📌 কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি পুলিশ ক্যাম্পে রাতের খাবার খেয়ে ১০ পুলিশ সদস্য অচেতন হয়ে পড়েন। হাসপাতালে ভর্তি পুলিশদের মধ্যে রয়েছে উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামানসহ ১০ জন। খাবারের বিষক্রিয়া বা অন্য কোনো কারণে ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি পুলিশ ক্যাম্পে রাতের খাবার খেয়ে অচেতন হয়ে পড়েন ১০ জন পুলিশ সদস্য। শনিবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনায় রান্নার কাজে নিয়োজিত এক নারীকে হেফাজতে নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাটিকাবাড়ি পুলিশ ক্যাম্পে রাতের খাবার খেয়ে ১০ পুলিশ সদস্য অচেতন হয়ে পড়েন
- 📌 হাসপাতালে ভর্তি পুলিশদের মধ্যে রয়েছে উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামানসহ ১০ জন কর্মকর্তা
- 📌 খাবারের তালিকায় ছিল সাদা ভাত, মুরগির মাংস ও সবজি
- 📌 খাবার খাওয়ার পর পুলিশদের শরীরে ঝিমুনি দেখা দেয়, পরে তারা অচেতন হয়ে পড়েন
- 📌 রান্নার কাজে নিয়োজিত সালেহা খাতুনকে হেফাজতে নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে
- 📌 হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রেজাউল ইসলাম বলেছেন, খাবারের বিষক্রিয়া বা অন্য কোনো কারণে ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা
- 📌 পুলিশ সদস্যরা আপাতত সুস্থ আছেন, হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি পুলিশ ক্যাম্পে শনিবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে একটি অদ্ভুত ঘটনা ঘটে। রাতের খাবার খাওয়ার পর ১০ জন পুলিশ সদস্য অচেতন হয়ে পড়েন। তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ইউনিট-৩ এ ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে ভর্তি পুলিশ সদস্যরা হলেন: উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান, উপসহকারী পরিদর্শক (এএসআই) শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল আমিরুল ইসলাম, মুকতার হোসেন, মোহাম্মদ আমিন, আমিনুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, রেজাউল ইসলাম ও মনিরুল ইসলাম।
জেলা পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে পাটিকাবাড়ি পুলিশ ক্যাম্পে অন্তত ১২ জন পুলিশ সদস্য ছিলেন। খাবারের তালিকায় ছিল সাদা ভাত, মুরগির মাংস ও সবজি। খাবার খাওয়ার পর পুলিশ সদস্যদের শরীরে ঝিমুনি দেখা দেয় এবং তারা অচেতন হয়ে পড়েন। ডাকাডাকি করেও তাদের কাছ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে রাত সাড়ে তিনটার দিকে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম পরিদর্শন করেন। মেডিসিন বিভাগের ইউনিট-৩ এর প্রধান ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রেজাউল ইসলাম বলেন, পুলিশ সদস্যরা অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন। প্রাথমিকভাবে তাঁদের বিষক্রিয়া বা অন্য কোনো কারণে এমনটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে পুলিশ সদস্যরা আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন এবং আপাতত হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে।
আজ রোববার সকালে পাটিকাবাড়ি পুলিশ ক্যাম্পে যান পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম। পরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মামুনুর রশীদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাটি তদন্ত শুরু করে। পুলিশ জানায়, পাটিকাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা সালেহা খাতুন নামের এক নারী প্রায় দুই বছর ধরে ওই পুলিশ ক্যাম্পে রান্নার কাজ করে আসছেন। ঘটনার পর তাঁকে হেফাজতে নিয়ে থানায় নেওয়া হয়েছে। ওসি মামুনুর রশীদ বলেছেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
"বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাটিকাবাড়ি পুলিশ ক্যাম্প, কুষ্টিয়া সদর উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান, সালেহা খাতুন, পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম, ওসি এস এম মামুনুর রশীদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন পুলিশ সদস্য অচেতন, ১২ জন পুলিশ সদস্য উপস্থিত, ৩ টি ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!