📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শরিফুলের পরিবেশবান্ধব কলম ও খাতা: স্বপ্নের উদ্যোগ থেকে জীবিকা

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শরিফুলের পরিবেশবান্ধব কলম ও খাতা: স্বপ্নের উদ্যোগ থেকে জীবিকা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাইবান্ধার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শরিফুল ইসলাম পরিবেশবান্ধব কাগজের কলম ও খাতা তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে দৈনিক ৫০টি কলম ও ১০০টি খাতা তৈরি করে বিক্রি করেন। বাণিজ্যমেলায় তার স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে

গাইবান্ধা সদর উপজেলার উত্তর ফলিয়া গ্রামের একটি টিনের ঘরে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শরিফুল ইসলাম (২৯) পরিবেশবান্ধব কলম ও খাতা তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। জন্মগত দৃষ্টিহীনতা সত্ত্বেও তিনি উচ্চশিক্ষা অর্জন করেছেন এবং নিজের উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবেশের ক্ষতির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী হতে চেষ্টা করছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শরিফুল ইসলাম (২৯) গাইবান্ধা সদর উপজেলার উত্তর ফলিয়া গ্রামের বাসিন্দা, জন্মগত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হলেও তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন।
  • 📌 তিনি কাগজের কলম ("গ্রিন ইকোনমি") ও খাতা তৈরি করে বিক্রি করেন, যেখানে একটি কলম তৈরিতে খরচ হয় ৬ টাকা, বিক্রি করেন ১০ টাকায়।
  • 📌 দৈনিক তিনি ৫০টি কলম১০০টি খাতা তৈরি করেন, প্রতিটি খাতার খরচ ১৫ টাকা, বিক্রি ২০ টাকায়। মাসে ৯ থেকে ১০ হাজার টাকা আয় হয়, কিন্তু বাবার দোকানের আয়ের উপর নির্ভরশীল সংসার।
  • 📌 ২০২৩ সালের মার্চে খাতা তৈরির কাজ শুরু করেন শরিফুল। এক বছর পর তিনি কলম তৈরির পদ্ধতি শিখেন এবং নিজের ব্র্যান্ড "গ্রিন ইকোনমি" চালু করেন।
  • 📌 ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া গাইবান্ধা বাণিজ্যমেলায় তার স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

শরিফুল ইসলামের পড়াশোনার পথ ছিল অনন্য। দশম শ্রেণি পর্যন্ত ব্রেইল পদ্ধতিতে পড়াশোনা করার পর তিনি অডিও শুনে ও শ্রুতলেখকের সহযোগিতায় এসএসসি থেকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত পড়াশোনা সম্পন্ন করেন। অর্থসংকটে পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলে তিনি খাতা ও কলম তৈরির কাজ শুরু করেন। ২০১৫ সালে এসএসসি এবং ২০১৭ সালে এইচএসসি পাস করার পর তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং ২০২১ সালে স্নাতক (সম্মান) ও ২০২৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

শরিফুলের পরিবারও তার পথে সহায়তা করছে। তার বাবা রফিকুল ইসলাম (৭৬) মুদিদোকানি এবং মা মনোয়ারা বেগম গৃহিণী। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি চতুর্থ। তার দুই বোন রাশেদাফরিদা বিয়ে করেছেন, আর দুই ভাই শহিদুলমোস্তফা ঢাকায় পোশাকশ্রমিকের কাজ করেন।

শরিফুলের স্ত্রী তানিয়া আকতার তার উদ্যোগকে সমর্থন করেন। তিনি বলেন, “স্বামী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হলেও তিনি নিজের মেধা ও ইচ্ছাশক্তি কাজে লাগিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছেন। আমি সব সময় তাঁকে উৎসাহ দিই।” শরিফুলের দোকান “শরিফুল পেপার হাউস” নামের, যেখানে তিনি দৈনিক ৫০টি কলম ও ১০০টি খাতা তৈরি করেন। দোকানের মাসিক ভাড়া ৫০০ টাকা।

শরিফুলের কলম ও খাতা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দোকানে বিক্রি হয়। তিনি দাবি করেন, “কাগজের কলম ব্যবহারের পর ফেলে দিলে শুধু শিষ ও নিব ছাড়া বাকি অংশ সহজেই পচে যায়। প্লাস্টিকের কলমের চেয়ে পরিবেশের ক্ষতি কম হয়। ভবিষ্যতে বড় পরিসরে এই কাজ করতে চাই, কিন্তু মূলধনের অভাবে চাহিদা অনুযায়ী কলম ও খাতা তৈরি করতে পারছি না।”

"কাগজের কলম ব্যবহারের পর ফেলে দিলে শুধু শিষ ও নিব ছাড়া বাকি অংশ সহজেই পচে যায়। প্লাস্টিকের অন্যান্য কলমের চেয়ে এতে পরিবেশের ক্ষতি কম হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: উত্তর ফলিয়া গ্রাম, গাইবান্ধা সদর উপজেলা, গাইবান্ধা; পুলবন্দি বাজার, গাইবান্ধা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শরিফুল ইসলাম (২৯), তানিয়া আকতার, রফিকুল ইসলাম (৭৬), মনোয়ারা বেগম, জাহিদুল ইসলাম (স্কুলশিক্ষক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ বছর (শরিফুল), ৭৬ বছর (রফিকুল ইসলাম), ১০০টি কলম, ৬ টাকা (কলম তৈরির খরচ), ১০ টাকা (কলম বিক্রয়), ৫০টি কলম (দৈনিক), ১৫ টাকা (খাতা তৈরির খরচ), ২০ টাকা (খাতা বিক্রয়), ১০০টি খাতা (দৈনিক), ৫০০ টাকা (দোকান ভাড়া), ৯-১০ হাজার টাকা (মাসিক আয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖