইসমাইল জবিউল্লাহর সাথে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত **ইয়াও ওয়েন** সাক্ষাৎ করেন।
- 📌 **প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের** পর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক **নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে** বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
- 📌 **চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি** উদ্যোগে বাংলাদেশে **রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের জন্য প্রশিক্ষণ** ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দেন রাষ্ট্রদূত।
- 📌 **বাণিজ্য, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও প্রশাসনিক সহযোগিতা** নিয়ে উভয় পক্ষ আলোচনা করেন।
- 📌 **চীনা কমিউনিস্ট পার্টি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের** মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা সম্পর্কে আলোচনা হয়।
📰 বিস্তারিত
সাক্ষাতের শুরুতে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনকে উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন। উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ চীনের সাথে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি শিক্ষা, প্রযুক্তি, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও প্রশাসনিক সহযোগিতা বিস্তৃত হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের চীন সফরের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরো দৃঢ় হয়েছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের পর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি’র উদ্যোগে বাংলাদেশে একটি সুশৃঙ্খল প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের জন্য প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়বে।
সাক্ষাতে চীনের দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উভয় পক্ষ চীনা কমিউনিস্ট পার্টি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা সম্পর্কে আলোচনা করে। তারা দুই দলের সহযোগিতা আরো বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
"বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি ও দক্ষতা বিনিময় এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক বোঝাপড়া ও বন্ধুত্ব আরো গভীর করা সম্ভব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো: ইসমাইল জবিউল্লাহ (জনপ্রশাসন উপদেষ্টা), ইয়াও ওয়েন (চীনের রাষ্ট্রদূত)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (সাক্ষাৎ অনুষ্ঠান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!