📌 স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। তিনি ঘোষণা করেন ৫০ শয্যার হাসপাতালটিকে ১৫১ শয্যায় রূপান্তরিত করার কাজ ১৫ দিনের মধ্যে শুরু হবে। নতুন চিকিৎসক, নার্স ও সুবিধা যোগ হবে
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আজ দুপুর ১২টায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আকস্মিক পরিদর্শনে উপস্থিত হন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে এসেছিলেন তিনি। পরিদর্শনের সময় তিনি ঘোষণা করেন, ৫০ শয্যার এই হাসপাতালকে দেড়শত শয্যায় রূপান্তরিত করার কাজ আগামী ১৫ দিনের মধ্যে শুরু হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন পটিয়া হাসপাতাল পরিদর্শন করেন এবং ঘোষণা করেন ৫০ শয্যার হাসপাতালটিকে ১৫১ শয্যায় রূপান্তরিত করার কাজ ১৫ দিনের মধ্যে শুরু হবে।
- 📌 ১৫১ শয্যার হাসপাতাল প্রকল্পে ৪ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ৫ জন মেডিক্যাল অফিসার, ৪ জন নার্স, মিডওয়াইফ, ল্যাব টেকনোলজিস্ট, রেডিওগ্রাফার, বাবুর্চি ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে শিগগিরই।
- 📌 নতুন সুবিধা হাসপাতালে প্রসূতি মায়েদের জন্য ২০টি, নবজাতকের জন্য ২০টি এবং ডায়ালাইসিসের জন্য ১০টি শয্যা রাখা হবে। ডায়ালাইসিস মেশিন দেওয়া হবে ১০টি এবং দৈনিক ২০ জন রোগী ডায়ালাইসিস করতে পারবে।
- 📌 সরেজমিন পরিদর্শন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশব্যাপী হাসপাতালগুলো সরেজমিনে দেখার জন্য যাচ্ছি। প্রত্যেক উপজেলায় ১৫১ শয্যার হাসপাতাল তৈরি করা হবে।’
- 📌 রোগীদের সেবা স্বাস্থ্যমন্ত্রী রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ওষুধপত্রের মান ও খাবারের গুণগত মান পরীক্ষা করেন।
📰 বিস্তারিত
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আজ দুপুর ১২টায় পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে উপস্থিত হন। তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে এসেছি। ৫০ শয্যার হাসপাতালকে দেড়শত শয্যায় রূপান্তর করা হবে। তার প্রস্তুতি চলছে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ১৫১ শয্যায় হাসপাতালটিকে উন্নীত করার কাজ আগামী ১৫ দিনের মধ্যে শুরু হবে। এ জন্য ৪ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ৫ জন মেডিক্যাল অফিসার, ৪ জন নার্স, মিডওয়াইফ, ল্যাব টেকনোলজিস্ট, রেডিওগ্রাফার, বাবুর্চি ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে শিগগিরই। তিনি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং জানতে চান, রোগীরা চিকিৎসাসেবা ঠিকমতো পাচ্ছেন কি না। এমনকি তিনি হাসপাতালের রান্নাঘরে গিয়ে রান্না করা খাবারের মানও পরীক্ষা করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, পটিয়া হাসপাতালে উন্নত মানের প্যাথলজি সুবিধা দেওয়া হবে। প্রসূতি মায়েদের জন্য ২০টি, নবজাতকের জন্য ২০টি এবং ডায়ালাইসিসের জন্য ১০টি শয্যা রাখা হবে। ডায়ালাইসিস মেশিন দেওয়া হবে ১০টি এবং দুই বছরের মধ্যে এখানে দৈনিক ২০ জন রোগী ডায়ালাইসিস করতে পারবে। এছাড়া ফিজিওথেরাপি সেন্টার তৈরি করা হবে, যেখানে পুরুষ ও নারী চিকিৎসকদের জন্য আলাদা সুবিধা থাকবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশব্যাপী হাসপাতালগুলো সরেজমিনে দেখার জন্য যাচ্ছি। আপনাদের এখানে এসেছি। আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, আমরা প্রত্যেক উপজেলায় ১৫১ শয্যার বিশিষ্ট হাসপাতাল করতে যাচ্ছি। যেগুলোতে ৫০ শয্যা আছে, সেখানে আরও ১০১টি যোগ করা হবে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হবে।’
"আমি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এখানে এসেছি। আপনাদের এখানে অনেকগুলো উপজেলার লোকজন আছে। আমাকে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ প্রদান করেছেন সরেজমিনে এসে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। নতুন জনবল দু–এক দিনের মধ্যে যোগদান করবে। আপনারা আরও ভালো সেবা পাবেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ শয্যা → ১৫১ শয্যা, ১৫ দিন, ৪ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ৫ জন মেডিক্যাল অফিসার, ২০টি শয্যা (প্রসূতি ও নবজাতক), ১০টি ডায়ালাইসিস মেশিন, ২০ জন দৈনিক ডায়ালাইসিস রোগী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!