📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, প্রযুক্তিনির্ভর সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও ডিজিটাল রূপান্তর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও জাতীয় নিরাপত্তাকে সুসংহত করবে। আইওএম-এর ব্রিফিংয়ে তিনি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আজ বুধবার বলেছেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য। তিনি জানান, বৈশ্বিক সংযোগ বৃদ্ধির এই সময়ে বৈধ যাতায়াত ও বাণিজ্যকে সহজতর করার পাশাপাশি সীমান্ত অতিক্রমকারী ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা গড়ে তোলা দরকার।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ব্যবহার সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় মূল অগ্রাধিকার
- 📌 সরকারের জাতীয় সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কৌশল ২০২৬–২০৩১ ও সংস্কার রূপরেখা ২০২৬-২০৩১-এ প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা ও মানবিক অধিকার উন্নয়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে
- 📌 মন্ত্রী বলেন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা একক সংস্থার দায়িত্ব নয় — সকল মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ প্রচেষ্টা প্রয়োজন
- 📌 আইওএম-এর প্রস্তাবিত কৌশলগত রূপরেখা ২০২৭–২০৩১-এ সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল তথ্য আদান-প্রদান ও অবকাঠামো উন্নয়নের চারটি ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়েছে
- 📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোকে প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান
📰 বিস্তারিত
আজ বুধবার রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে ইমিগ্রেশন ও বর্ডার গভর্নেন্স সংক্রান্ত কৌশলগত রূপরেখা (২০২৭-২০৩১)’ শীর্ষক ব্রিফিং অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, সীমান্ত পরিচালনায় জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বৈধ ভ্রমণ ও বাণিজ্যকে গতিশীল করতে হবে। তিনি বলেন, সরকার গৃহীত জাতীয় সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কৌশল ২০২৬–২০৩১ এবং পাঁচ বছর মেয়াদি সংস্কার ও উন্নয়ন রূপরেখা ২০২৬-২০৩১-এর আলোকপাত করে জানান, ডিজিটাল রূপান্তর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ব্যবহার, কাগজবিহীন প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং সরকারি সেবাগুলোর মধ্যে আন্তঃকার্যক্ষমতা বৃদ্ধি বর্তমান সরকারের মূল অগ্রাধিকার।
মন্ত্রী বলেন, ইমিগ্রেশন ব্যবস্থায় বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি জানান, নীতি ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে বিমানবন্দর, স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্টগুলোর কার্যক্রমগত সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি করতে হবে। একই সঙ্গে সীমান্ত ব্যবস্থাপনাকে মানবিক অধিকার ও সুরক্ষার প্রতি সংবেদনশীল এবং পেশাদার মানদণ্ডে উন্নীত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
বহুজাতিক অপরাধ, মানব পাচার ও অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে আন্তমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কোনো একক সংস্থার দায়িত্ব নয়। এর জন্য সকল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ প্রয়াস প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে তিনি আইওএম-এর প্রস্তাবিত কৌশলগত রূপরেখাকে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের সীমান্ত কাঠামো গঠনে তাদের সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
"আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ কেবল বাংলাদেশের সীমান্তকেই সুরক্ষিত করবে না, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপদ বিশ্বায়নে বড় অবদান রাখবে"
আইওএম বাংলাদেশ মিশনের প্রধান ড. লরা টম বন্ডে বলেন, অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। তিনি জানান, ভ্রমণের ধরন ও কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা পরিবর্তিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর ব্যবস্থা, দক্ষ জনবল এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে আরও ভালো সমন্বয়ের প্রয়োজন বাড়বে। কারিগরি দক্ষতা ও অংশীদারত্বের মাধ্যমে সরকারের অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে আইওএম সহযোগিতা করতে আগ্রহী।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা, হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইওএম-এর প্রধান ড. লরা টম বন্ডে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৭-২০৩১ (কৌশলগত রূপরেখা), ২০২৬-২০৩১ (সংস্কার রূপরেখা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!