📌 খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়েছেন নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, আমদানিকৃত খাদ্যশস্য পরীক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদী সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়নে। সাক্ষাৎকালে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে পরীক্ষা কার্যক্রমের জন্য বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতা অনুরোধ করা হয়।
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। রোববার (২৫ অক্টোবর) ঢাকার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহায়তা চেয়েছেন আমদানিকৃত খাদ্যশস্য পরীক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদী সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়নে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়েছেন চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে খাদ্যশস্য পরীক্ষা কার্যক্রমের জন্য বিশেষজ্ঞদের কারিগরি সহযোগিতা প্রদানের জন্য
- 📌 বাংলাদেশের আবহাওয়াগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদী খাদ্যশস্য সংরক্ষণে যুক্তরাষ্ট্রের আধুনিক প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনা অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আলোচনা হয়
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন খাদ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান এবং কারিগরি সহায়তার সম্ভাবনা বিবেচনা করার কথা জানান
- 📌 গম আমদানির চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে আমদানি সম্পন্ন হওয়ায় উভয় পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেন
- 📌 সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা, এর মধ্যে খাদ্যসচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মু. জসীম উদ্দিন খানসহ
📰 বিস্তারিত
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎকালে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, বাংলাদেশে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে আমদানিকৃত চাল ও গমের গুণগত মান পরীক্ষার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞদের কারিগরি সহায়তা চেয়েছেন চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে খাদ্যশস্য পরীক্ষা কার্যক্রমের জন্য।
মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের আবহাওয়াগত বাস্তবতা এবং দীর্ঘমেয়াদী সংরক্ষণ ব্যবস্থায় বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কারণে খাদ্যশস্য, বিশেষ করে চাল ও গম সংরক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োজন। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আলোচনা হয় সাক্ষাৎকালে।
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন খাদ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান এবং তার কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। তিনি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে কারিগরি সহায়তার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতার সম্ভাবনা বিবেচনা করা হবে বলে জানান।
সাক্ষাৎকালে গম আমদানির বিষয়েও আলোচনা হয়। চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গম আমদানি সম্পন্ন হওয়ায় উভয় পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেন। খাদ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতের কাছে সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত গমবাহী জাহাজ পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
"বাংলাদেশে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে আমদানিকৃত চাল ও গমের গুণগত মান পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে খাদ্যশস্য পরীক্ষার কাজে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞদের কারিগরি সহায়তা প্রদানের অনুরোধ জানাই"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (সচিবালয়), চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!