📅 ২ নভেম্বর ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মহাখালীর একাকী মা: দিনে রিকশা, রাতে ঝাড়ু ধরে সংসার চালায় হালিমা বেগম

মহাখালীর একাকী মা: দিনে রিকশা, রাতে ঝাড়ু ধরে সংসার চালায় হালিমা বেগম

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের হালিমা বেগম (৩৯) দিনে রিকশা চালিয়ে, রাতে ঢাকার সিটি করপোরেশনের ঝাড়ুদার হিসেবে কাজ করে চার সন্তানের পড়ালেখা ও সংসার চালান। স্বামী পঙ্গু হওয়ায় একাকী সংগ্রামে তিনি দিনে ৭-৮ হাজার টাকা উপার্জন করে পরিবারকে বাঁচিয়ে রাখেন

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের এক দরিদ্র পরিবারের মা হালিমা বেগম (৩৯) দিনের বেলায় ঢাকার মহাখালীতে রিকশা চালিয়ে, রাতে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করে চার সন্তানের পড়ালেখা ও সংসার চালাচ্ছেন। স্বামী পঙ্গু হওয়ায় একাকী সংগ্রামে তিনি দিনে রিকশা চালিয়ে, রাতে ঝাড়ু ধরে সংসারকে বাঁচিয়ে রাখছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **হালিমা বেগম (৩৯)** ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের বাসিন্দা, বর্তমানে ঢাকার মহাখালী সাততলা বস্তিতে থাকেন।
  • 📌 **দিনে রিকশা চালিয়ে, রাতে সিটি করপোরেশনের ঝাড়ুদার** হিসেবে কাজ করে তিনি পরিবারকে চালান।
  • 📌 **স্বামী পঙ্গু** হওয়ায় একাকী সংগ্রামে তিনি দিনে ৭-৮ হাজার টাকা উপার্জন করেন।
  • 📌 **দুই মেয়ে হাফিজা হওয়ার জন্য পড়ছেন** এবং তাদের প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে।
  • 📌 **করোনা মহামারির সময় স্বামী টায়ফয়েডে পঙ্গু** হয়ে যান, ইনকাম বন্ধ হলে বাধ্য হয়ে রিকশা চালানোর পেশা বেছে নেন।
  • 📌 **রিকশা চালাতে প্রথমে হয়রানি ও মারধোরের শিকার** হয়েছিলেন, কিন্তু পিছনে ফেরার রাস্তা ছিল না।
  • 📌 **বছর দুই আগে ব্যাটারিচালিত রিকশা পেয়েছিলেন**, কিন্তু গ্যারেজ থেকে চুরি হয়ে যায়। আবার ভাড়ায়চালিত রিকশাই চালাচ্ছেন।
  • 📌 **স্বপ্ন: দুই মেয়ে হাফিজা হয়ে পড়ালেখা করে মানুষের মতো জীবন যাপন করবে।**

📰 বিস্তারিত

হালিমা বেগমের জীবনের শুরু ছিল কষ্টময়। চার বছর বয়সে রেলস্টেশন থেকে হারিয়ে যান। তিন বছর পর বাবা-মা খুঁজে পান। অল্প বয়সেই বিয়ে হওয়া হালিমা মা-ও হয়েছেন কম বয়সেই। স্বামীর অভাবের সংসার চালাতে বাধ্য হন। করোনা মহামারির আগে তার জীবনে আরেকটি ধাক্কা আসে—স্বামী টায়ফয়েডে আক্রান্ত হয়ে পঙ্গু হয়ে যান। ইনকাম বন্ধ হলে পরিবারকে বাঁচাতে বাধ্য হন রিকশা চালানোর পেশা বেছে নেওয়া।

হালিমা বলেন, ‘আমার মতো কষ্ট যেন আমার সন্তানদের করা না লাগে, সেই কারণেই এত খাটনি করি।’ তিনি দিনে রিকশা চালিয়ে, রাতে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করেন। সকালে বাসায় ফিরে রান্না করে খাওয়া, এর পর খানিক ঘুমিয়ে বেরিয়ে পড়েন রিকশা নিয়ে। এই জীবন চলছে সাত-আট বছর ধরে।

হালিমা রিকশা চালাতে প্রথমে লজ্জা লাগত। রাস্তায় হয়রানি ও মারধোরের শিকার হন। তিনি বলেন, ‘প্রথমে ছেলেদের প্যান্ট-শার্ট পরে মুখে রুমাল পেঁচিয়ে রিকশা চালাতেন যেন পরিচিতরা চিনতে না পারে। শুরুতে রিকশা চালানোর হাত পাকা ছিল না, অন্য রিকশার সঙ্গে লাগিয়ে দিয়েছেন। এতে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বহুবার।’

বছর দুই আগে এক সংস্থার পক্ষ থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশা পেয়েছিলেন। কিন্তু গ্যারেজ থেকে চুরি হয়ে যায়। তার পর থেকে আবার ভাড়ায়চালিত রিকশাই চালাচ্ছেন। হালিমার স্বপ্ন হলো দুই মেয়ে হাফিজা হয়ে পড়ালেখা করে মানুষের মতো জীবন যাপন করবে। তিনি বলেন, ‘আমি যদি খারাপ পথে যাইতাম, একদিন হয়তো আমার মেয়েরাও সেই পথে যাইতো। তাই আমি সেই পথে যেতে চাই না।’

"আমার মতো কষ্ট যেন আমার সন্তানদের করা না লাগে, সেই কারণেই এত খাটনি করি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার মহাখালী সাততলা বস্তি, ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হালিমা বেগম (৩৯), স্বামী (পঙ্গু), দুই মেয়ে (হাফিজা হওয়ার জন্য পড়ছেন)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৯ বছর বয়স, ৭-৮ হাজার টাকা দৈনিক উপার্জন, চার সন্তান, দুই মেয়ে হাফিজা হওয়ার জন্য পড়ছেন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖