📌 ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার একটি মাদরাসায় নির্মাণাধীন একাডেমিক ভবনে প্রায় ১ কোটি ৩১ লাখ টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা 'অ্যানালগ সেন্টারিং' ব্যবহারের পাশাপাশি নির্মাণসামগ্রীর মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সরকারি কর্মকর্তা বলেছেন, এ ধরনের অনিয়ম হলে কাজ বন্ধ করা হবে
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার মোহাম্মদ ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসায় নির্মাণাধীন একাডেমিক ভবনে প্রায় ১ কোটি ৩১ লাখ টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা নির্মাণকাজে ব্যবহৃত 'অ্যানালগ সেন্টারিং' এবং নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভোলার মাদরাসায় নির্মাণাধীন একাডেমিক ভবনে ১ কোটি ৩১ লাখ টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ
- 📌 ঢালাইয়ে 'অ্যানালগ সেন্টারিং' ব্যবহারের অভিযোগ — সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কাজ করতে হবে বলে দাবি
- 📌 ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মো. খালিদ হোসেন নিজে কাজ না করে লালমোহন উপজেলার হাজী জুলফিকার মিয়ারকে কাজ হস্তান্তর করেছে
- 📌 নির্মাণকাজে ব্যবহৃত পাথরসহ নির্মাণসামগ্রীর মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে
- 📌 প্রকল্পের অনুমোদিত মূল্য ১ কোটি ৩০ লাখ ৯৩ হাজার ৮৫০ টাকা, কাজ শেষ করতে ৫৪০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মোহাম্মদ ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসায় নির্মাণাধীন একতলা একাডেমিক ভবনের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা বিশেষ করে ভবনের ছাদ ঢালাইয়ে কথিত 'অ্যানালগ সেন্টারিং' ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তারা দাবি করেছেন, নির্মাণকাজে ব্যবহৃত পাথরসহ অন্যান্য নির্মাণসামগ্রীর মান নিয়ে যথেষ্ট নজরদারি নেই।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মাদরাসাটির ভবন নির্মাণের কাজ পেয়েছে ভোলা সদরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মো. খালিদ হোসেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি নিজেরা কাজ বাস্তবায়ন না করে লালমোহন উপজেলার হাজী জুলফিকার মিয়ারকে কাজ হস্তান্তর করেছে। বর্তমানে জুলফিকার মিয়ারের লোকজন নির্মাণকাজ পরিচালনা করছেন।
মাদরাসার সুপার মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বলেছেন, 'আমরা শিক্ষক মানুষ, নিয়ম-অনিয়ম সব বুঝি না। ঠিকাদারের লোকজন সেন্টারিংয়ে কাঠ ব্যবহার করছে, এটি সঠিক। আমরা চাই, সরকারের নিয়ম অনুযায়ী কাজটি করা হোক।'
ভোলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মফিজুল ইসলাম বলেছেন, 'পাথরের ঢালাইয়ের কাজে অ্যানালগ সেন্টারিং ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। মোহাম্মদ ভেলা মাদরাসার ভবন নির্মাণকাজে এ ধরনের সেন্টারিং ব্যবহার করা হলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হবে। পাথরসহ অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
"আমরা শিক্ষক মানুষ, নিয়ম-অনিয়ম সব বুঝি না। ঠিকাদারের লোকজন সেন্টারিংয়ে কাঠ ব্যবহার করছে, এটি সঠিক। আমরা চাই, সরকারের নিয়ম অনুযায়ী কাজটি করা হোক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোহাম্মদ ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা, ভোলা সদর, তজুমদ্দিন উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ নুরুজ্জামান (মাদরাসা সুপার), মো. মফিজুল ইসলাম (নির্বাহী প্রকৌশলী), হাজী জুলফিকার মিয়ার, মো. খালিদ হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি ৩১ লাখ টাকা (অনিয়মের অভিযোগ), ১ কোটি ৩০ লাখ ৯৩ হাজার ৮৫০ টাকা (অনুমোদিত মূল্য), ৫৪০ দিন (কাজ শেষের সময়সীমা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!