📌 বরিশালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলা তথ্য অফিস ও ইউনিসেফের যৌথ আয়োজনে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিভিল সার্জন ডা. সাইয়েদুর রহমানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে সম্মিলিত প্রচেষ্টার উপর জোর দেন
বরিশাল, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে বরিশাল জেলা তথ্য অফিস এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সভায় অংশগ্রহণকারীরা সম্মিলিত প্রচেষ্টার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. সাইয়েদুর রহমান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও বিস্তার রোধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান ডা. সাইয়েদুর রহমান
- 📌 বাড়িঘর ও আশপাশের তিন দিন পরপর পানি অপসারণের পরামর্শ দেন তিনি
- 📌 স্কুল-কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর পরিষ্কারের সচেতনতা বৃদ্ধির তাগিদ
- 📌 ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সাংবাদিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি
- 📌 জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক অনিমেষ কান্তি হাওলাদার জানান, প্রান্তিক এলাকায় সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেওয়া তথ্য অফিসের অন্যতম দায়িত্ব
📰 বিস্তারিত
বরিশাল জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় আয়োজিত এই সভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন অংশীজন ও সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততামূলক কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার লক্ষ্যে আলোচনা হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. সাইয়েদুর রহমান বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসা নয়, মশার প্রজনন ও বিস্তার রোধে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, একজন ব্যক্তি একাধিকবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হতে পারেন এবং পরবর্তী সংক্রমণে শারীরিক ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
তিনি বলেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং মশার বিস্তার রোধ করা। বাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে এবং অন্তত তিন দিন পরপর জমে থাকা পানি অপসারণ করতে হবে।" এছাড়া তিনি স্কুল-কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্পৃক্ত করে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সচেতন করার উপর জোর দেন।
সভা সভাপতিত্ব করেন জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক অনিমেষ কান্তি হাওলাদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল ও খুলনা বিভাগের ইউনিসেফের প্রধান মোহাম্মদ কাওসার হোসেন, জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আ. জব্বার ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল। জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক বলেন, জেলা তথ্য অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো প্রান্তিক এলাকার মানুষের দোরগোড়ায় সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি জনগণের চাহিদা সরকারের কাছে পৌঁছে দেয়া। তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে তথ্য অফিস দীর্ঘদিন ধরে ইউনিসেফের সহযোগিতা নিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
"ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সাংবাদিক, স্বেচ্ছাসেবকসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. মো. সাইয়েদুর রহমান (সিভিল সার্জন), অনিমেষ কান্তি হাওলাদার (জেলা তথ্য অফিস পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ (সেপ্টেম্বর মাস)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!