📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:৫৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্যবসায় শিক্ষায় ভাটা: খুলনার আযম খান সরকারি কমার্স

ব্যবসায় শিক্ষায় ভাটা: খুলনার আযম খান সরকারি কমার্স

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খুলনার ঐতিহ্যবাহী আযম খান সরকারি কমার্স কলেজে ব্যবসায় শিক্ষায় ভাটা পড়েছে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে কলেজটির স্নাতক পর্যায়ে ৫১ শতাংশের বেশি আসন খালি রয়েছে। করোনা মহামারির পর থেকে শিক্ষার্থী কমতে শুরু করেছে

খুলনার ঐতিহ্যবাহী আযম খান সরকারি কমার্স কলেজে ব্যবসায় শিক্ষায় ভাটা পড়েছে। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে কলেজটির স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ে ৪টি বিষয়ে ১ হাজার ১৩০টি আসনের বিপরীতে ভর্তি হয়েছেন মাত্র ৫৫২ জন। ফলে খালি রয়েছে ৫৭৮টি আসন, যা মোট আসনের ৫১ শতাংশের বেশি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 খুলনার আযম খান সরকারি কমার্স কলেজে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক পর্যায়ে ৫১ শতাংশের বেশি আসন খালি রয়েছে।
  • 📌 কলেজটির স্নাতক পর্যায়ে মোট আসন সংখ্যা ১ হাজার ১৩০টি।
  • 📌 ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে হিসাববিজ্ঞান, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, ব্যবস্থাপনা ও মার্কেটিং বিভাগে ভর্তি হয়েছেন ৫৫২ জন।
  • 📌 করোনা মহামারির পর থেকে কলেজটিতে শিক্ষার্থী কমতে শুরু করেছে। গত ৩ বছরে শিক্ষার্থী কমেছে প্রায় ৩০ শতাংশ।

📰 বিস্তারিত

একসময় প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীর পদচারণায় মুখর ছিল খুলনার আযম খান সরকারি কমার্স কলেজ। বর্তমানে শিক্ষার্থী কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ছয় হাজারে। শুধু শিক্ষার্থী কমেনি, প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক আসনও খালি থাকছে। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে কলেজটির স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ে ৪টি বিষয়ে ১ হাজার ১৩০টি আসনের বিপরীতে ভর্তি হয়েছেন ৫৫২ জন। ফলে খালি রয়েছে ৫৭৮টি আসন, যা মোট আসনের ৫১ শতাংশের বেশি। এর আগের শিক্ষাবর্ষে খালি ছিল ১৯২টি আসন।

কলেজটির অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, করোনা মহামারির আগেও কলেজটিতে ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ছিল। করোনার পর থেকে শিক্ষার্থী কমতে শুরু করেছে। গত ৩ বছরে শিক্ষার্থী কমেছে প্রায় ৩০ শতাংশ এবং ৬ বছরে কমেছে প্রায় ৪০ শতাংশ। সারা দেশের সব ধরনের কলেজেই বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থী কমছে, তবে যেসব কলেজে শুধু বাণিজ্য বিষয়ে পড়ানো হয়, সেখানে এর প্রভাব বেশি স্পষ্ট।

কলেজটির প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৫৩ সালের ১৪ আগস্ট। খুলনা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভবনে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির নৈশকালীন পাঠদানের মধ্য দিয়ে কলেজটির কার্যক্রম চালু হয়। পরে ১৯৬১ সাল থেকে দিনে পাঠদান শুরু হয়। ওই বছর কলেজটির নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় আযম খান কমার্স কলেজ। ১৯৬৩ সাল থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন বাণিজ্য বিষয়ে স্নাতক পড়ানো শুরু হয়। ১৯৭২ সালে খুলনা অঞ্চলের প্রথম কলেজ হিসেবে হিসাববিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর চালু করা হয়। কলেজটি জাতীয়করণ হয় ১৯৭৯ সালে। এখানে ডিগ্রি পাস কোর্সও চালু আছে।

"করোনা মহামারির আগেও কলেজটিতে ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ছিল। করোনার পর থেকে শিক্ষার্থী কমতে শুরু করেছে। গত ৩ বছরে শিক্ষার্থী কমেছে প্রায় ৩০ শতাংশ এবং ৬ বছরে কমেছে প্রায় ৪০ শতাংশ। সারা দেশের সব ধরনের কলেজেই বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থী কমছে, তবে যেসব কলেজে শুধু বাণিজ্য বিষয়ে পড়ানো হয়, সেখানে এর প্রভাব বেশি স্পষ্ট।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খুলনা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম (অধ্যক্ষ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৭৮টি (খালি আসন), ৫৫২ জন (ভর্তি), ৫১ শতাংশ (খালি আসনের হার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖