📅 ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আদালতের রায়: জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা দাবি বাতিল, সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্তদের নিচে থাকতে হবে

আদালতের রায়: জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা দাবি বাতিল, সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্তদের নিচে থাকতে হবে

📷 ছবি: Jamuna TV

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 যমুনা টিভি ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আপিল বিভাগের রায়ে জানানো হয়েছে, জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের পূর্বের ৫০ শতাংশ কার্যকর চাকরি কাল সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে ব্যবহার করা যাবে না। আদালত বলেছে, জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের অবস্থান নির্ধারণ হবে সর্বশেষ সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকের নিচে

সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের পূর্বের ৫০ শতাংশ কার্যকর চাকরি কাল ব্যবহার করা যাবে না — এ রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। রোববার (২৫ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্পষ্ট করা হয়েছে, জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সাথে তুলনা করা যাবে না।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আপিল বিভাগের রায়ে জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের ৫০ শতাংশ কার্যকর চাকরি কাল সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে ব্যবহার করা যাবে না
  • 📌 জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের অবস্থান নির্ধারণ হবে সর্বশেষ সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকের নিচে
  • 📌 হাইকোর্টের পূর্বের সিদ্ধান্তে প্রধান শিক্ষক পদ দাবি করা বাতিল, কারণ শিক্ষকরা পদোন্নতি শর্ত পূরণ করেননি
  • 📌 ২০১৩ সালের জাতীয়করণকৃত শিক্ষক বিধিমালার ২(গ) ও ৯(১) বিধি বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে
  • 📌 সরকারের আপিলে আপিল বিভাগের রায়ে হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ে জানানো হয়েছে, জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের পূর্বের অর্জিত ৫০ শতাংশ কার্যকর চাকরি কাল কেবল তাদের নিজেদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে ব্যবহার করা যাবে। সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে এই কার্যকর চাকরি কালের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। আদালত বলেছে, সার্ভিস জুডিশিয়াল নীতি অনুযায়ী সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা তাদের প্রাথমিক নিয়োগের তারিখ থেকে সংরক্ষিত থাকে।

২০১৩ সালের জাতীয়করণকৃত শিক্ষক বিধিমালা অনুযায়ী, জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের অবস্থান নির্ধারণ হবে জাতীয়করণের অব্যবহিত পূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বশেষ সরাসরি শিক্ষকের নিচে। এই সিদ্ধান্তে বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একাংশ হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছিল। তারা জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিচে না রাখা এবং তাদের পূর্বের মতো প্রধান শিক্ষক হিসেবে গণ্য চেয়ে রিট দায়ের করেছিল।

২০১১ সালে বিচারপতি ফারাহ্ মাহবুবের হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০১৩ বিধিমালার ২(গ) বিধিকে বৈধ ঘোষণা করে, তবে ৯(১) বিধির একটি অংশকে আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করে। রিট আবেদনকারীদের প্রধান শিক্ষক পদে গণ্য করে সে অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতা ও সুবিধা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরে সরকার এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে আপিল দায়ের করে।

আপিল বিভাগের রায়ে জানানো হয়েছে, রিট আবেদনকারীরা ২০১৩ সালের ১০ নভেম্বর সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন, কিন্তু তারা সেই নিয়োগ আদেশ বা পরবর্তী সরকারি সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করেননি। ২০০৮ সালের ১৪ জুলাইয়ের পরিপত্র অনুযায়ী, প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি বা এমপিওভুক্তির প্রয়োজনীয় শর্তাবলী পূরণের কোনো দাফতরিক প্রমাণ তারা উপস্থাপন করেননি।

"২০১৩ সালের জাতীয়করণকৃত শিক্ষক বিধিমালা অনুযায়ী, শিক্ষকদের পূর্বের অর্জিত ৫০ শতাংশ 'কার্যকর চাকরি কাল' গণনা কেবল জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের নিজেদের মধ্যকার পারস্পরিক জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে ব্যবহৃত হবে। সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ওপর এই 'কার্যকর চাকরি কাল' প্রয়োগ করে জ্যেষ্ঠতা দাবি করার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি ফারাহ্ মাহবুব, রিট আবেদনকারী শিক্ষকরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ শতাংশ কার্যকর চাকরি কাল, ২৫ অক্টোবর, ২ জুলাই, ২০১৩ সালের বিধিমালা, ১০ নভেম্বর, ১৪ জুলাই

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖