📌 ঢাকা জেলা পুলিশের পোশাক সেলাইয়ের টেন্ডারে নিয়মবিরুদ্ধভাবে সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠানগুলিকে বাদ দিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে থাকা 'ইউনাইটেড ট্রেডার্স'-কে কাজ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরকারের আর্থিক ক্ষতি এবং স্বচ্ছতার অভাবের কারণে বঞ্চিত ঠিকাদাররা তীব্র প্রতিবাদ করছেন
ঢাকা জেলা পুলিশের পোশাক সেলাইয়ের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মবহির্ভূতভাবে সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠানগুলিকে বাদ দিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে থাকা ‘ইউনাইটেড ট্রেডার্স’কে কার্যাদেশ দেওয়ার অভিযোগে বঞ্চিত ঠিকাদাররা তীব্র প্রতিবাদ করছেন। সরকারের তহবিল থেকে অতিরিক্ত ২১ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা পুলিশের পোশাক সেলাইয়ের টেন্ডারে সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠানগুলিকে বাদ দিয়ে ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠান ‘ইউনাইটেড ট্রেডার্স’-কে কাজ দেওয়া হয়েছে
- 📌 সর্বনিম্ন দরদাতা ‘জেড হক ট্রেডিং করপোরেশন’-এর দর ছিল ১ কোটি ৫৮ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৩ টাকা, কিন্তু ষষ্ঠ দরদাতা ‘ইউনাইটেড ট্রেডার্স’-কে কাজ দেওয়া হয়েছে
- 📌 সরকারের তহবিল থেকে অতিরিক্ত ২১ লাখ ১৪ হাজার ৮০৪ টাকা ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে
- 📌 বঞ্চিত ঠিকাদারদের দাবি, টেন্ডার মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে
- 📌 পুলিশ কর্তৃপক্ষ দাবি, ই-জিপি ব্যবস্থায় অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই
📰 বিস্তারিত
২০২৬-২৭ অর্থবছরে ঢাকা জেলা পুলিশের পোশাক সেলাইয়ের কাজের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। ৭ জুলাই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর মোট ৯টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এর মধ্যে ২১ জুলাই চারটি প্রতিষ্ঠান এবং ২২ জুলাই বাকি পাঁচটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দেয়। দরপত্র উন্মুক্তকরণ প্রতিবেদনে দেখা যায়, সর্বনিম্ন দরদাতা ‘জেড হক ট্রেডিং করপোরেশন’-এর দর ছিল ১ কোটি ৫৮ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৩ টাকা। কিন্তু নিয়মবিরুদ্ধভাবে ষষ্ঠ দরদাতা ‘ইউনাইটেড ট্রেডার্স’-কে কাজ দেওয়া হয়েছে, যার দর ছিল ১ কোটি ৭৯ লাখ ৭৩ হাজার ৫৮৭ টাকা।
বঞ্চিত ঠিকাদারদের অভিযোগ, তারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিয়ম মেনে দরপত্র জমা দিয়েছিলেন। কাজের অভিজ্ঞতা, আর্থিক সামর্থ্য এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকার পরও তাদের দরপত্র অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান ‘জেড হক ট্রেডিং করপোরেশন’-এর স্বত্বাধিকারী আবুল কাশেম (বাবু) বলেছেন, “সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েও কেন কাজ পেলাম না, তা জানি না। কোন প্রক্রিয়ায় কাজটি দেওয়া হয়েছে, সেটিও আমার বোধগম্য নয়।”
পুলিশ কর্তৃপক্ষের দাবি, টেন্ডার কার্যক্রম সম্পূর্ণ ই-জিপি ব্যবস্থায় হয়ে থাকে। তবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েও কেন কাজ পেলাম না, তা জানি না। কোন প্রক্রিয়ায় কাজটি দেওয়া হয়েছে, সেটিও আমার বোধগম্য নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা জেলা পুলিশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবুল কাশেম (বাবু), পুলিশ কর্তৃপক্ষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ লাখ ১৪ হাজার ৮০৪ টাকা (অতিরিক্ত খরচ), ৯টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ, ১ কোটি ৫৮ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৩ টাকা (সর্বনিম্ন দর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!