📌 সড়ক, নদী ও বাঁধের পাড় সুরক্ষায় বিন্না ঘাস রোপণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে সরকার ৩৪ সদস্যের কারিগরি কমিটি গঠন করেছে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটিতে পরিবেশ, বন, পানি ও গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীরা সদস্য হিসেবে রয়েছেন
সড়ক, মহাসড়ক, নদী, খাল, হাওর-বাঁওড় ও বাঁধের পাড় সুরক্ষায় বিন্না ঘাস রোপণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে সরকার ৩৪ সদস্যের কারিগরি কমিটি গঠন করেছে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরিকল্পনা বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুসারে, এই কমিটি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিন্না ঘাস রোপণের কার্যকরতা মূল্যায়ন করবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকার ৩৪ সদস্যের কারিগরি কমিটি গঠন করেছে বিন্না ঘাস রোপণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর কমিটির আহ্বায়ক
- 📌 কমিটি যাচাই করবে: প্রতি কিলোমিটারে বিন্না ঘাস রোপণের খরচ, রাস্তা ও বাঁধের পাশে ফাঁকা জায়গা ও বিন্না ঘাসের রোপণ পরিমাণ
- 📌 পার্বত্য চট্টগ্রামের রাস্তা, লেকের পাড় ও পাহাড়ের পাদদেশে বিন্না ঘাস রোপণের সম্ভাব্যতাও মূল্যায়ন করবে কমিটি
- 📌 কমিটিতে পানিসম্পদ, পরিবেশ, বন, সড়ক পরিবহন, স্থানীয় সরকার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীরা সদস্য
- 📌 বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও প্রধান কর্মকর্তারা সদস্য
- 📌 পরিকল্পনা বিভাগের সচিব কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন
📰 বিস্তারিত
পরিকল্পনা বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই কারিগরি কমিটি সড়ক, মহাসড়ক, নদী, খাল, হাওর-বাঁওড় ও বাঁধের পাড় সুরক্ষায় বিন্না ঘাস রোপণের সম্ভাব্যতা যাচাই করবে। কমিটি প্রতি কিলোমিটারে বিন্না ঘাস রোপণের বাস্তব খরচ নির্ধারণের পাশাপাশি রাস্তা ও বাঁধের পাশে কতটুকু জায়গা ফাঁকা রাখতে হবে এবং কতটুকু জায়গায় বিন্না ঘাস লাগানো যাবে, তা নির্ধারণ করবে। বিশেষভাবে, পার্বত্য চট্টগ্রামের রাস্তার দুই পাশে, লেকের পাড়ে এবং পাহাড়ের পাদদেশে বিন্না ঘাস রোপণের সম্ভাব্যতাও কমিটি খতিয়ে দেখবে।
কমিটিতে পানিসম্পদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক, সেতু, স্থানীয় সরকার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীরা সদস্য হিসেবে রয়েছেন। এছাড়াও, পরিকল্পনা কমিশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব, গণপূর্ত অধিদপ্তর, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, প্রধান বন সংরক্ষক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম কমিটির সদস্য। পরিকল্পনা বিভাগের সচিব কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রজ্ঞাপন অনুসারে, কমিটি প্রয়োজনে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সভা করবে। প্রজ্ঞাপন জারির সঙ্গে সঙ্গে এটি কার্যকর হয়েছে।
"প্রকল্পের আওতায় বিন্না ঘাস রোপণের সম্ভাব্যতা যাচাই করে প্রকল্পের কার্যকরতা ও খরচ নির্ধারণ করা হবে। পার্বত্য অঞ্চলের বিশেষ চাহিদাও বিবেচনা করা হবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সকল জেলা, বিশেষত পার্বত্য চট্টগ্রাম)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর (আহ্বায়ক), অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম (বুয়েট উপ-উপাচার্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪ সদস্যের কারিগরি কমিটি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!