📌 স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পাঁচ মাস না যেতেই সরকারকে ব্যর্থ বলাকে অসহিষ্ণুতা হিসেবে অভিহিত করেছেন। টেকসই গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আয়োজিত সেমিনারে তিনি সরকারের বিরুদ্ধে অস্থিরতা তৈরির সমালোচনা করেন
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পাঁচ মাস না যেতেই সরকারকে ব্যর্থ বলাকে ভীষণ অসহিষ্ণুতা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, সরকারের মেয়াদ পাঁচ মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই সরকারকে ব্যর্থ বলে তকমা দেওয়া রাজনৈতিক ও সামাজিক অসহিষ্ণুতার বহিঃপ্রকাশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকারের মেয়াদ পাঁচ মাস না যেতেই ‘ব্যর্থ’ বলাকে অসহিষ্ণুতা হিসেবে অভিহিত করেন মির্জা ফখরুল
- 📌 টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ধৈর্য ও পরমতসহিষ্ণুতা জরুরি বলে মনে করেন তিনি
- 📌 বিএনপির মহাসচিব বলেন, যাঁরা সরকারকে পাঁচ বছর পার করতে দেবেন না, তাঁরা ফ্যাসিস্ট আমলের মতো কথা বলছেন
- 📌 তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণ করলে দেশকে ধ্বংসস্তূপ হিসেবে পেয়েছে
- 📌 গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি
📰 বিস্তারিত
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘টেকসই গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা তো একটুতেই অস্থির...আজকে পাঁচ মাসও হয়নি, এই সরকারকে এখনই বলছি যে সরকার ব্যর্থ...এটা আসলে এত অসহিষ্ণুতা, ভীষণভাবে অসহিষ্ণুতা।’
তিনি আরও বলেন, সরকারকে অল্প সময়েই ব্যর্থ বলা ও রাজপথে অস্থিরতা তৈরি করা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পরিপন্থী। বিএনপির মহাসচিব অভিযোগ করেন, যাঁরা সরকারকে পাঁচ বছর পার করতে দেবেন না, তাঁরা ফ্যাসিস্ট আমলে শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছেন। তাঁদের কথার সঙ্গে শেখ হাসিনার বক্তব্যের কোনো পার্থক্য নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ঐতিহাসিকভাবে বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণ করলে দেশকে ধ্বংসস্তূপ হিসেবে পেয়েছে। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে ভয়ংকর ঘটনা ঘটেছে ১৫ বছর। শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের নাম করে একেবারে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছেন। গণতন্ত্রের প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছেন।’
"ধ্বংসস্তূপ থেকে উত্তরণে সময়ের প্রয়োজন। বিগত সরকারের রেখে যাওয়া বিদ্যুৎ ও ব্যাংকিং খাতের সংকটের দ্রুত সমাধান সম্ভব নয়। ধৈর্য ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।"
তিনি গণমাধ্যমের সংকট প্রসঙ্গে বলেন, বর্তমানে অনেক সম্পাদককে কোনো আগাম নোটিশ ছাড়াই চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে। সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের এসব সংকট কাটাতে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই। তিনি উল্লেখ করেন, গণমাধ্যম মালিকেরা ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় স্বাধীন সাংবাদিকতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
মির্জা ফখরুল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার প্রসঙ্গে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য বা স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিওর মাধ্যমে মানুষের পুরো জীবনের অবদান এক মুহূর্তে নষ্ট করা হচ্ছে। তিনি ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো এ বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, তারেক রহমান, শেখ হাসিনা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!