📅 ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিভক্তির ৭৫ বছরের রক্তক্ষয়ী ইতিহাস: দুই পরিবারের অপেক্ষা ও পালানোর গল্প

উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিভক্তির ৭৫ বছরের রক্তক্ষয়ী ইতিহাস: দুই পরিবারের অপেক্ষা ও পালানোর গল্প

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিভক্তির ফলে বিচ্ছিন্ন দুই পরিবারের দীর্ঘ অপেক্ষা ও পালানোর গল্প তুলে ধরেছে আল জাজিরা। ১৯৫৩ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরেও মিলেনি পুনর্মিলনের স্বপ্ন।

উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিভক্তির ফলে বিচ্ছিন্ন দুই পরিবারের দীর্ঘ অপেক্ষা ও পালানোর গল্প তুলে ধরেছে আল জাজিরা। ১৯৫৩ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরেও মিলেনি পুনর্মিলনের স্বপ্ন। দক্ষিণ কোরিয়ার বৃদ্ধা কাং মিয়ং সুক তার ভাইয়ের সঙ্গে শেষ দেখা করেছিলেন যখন তার বয়স ছিল ৬৩ বছর। এখন তার বয়স ৮৭ বছর। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত একটি বৃদ্ধাশ্রমে বসবাস করছেন, যা উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার বৃদ্ধা কাং মিয়ং সুকের শেষ দেখা হয়েছিল তার ভাইয়ের সঙ্গে ৬৩ বছর বয়সে
  • 📌 ২০০২ সালে উত্তর কোরিয়ার একটি রিসোর্ট শহরে দুই দিনের পুনর্মিলন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন তিনি
  • 📌 দুই কোরিয়ার বিভক্তির ফলে প্রায় ৩৪ হাজার দক্ষিণ কোরিয়ান তাদের উত্তর কোরিয়ার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন রয়েছেন
  • 📌 ১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের দুই কর্নেলের সিদ্ধান্তে বিভক্ত হয়েছিল কোরীয় উপদ্বীপ
  • 📌 ১৯৫০ সালে শুরু হওয়া কোরীয় যুদ্ধের ফলে আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন দুই পরিবার

📰 বিস্তারিত

১৯৪৫ সালের আগস্ট মাসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর জাপানের উপনিবেশ থেকে মুক্তি পায় কোরিয়া। এরপর যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কোরীয় উপদ্বীপ বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্নেল ডিন রাস্ক ও চার্লস ‘টিক’ বোনেস্টিল তৃতীয় কোরীয় উপদ্বীপকে ৩৮তম সমান্তরাল রেখা অনুসারে বিভক্ত করেন। এই বিভক্তির ফলে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া নামে দুটি আলাদা রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

কাং মিয়ং সুকের ভাই কাং ওয়ান গু তখন ছিলেন মাত্র ১৪ বছর। তিনি সিউলে স্কুলে পড়াশোনা করতেন। উত্তর কোরিয়ার সেনারা যখন শহর দখল করে নেয়, তখন তিনি পালিয়ে যান। পরে জাতিসংঘের সেনারা উত্তর কোরিয়ানদের পিছু হটিয়ে দিলে তিনি আবার ফিরে আসেন। কিন্তু যুদ্ধের চরম বিভীষিকায় তিনি তার পরিবারের সঙ্গে হারিয়ে যান। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরেও তিনি আর তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি।

২০০২ সালে দুই কোরিয়ার পুনর্মিলন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন কাং মিয়ং সুক। সেখানে তিনি তার ভাইয়ের সঙ্গে শেষ দেখা করেছিলেন। তিনি বলেন, "আমার ভাই বাসের জানালা দিয়ে চিৎকার করে বলেছিলেন, নিজের যত্ন নিও। আমরা সবাই কাঁদছিলাম — এটা ছিল একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। তারপর থেকে আমরা আর কখনো একে অপরকে দেখিনি।"

"আমার ভাই বাসের জানালা দিয়ে চিৎকার করে বলেছিলেন, নিজের যত্ন নিও।"
"আমরা সবাই কাঁদছিলাম — এটা ছিল একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। তারপর থেকে আমরা আর কখনো একে অপরকে দেখিনি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাং মিয়ং সুক, কাং ওয়ান গু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪ হাজার, ৩৮তম সমান্তরাল রেখা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖