📌 নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষণা করেছে আগামী ৬ জুনের আগেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত। সেনাবাহিনী ও আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করা হবে এবং শিক্ষা খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে
নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষণা করেছে যে, আগামী বছরের জুনের আগেই সমস্ত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান, এই সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণকারীদের সম্মতির ভিত্তিতে উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী ও আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬ জুনের আগেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেয় ইসি
- 📌 সেনা মোতায়েন ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে সিদ্ধান্ত
- 📌 ১৭ সেপ্টেম্বর আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে ঘোষণা
- 📌 ৭ বা ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে রোজা, এরপর এসএসসি পরীক্ষা
- 📌 ৬ জুন থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা
📰 বিস্তারিত
নির্বাচন কমিশন (ইসি) জাতীয় নির্বাচনের মতো উপনির্বাচনেও সেনাবাহিনী ও আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন, বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিষয়ে বিভিন্ন অংশীদারের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় একটি সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, অংশগ্রহণকারী সবাই একমত হয়েছেন যে, আগামী বছরের জুনের আগেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
কমিশনার সানাউল্লাহ শিক্ষা খাতের চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে বলেন, এবারের বন্যায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা খাতে যে ব্যাঘাত ঘটেছে, তার প্রভাব এখনো রয়ে গেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখনো সেই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। ফলে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো কমিশনকে অনুরোধ জানিয়েছে যেন কোনোভাবেই পরীক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত না হয়। তিনি জানান, নির্বাচনে শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে কমিশন প্রশিক্ষণের সমন্বয় ও নির্বাচনী দায়িত্বের জন্য একজন শিক্ষককে অন্তত এক সপ্তাহের জন্য প্রয়োজন হয়। শিক্ষকদের খাতা মূল্যায়ন ও পরীক্ষার প্রাক-প্রস্তুতির বিষয়গুলো যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।
নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণার বিষয়ে কমিশনার জানান, কমিশন বাজেট পরিকল্পনা থেকে শুরু করে আরও কিছু পার্শ্ববর্তী সমন্বয় বা সাইডলাইন ওয়ার্ক দ্রুত সম্পন্ন করবে। স্টাফ লেভেল এবং সাচিবিক পর্যায়ের প্রয়োজনীয় সমন্বয় শেষ করে কমিশন বৈঠকে চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হলেই তা প্রকাশ করা হবে।
কমিশনার সানাউল্লাহ আরও জানান, পুরো নভেম্বর ও ডিসেম্বর জুড়েই বিভিন্ন স্তরের পরীক্ষা চলায় সময় পাওয়া অত্যন্ত দুষ্কর। জানুয়ারিতে কিছুটা ফাঁকা সময় মিললেও ৭ বা ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে পবিত্র রোজা। রোজার ছুটির পরপরই শুরু হবে এসএসসি পরীক্ষা। অন্যদিকে, এসএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়া এবং ৬ জুনে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে আবার কিছুটা সুযোগ রয়েছে। এই ধরনের অত্যন্ত আঁটসাঁট বা টাইট শিডিউলের কারণে সব প্রক্রিয়া কীভাবে সমন্বয় করা যায়, তা নিয়ে কমিশন অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
"আগামী বছরের জুনের আগেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। শিক্ষা খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কমিশন যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নির্বাচন ভবন, আগারগাঁও, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (নির্বাচন কমিশনার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ জুন, ৭-৮ ফেব্রুয়ারি, ১৭ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!