📌 ৪৩, ৪৪ ও ৪৮তম বিসিএসের সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের গেজেট থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে রাজনৈতিক হয়রানি ও বৈষম্য করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তারা। ঢাকার একটি সংবাদ সম্মেলনে ৬৫ জনেরও বেশি প্রার্থী গেজেটবঞ্চিত অবস্থায় রয়েছে বলে জানানো হয়েছে
বাংলাদেশের বিসিএস পরীক্ষায় সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের গেজেট থেকে বৈষম্যমূলকভাবে বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে রাজনৈতিক হয়রানি ও বৈষম্য করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ৪৩, ৪৪ ও ৪৮তম বিসিএসের সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা। তারা জানিয়েছেন, মেধার ভিত্তিতে সুপারিশ পাওয়ার পরেও তাদের চাকরিতে যোগদান থেকে বিরত রাখা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪৩, ৪৪ ও ৪৮তম বিসিএসের সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের গেজেট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ
- 📌 ২০২৪ সালের ১৫ অক্টোবর ২ হাজার ৬৪ জনকে গেজেটভুক্ত করা হলেও পরবর্তীতে ২৫৭ জনকে বাদ দেওয়া হয়
- 📌 এখনো ৬৫ জন প্রার্থী গেজেটবঞ্চিত অবস্থায় রয়েছে
- 📌 ডিজিএফআই ও এনএসআই-এর প্রতিবেদনে তথ্যের অমিলের কারণে অনেকের গেজেট আটকে রাখা হয়েছে
- 📌 ৪৪তম বিসিএসে পররাষ্ট্র ক্যাডারে প্রথম স্থান অর্জনকারী ২০ জন ও ৪৮তম বিসিএসে ২৭ জনকে বাদ দেওয়া হয়েছে
- 📌 ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন, কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ছাড়াই শুধু ‘জনশ্রুতির’ ভিত্তিতে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
শুক্রবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী চাকরিপ্রার্থীরা তাদের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে ৪৩তম বিসিএসে গেজেটবঞ্চিত প্রার্থী কানজিলাল রয় জীবন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি বলেন, ‘৪৩, ৪৪ ও ৪৮তম বিসিএসের সুপারিশপ্রাপ্ত ক্যাডাররা নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে চাকরিতে যোগদানের স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার অপব্যবহারের কারণে তাদের চাকরিতে যোগদান থেকে বিরত রাখা হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, ২০২৪ সালের ১৫ অক্টোবর ২ হাজার ৬৪ জনকে গেজেটভুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হলেও পরবর্তীতে নতুন গেজেট থেকে ২৫৭ জনকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর সম্পূরক গেজেটে কয়েকজনকে পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা হলেও এখনো ৬৫ জন প্রার্থী গেজেটবঞ্চিত অবস্থায় রয়েছে।
কানজিলাল রয় জীবন অভিযোগ করেন, ডিজিএফআই ও এনএসআই-এর প্রতিবেদনে তথ্যের অমিল থাকায় অনেকের গেজেট আটকে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, কোনো অপরাধমূলক বা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত না থাকা সত্ত্বেও শুধু ‘জনশ্রুতির’ ভিত্তিতে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ৪৪তম বিসিএসে পররাষ্ট্র ক্যাডারে প্রথম স্থান অর্জনকারী ব্যক্তিসহ মোট ২০ জন এবং ৪৮তম বিশেষ বিসিএসে ২৭ জন সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীকে চূড়ান্ত গেজেট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কারণ জানতে চেয়েও কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা পাননি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগীরা বর্তমান সরকারের ‘মেরিটক্রেসির বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের অঙ্গীকার এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বাদ পড়া প্রার্থীদের পুনরায় নিয়োগ দেওয়ার ইতিবাচক দৃষ্টান্তের কথা উল্লেখ করে জানান, তারা রাষ্ট্রের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছেন।
"৪৩, ৪৪ ও ৪৮তম বিসিএসের সুপারিশপ্রাপ্ত ক্যাডাররা নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে চাকরিতে যোগদানের স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার অপব্যবহারের কারণে তাদের চাকরিতে যোগদান থেকে বিরত রাখা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কানজিলাল রয় জীবন (৪৩তম বিসিএস গেজেটবঞ্চিত প্রার্থী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৪ সালের ১৫ অক্টোবর, ২ হাজার ৬৪ জন, ২৫৭ জন, ৬৫ জন, ২০ জন, ২৭ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!