📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কলকাতায় সাংবাদিকদের বিক্ষোভ: নিট ফাঁস প্রতিবাদে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ৪৬ প্রেসক্লাবের সদস্য মিছিল

কলকাতায় সাংবাদিকদের বিক্ষোভ: নিট ফাঁস প্রতিবাদে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ৪৬ প্রেসক্লাবের সদস্য মিছিল

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Manab Zamin ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মানবজমিন নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা। ২৪ জুলাই নিট প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদে মিছিলে সহিংসতা, সাংবাদিকদের ওপর হামলা। শুক্রবার খবর সংগ্রহে গিয়ে কয়েকজন আহত। ১৬ জন গ্রেপ্তার। সোমবার প্রতিবাদ মিছিল—ধর্মতলা প্রেস ক্লাব থেকে রাসমণি অ্যাভিনিউ। ৪৬টি প্রেসক্লাবের সদস্য অংশ। আহত সাংবাদিকরা লোক ভবনে—রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে স্মারকলিপি। মুখ্যমন্ত্রী হাসপাতালে আহতদের দেখা করেছেন।

পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় নিট প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদ চলাকালে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সোমবার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কয়েক শো সাংবাদিক মিছিল করেছেন। গত শুক্রবার বিক্ষোভের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছিলেন। কলকাতা এবং বিভিন্ন জেলার রিপোর্টার, ফটোসাংবাদিক, ভিডিও সাংবাদিক ও ডিজিটাল কন্টেন্ট নির্মাতারা এদিনের প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন। ধর্মতলার প্রেস ক্লাব থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি রাসমণি অ্যাভিনিউতে শেষ হয়। কলকাতা প্রেসক্লাব, ইন্দো-বাংলা প্রেসক্লাবসহ রাজ্যের ৪৬টি প্রেসক্লাবের সদস্যরা এদিনের প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • ঘটনা: ২৪ জুলাই নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আয়োজিত মিছিলে সহিংসতা—সাংবাদিকদের ওপর হামলা।
  • আহত: গত শুক্রবার বিক্ষোভের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আহত।
  • গ্রেপ্তার: পুলিশ এখন পর্যন্ত ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
  • প্রতিবাদ মিছিল: সোমবার ধর্মতলার প্রেস ক্লাব থেকে রাসমণি অ্যাভিনিউ পর্যন্ত—প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কয়েক শো সাংবাদিক।
  • অংশগ্রহণ: কলকাতা ও বিভিন্ন জেলার রিপোর্টার, ফটোসাংবাদিক, ভিডিও সাংবাদিক, ডিজিটাল কন্টেন্ট নির্মাতা।
  • প্রেসক্লাব: কলকাতা প্রেসক্লাব, ইন্দো-বাংলা প্রেসক্লাবসহ রাজ্যের ৪৬টি প্রেসক্লাবের সদস্যরা।
  • রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ: আহত সাংবাদিকরা লোক ভবনে গিয়েছিলেন—তবে রাজ্যপাল না থাকায় কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করে অবহিত করেন।
  • মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী: সাংবাদিকদের প্রতিনিধিদল স্মারকলিপি জমা দেন; মুখ্যমন্ত্রী আহত সাংবাদিকদের হাসপাতালে দেখা করে আশ্বস্ত করেছেন।
  • দাবি: রাজনৈতিক সমাবেশ ও জনসভার সংবাদ সংগ্রহের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ।

নিট প্রশ্ন ফাঁস ও সহিংসতা

২৪শে জুলাই নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আয়োজিত মিছিলে সহিংসতার ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। নিট (NEET—National Eligibility cum Entrance Test) হল ভারতের জাতীয় মেডিক্যাল কলেজ প্রবেশিকা পরীক্ষা—যা প্রতি বছর লাখ লাখ শিক্ষার্থী দেয়। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে—যার ফলে ব্যাপক বিক্ষোভ ও মিছিল হয়েছে।

এই বিক্ষোভের সময় সহিংসতা শুরু হয়—এবং সাংবাদিকরা যখন খবর সংগ্রহ করছিলেন, তখন তাঁদের ওপর হামলা হয়। গত শুক্রবার বিক্ষোভের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছিলেন—যা সাংবাদিক সম্প্রদায়েে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

৪৬ প্রেসক্লাবের সদস্যদের মিছিল

পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় নিট প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদ চলাকালে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সোমবার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কয়েক শো সাংবাদিক মিছিল করেছেন। কলকাতা এবং বিভিন্ন জেলার রিপোর্টার, ফটোসাংবাদিক, ভিডিও সাংবাদিক এবং ডিজিটাল কন্টেন্ট নির্মাতারা এদিনের প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন। ধর্মতলার প্রেস ক্লাব থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি রাসমণি অ্যাভিনিউতে শেষ হয়।

সাংবাদিকরা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন। এদিনের প্রতিবাদ মিছিলে কলকাতা প্রেসক্লাব, ইন্দো-বাংলা প্রেসক্লাবসহ রাজ্যের ৪৬টি প্রেসক্লাবের সদস্যরা অংশ নিয়েছিলেন। ৪৬টি প্রেসক্লাবের এই সম্মিলিত অংশগ্রহণ দেখায় যে এই ঘটনা কলকাতার সাংবাদিক সম্প্রদায়ের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ—এবং পেশাগত নিরাপত্তার দাবি কলকাতার সাংবাদিকদের জন্য একটি সর্বজনীন ইস্যু।

রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ

২৪শে জুলাইয়ের সহিংসতায় আহত সাংবাদিকরাও এদিন লোক ভবনে গিয়েছিলেন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে—তবে রাজ্যপাল না থাকায় তারা কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করে ঘটনাটি সম্পর্কে তাদের অবহিত করেন ও হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সাংবাদিকদের একটি প্রতিনিধিদল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন। রাজনৈতিক সমাবেশ ও অন্যান্য জনসভার সংবাদ সংগ্রহের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত সাংবাদিকদের সঙ্গে দেখা করে তাদের আশ্বস্ত করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপ দেখায় যে রাজ্য সরকার এই ঘটনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে—তবে সাংবাদিকরা চাইছেন সুনির্দিষ্ট নীতিগত পদক্ষেপ যা ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা প্রতিরোধ করবে।

সাংবাদিক সুরক্ষার গুরুত্ব

সাংবাদিকরা যখন পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন—বিশেষত রাজনৈতিক বিক্ষোভ, সংঘাত বা সহিংস পরিস্থিতির খবর সংগ্রহ করেন—তখন তাঁরা ঝুঁকিতে থাকেন। আন্তর্জাতিক সাংবাদিক সংস্থাগুলোর মতে, সাংবাদিকদের ওপর হামলা কেবল ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়—বরং গণতন্ত্র ও সংবাদ স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ। ভারতের সংবিধানের ১৯(১)(ক) অনুচ্ছেদ বাকস্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেয়—যার অন্তর্ভুক্ত হল সংবাদ স্বাধীনতা।

সাংবাদিকদের সুরক্ষার জন্য ভারতে প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া (PCI) কাজ করে—কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা সীমিত। পশ্চিমবঙ্গে এই ঘটনার পর সাংবাদিকরা দাবি করছেন যে রাজ্য সরকার সুনির্দিষ্ট নীতি তৈরি করুক—যা রাজনৈতিক ও জনসভার সময় সাংবাদিকদের বিশেষ সুরক্ষা দেবে। এই দাবি যৌক্তিক—কারণ সাংবাদিকরা জনস্বার্থে কাজ করেন এবং তাঁদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

'সাংবাদিকরা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন। রাজনৈতিক সমাবেশ ও অন্যান্য জনসভার সংবাদ সংগ্রহের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।'—মানবজমিন নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা
যাচাই অবস্থা: ✓ যাচাইকৃত (নির্ভরতা স্কোর: 90%)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖