📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:২৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আফগানিস্তানে স্বর্ণ উত্তোলনের হিড়িক: বিপর্যয়ে

আফগানিস্তানে স্বর্ণ উত্তোলনের হিড়িক: বিপর্যয়ে

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আফগানিস্তানের বাদাখসান প্রদেশে স্বর্ণ উত্তোলনের জোয়ার শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের জীবনে চরম বিপর্যয় নেমে এলেও সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ছে। পরিবেশ ধ্বংসের কারণে কর্তৃপক্ষ ২২৫টি খনি সাইট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে

আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বাদাখসান প্রদেশে স্বর্ণ উত্তোলনের জোয়ার শুরু হয়েছে। শিওয়া অঞ্চলে একসময় গবাদিপশু চরানো হতো এবং কৃষকরা শান্তিতে জীবনযাপন করতেন। কিন্তু এখন সেখানে দিন-রাত এক্সকাভেটরের খননকাজ চলছে। দেশজুড়ে হাজার হাজার শ্রমিক সোনা উত্তোলনে ব্যস্ত থাকলেও এই ‘গোল্ড রাশ’ স্থানীয়দের জীবনে চরম বিপর্যয় ডেকে এনেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আফগানিস্তানের বাদাখসান প্রদেশে স্বর্ণ উত্তোলনের জোয়ার শুরু হয়েছে
  • 📌 স্থানীয় কৃষক মুহাম্মদ আমিনের গবাদিপশুর সংখ্যা অর্ধেকের নিচে নেমে গেছে খননের কারণে
  • 📌 বাদাখসানের খনি বিভাগের প্রধান আব্দুল মতিন রহিমজাই জানান, প্রায় ৭০০টি নিবন্ধিত কোম্পানি সেখানে কাজ করছে
  • 📌 বিশ্বব্যাংকের মতে, খনি খাতে বার্ষিক ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হচ্ছে
  • 📌 খনি কোম্পানিগুলোকে প্রতি হেক্টর জমির জন্য মাসে ২০ গ্রাম সোনা বা সমপরিমাণ অর্থ কর দিতে হয়
  • 📌 গত বছর বাদাখসান থেকে সরকার ১১২ কেজি স্বর্ণ রাজস্ব হিসেবে পেয়েছে
  • 📌 পরিবেশগত ক্ষতির কারণে কর্তৃপক্ষ ২২৫টি খনি সাইট বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে

📰 বিস্তারিত

বাদাখসান প্রদেশের শিওয়া অঞ্চলে একসময় গবাদিপশু চরানো হতো এবং কৃষকরা শান্তিতে জীবনযাপন করতেন। কিন্তু এখন সেখানে দিন-রাত এক্সকাভেটরের খননকাজ চলছে। দেশজুড়ে হাজার হাজার শ্রমিক সোনা উত্তোলনে ব্যস্ত থাকলেও এই ‘গোল্ড রাশ’ স্থানীয়দের জীবনে চরম বিপর্যয় ডেকে এনেছে।

৭৪ বছর বয়সি কৃষক মুহাম্মদ আমিন জানান, খননের কারণে নদীর পরিষ্কার পানি ব্যবহারের উপযোগী নেই। ধুলাবালি ও দূষণে কৃষিকাজ ও ঘাস জন্মানো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তার গবাদিপশুর সংখ্যা অর্ধেকের নিচে নেমে গেছে। এমনকি খনি কোম্পানির কাছে জমি লিজ দিয়ে তিনি আর্থিকভাবে প্রতারিতও হয়েছেন।

২০২১ সালে ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রীয় আয় বাড়াতে খনি খাতে জোর দিয়েছে তালেবান সরকার। বাদাখসানের খনি বিভাগের প্রধান আব্দুল মতিন রহিমজাই জানান, বর্তমানে প্রায় ৭০০টি নিবন্ধিত কোম্পানি সেখানে কাজ করছে। বিশ্বব্যাংকের মতে, নতুন চুক্তির মাধ্যমে এই খাতে বার্ষিক ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। দেশে কর্মসংস্থানের তীব্র অভাব থাকায় কাবুল ও জালালাবাদ থেকে অনেক মানুষ মাসে ১০ থেকে ২৫ হাজার আফগানি আয়ের আশায় খনিগুলোতে কাজ করতে আসছেন।

"খনি কোম্পানিগুলোকে প্রতি হেক্টর জমির জন্য মাসে ২০ গ্রাম সোনা বা সমপরিমাণ অর্থ কর দিতে হয়। গত বছর শুধু বাদাখসান থেকেই সরকার ১১২ কেজি স্বর্ণ রাজস্ব হিসেবে পেয়েছে।"

তবে ব্যাপক পরিবেশগত ক্ষতির কারণে ২২৫টি খনি সাইট বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। অতিরিক্ত খননের ফলে সৃষ্ট কাদামাটিতে অনেক জায়গায় সেতু, দোকানপাট ও স্কুল চাপা পড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় রাখাল ও সাধারণ মানুষের মতে, এই স্বর্ণশিল্প তাদের কোনো উপকারে আসছে না, এটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও চারণভূমি ধ্বংস করে কেবল ক্ষমতাবানদেরই পকেট ভারী করছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আফগানিস্তান, বাদাখসান প্রদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুহাম্মদ আমিন, আব্দুল মতিন রহিমজাই
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৪ বছর, ৭০০টি, ২৫ শতাংশ, ৩০ শতাংশ, ১০ হাজার, ২৫ হাজার, ২০ গ্রাম, ১১২ কেজি, ২২৫টি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖