📌 নব্বইয়ের দশকের বলিউড তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে গড়ে ওঠা প্রেমের গল্পগুলো ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। গোবিন্দ-নীলমের আকর্ষণ থেকে শুরু করে অক্ষয়-রাভিনার বাগ্দান ভাঙা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল সেই সব সম্পর্ক
নব্বইয়ের দশকের বলিউড মানেই ছিল একঝাঁক তারকা আর তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনের নানা গল্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগ না থাকায় তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন ছড়াত ফিল্ম ম্যাগাজিন আর ট্যাবলয়েডের কলামে। সহশিল্পীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, একাধিক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করা—এসব থেকেই তৈরি হতো প্রেমের গল্প। কিছু সম্পর্ক সত্যিই প্রেমে গড়ালেও বেশিরভাগই ছিল পর্দার রসায়ন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গোবিন্দ ও নীলম কোঠারির সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন ছিল প্রবল, যদিও গোবিন্দ নিজেই তাঁর আকর্ষণের কথা স্বীকার করেছিলেন
- 📌 অক্ষয় কুমার ও রাভিনা ট্যান্ডনের সম্পর্ক বাগ্দান পর্যন্ত গিয়েছিল বলে জানিয়েছেন রাভিনা
- 📌 অক্ষয় ও শিল্পা শেঠির সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর শিল্পা অক্ষয়ের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ আনেন
- 📌 অক্ষয় ও টুইঙ্কল খান্নার সম্পর্কের কারণে অক্ষয়-শিল্পার সম্পর্ক ভেঙে যায় বলে জানান শিল্পা
📰 বিস্তারিত
নব্বইয়ের দশকের বলিউড তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে গড়ে ওঠা প্রেমের গল্পগুলো ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগ না থাকায় তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন ছড়াত ফিল্ম ম্যাগাজিন আর ট্যাবলয়েডের কলামে। সহশিল্পীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, একাধিক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করা—এসব থেকেই তৈরি হতো প্রেমের গল্প। কিছু সম্পর্ক সত্যিই প্রেমে গড়ালেও বেশিরভাগই ছিল পর্দার রসায়ন।
গোবিন্দ ও নীলম কোঠারির জুটি নব্বইয়ের দশকের আগেই দর্শকের পরিচিত হয়ে উঠেছিল। ‘ইলজাম’, ‘লাভ ৮৬’, ‘খুদগর্জ’, ‘গর কা চিরাগ’সহ বেশ কয়েকটি ছবিতে তাঁদের জুটি জনপ্রিয় হয়। পর্দায় তাঁদের রসায়ন এতটাই স্বাভাবিক ছিল যে খুব দ্রুতই সেই সম্পর্ক বাস্তব জীবনে গড়িয়েছে—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।
গোবিন্দ নিজেই বহু বছর আগে নীলমের প্রতি তাঁর আকর্ষণের কথা স্বীকার করেছিলেন। ১৯৯০ সালের এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, একসঙ্গে অনেক ছবি করার কারণে নীলমের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব হয়, আর তাঁকে যত চিনেছেন, ততই পছন্দ করেছেন। এমনকি তিনি বলেছিলেন, নীলম এমন একজন নারী, যাঁর প্রেমে যেকোনো পুরুষ পড়তে পারেন—এবং তিনিও পড়েছিলেন।
গোবিন্দের বক্তব্য আরও চমকপ্রদ। তিনি জানিয়েছিলেন, তখন তাঁর বর্তমান স্ত্রী সুনীতার সঙ্গে বাগ্দান ভেঙে দিয়েছিলেন এবং নীলমকে বিয়ে করার কথাও ভেবেছিলেন। তাঁর ভাষায়, সুনীতা যদি কয়েক দিন পর তাঁকে আবার যোগাযোগ না করতেন, তাহলে হয়তো তিনি নীলমকেই বিয়ে করতেন। কিন্তু নীলমের বক্তব্য ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারেও তিনি স্পষ্ট করেছেন, তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল না।
অক্ষয় কুমার ও রাভিনা ট্যান্ডনের সম্পর্কও ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। মোহরা তাঁদের ক্যারিয়ারে বড় সাফল্য এনে দেয়। পর্দার রোমান্টিক জুটি ধীরে ধীরে বাস্তব জীবনেও কাছাকাছি চলে আসে। দুজনের সম্পর্ক যে নিছক গুঞ্জন ছিল না, সেটি পরবর্তী সময়ে রাভিনা নিজেই নানা সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন। তাঁদের সম্পর্ক বাগ্দান পর্যন্ত গিয়েছিল বলেও তিনি কথা বলেছেন।
অক্ষয় কুমারের সঙ্গে শিল্পা শেঠির সম্পর্ক নব্বইয়ের দশকের অন্যতম আলোচিত প্রেমের গল্প। ম্যায় খিলাড়ি তু আনাড়িসহ কয়েকটি ছবিতে একসঙ্গে কাজ করার সময় তাঁদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে বলে খবর প্রকাশিত হয়। এই সম্পর্ক যে সত্যিই ছিল, তা পরে দুজনের বক্তব্যেই পরিষ্কার হয়। কিন্তু শেষটা ছিল তিক্ত। ২০০০ সালে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর শিল্পা এক সাক্ষাৎকারে অক্ষয়ের বিরুদ্ধে তাঁকে প্রতারণা করার অভিযোগ আনেন।
"আমি কখনো ভাবিনি যে অক্ষয় তাঁদের সম্পর্ক চলাকালীন একই সময়ে অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্ক রাখবেন। তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ আনছি। তিনি আমাকে ব্যবহার করেছেন এবং অন্য কাউকে পাওয়ার পর আমাকে ছেড়ে দিয়েছেন। সেই ‘অন্য কেউ’ ছিলেন টুইঙ্কল খান্না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বলিউড, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গোবিন্দ, নীলম কোঠারি, অক্ষয় কুমার, রাভিনা ট্যান্ডন, শিল্পা শেঠি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!