📅 ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ডেল্টা হেলথ কেয়ার হাসপাতালে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দিয়ে ডেঙ্গু শিশুকে চিকিৎসা: অভিভাবকদের প্রতিবাদে হাসপাতালের নিরাপত্তা প্রশ্নে আলোড়ন

ডেল্টা হেলথ কেয়ার হাসপাতালে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দিয়ে ডেঙ্গু শিশুকে চিকিৎসা: অভিভাবকদের প্রতিবাদে হাসপাতালের নিরাপত্তা প্রশ্নে আলোড়ন

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার রামপুরার ডেল্টা হেলথ কেয়ার হাসপাতালে একবছর আগের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ 'এ্যাসিফিন' ইনজেকশন দিয়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৯ মাস বয়সী শিশুকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অভিভাবকরা ওষুধের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার প্রমাণ পেয়ে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান

ঢাকার রামপুরার ‘ডেল্টা হেলথ কেয়ার’ হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত একটি শিশুকে একবছর আগের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ইনজেকশন দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অভিভাবকরা ওষুধের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার প্রমাণ পেয়ে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। সারাবাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৯ মাস ২৩ দিন বয়সী এই শিশুকে গত ৬ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৯ মাস বয়সী ডেঙ্গু শিশুকে গত ৬ সেপ্টেম্বর ‘ডেল্টা হেলথ কেয়ার’-এ ভর্তি করা হয়, কিন্তু মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ‘এ্যাসিফিন’ ইনজেকশন দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
  • 📌 অভিভাবক কানিজ ফাতেমা ওষুধের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার প্রমাণ পেয়ে হাসপাতালের নার্স ও চিকিৎসকদের কাছে দায়িত্বহীনতার অভিযোগ তুলেন।
  • 📌 ওষুধের মেয়াদ ২০২৩ সালের মে থেকে ২০২৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত ছিল, কিন্তু শিশুকে ৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে ওষুধ দেওয়া হয়।
  • 📌 হাসপাতালের ম্যানেজার জসিম ও চিকিৎসক ডা. ফাউদুল ইসলাম অভিযোগের জবাবে সরাসরি কথা বলার দাবি জানান।
  • 📌 অভিভাবকরা দাবি করেন, ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় পরও হাসপাতাল কোনো পদক্ষেপ নেয়নি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের প্রমাণ সরিয়ে ফেলা হয়।

📰 বিস্তারিত

গত ৬ সেপ্টেম্বর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ৯ মাস ২৩ দিন বয়সী শিশুকে ‘ডেল্টা হেলথ কেয়ার’ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর চিকিৎসকের দেওয়া ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী হাসপাতালের নিজস্ব ফার্মেসি থেকে ওষুধ কেনা হয়। অভিভাবকরা শিশুর শরীরে দেওয়া ওষুধের ইনজেকশন বোতলটি খুঁজে বের করে দেখতে পান, ওষুধের মেয়াদ একবছর আগেই শেষ হয়ে গেছে। ওষুধটির নাম ‘এ্যাসিফিন’, যা কেবল রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ব্যবহার ও বিক্রয়যোগ্য।

অভিভাবক কানিজ ফাতেমা সারাবাংলাকে বলেন, “আমার ছেলেকে ডেঙ্গু পজিটিভ হওয়ার কারণে ৬ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে ভর্তি করি। চিকিৎসকরা স্যালাইন ও ইনজেকশন দিচ্ছিলেন। প্রতিদিন সকালে একটি অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন দেওয়া হত। মঙ্গলবার সকালে যে ইনজেকশনটি দেওয়া হয়েছিল, তার অ্যাম্পুল ড্রয়ারে ছিল। সারারাত বাচ্চা অস্বস্তি প্রকাশ করায় আমি সারারাত ঘুমাইনি। শেষ রাতে বাচ্চাকে ঘুম পাড়িয়ে জিনিসপত্র গুছানোর সময় ইনজেকশন বোতলটি আমার চোখে পড়ে। ওষুধের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার প্রমাণ পেয়ে আমি নার্সদের কাছে জিজ্ঞাসা করলাম, কিন্তু তারা দায়িত্ব নেয়নি। তিন-চার ঘণ্টা ধরে বলার পরও তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। পরে আমার আত্মীয় সাকিনা আক্তার হাসপাতালের ম্যানেজারকে ফোন দেন।”

সাকিনা আক্তার সারাবাংলাকে বলেন, “ম্যানেজারকে ফোন দিয়ে বললাম যে, বাচ্চাকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি শুনেছি, আসতেছি’। কিন্তু আমি বললাম, আপনারা কেন ডাক্তারকে ফোন দেননি? আপনারা বসে আছেন কেন? বাচ্চার শরীরে ব্যাড ইফেক্ট না হোক, সেটার জন্য পদক্ষেপ নিন। পরে ম্যানেজার ডাক্তারকে ফোন দেন। বাচ্চাটিকে এনআইসিইউতে অবজারভেশনে রাখা হয়। টেস্টের রিপোর্ট দেখে বলা হয়, রিপোর্ট মোটামুটি ভালো, টেনশন করার কিছু নেই। কিন্তু আমরা জানি, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের প্রমাণ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার বলেছেন, ‘২৪ ঘণ্টার বেশি হয়ে গেছে, কোনো ক্ষতি হয়নি।’ কিন্তু কে গ্যারান্টি দেবে ভবিষ্যতে কোনো ক্ষতি হবে না?”

"তখন নার্সকে বললে, তিনি বলেন- ‘আমি দেই নাই’। এ সময় আমি চিকিৎসককে জানাতে বললে কেউই রেসপন্সিবিলিটি নেয়নি এবং কেউ কোনো কথাই বলেননি। তিন-চার ঘণ্টা ধরে বলার পরও তারা কোনো কিছুই করেনি।"

হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. ফাউদুল ইসলাম সারাবাংলাকে বলেন, “আপনি হাসপাতালে আসেন, তখন এ বিষয়ে কথা হবে।” অন্যদিকে, হাসপাতালের ম্যানেজার জসিম সারাবাংলাকে বলেন, “আমাদের একটা মিস আন্ডারস্ট্যান্ডিং ছিল, সেটা ঠিক হয়ে গেছে। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ একটি নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা হয়।” কিন্তু অভিযোগের জবাবে তারা সরাসরি কোনো দায়িত্ব স্বীকার করেননি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের প্রমাণ সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে অভিভাবকরা দাবি করছেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রামপুরা, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কানিজ ফাতেমা (অভিভাবক), সাকিনা আক্তার (আত্মীয়), ডা. ফাউদুল ইসলাম (চিকিৎসক), জসিম (হাসপাতাল ম্যানেজার)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ মাস ২৩ দিন (শিশুর বয়স), ৬ সেপ্টেম্বর (ভর্তির তারিখ), ৮ সেপ্টেম্বর (মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দেওয়ার তারিখ), ২৪ ঘণ্টা (ক্ষতি হওয়ার সম্ভাব্য সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖