📌 ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ২০২৭ সালের নির্বাচনে আবার প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন। উয়েফার বিরোধ ও বাণিজ্যিক স্বত্বের বিতর্কের কারণে তার পুনর্নির্বাচন আশঙ্কাজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাকিস্তান ক্রিকেটের ত্রাসের মুখে পড়েছেন নতুন কোচ মাইক হেসন
ফিফার সভাপতি পদে আবারও লড়াইয়ে নামতে চান সুইস কর্মকর্তা জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ২০২৭ সালের নির্বাচনে তিনি চতুর্থ মেয়াদে ফিফার শীর্ষ পদে দাবি জানানোর সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেছেন। ৫৬ বছর বয়সী এই ফুটবল প্রশাসক ২০১৬ সাল থেকে ফিফার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং বর্তমান মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালে। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী একজন সভাপতি সর্বোচ্চ চার মেয়াদে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ২০২৭ সালের ফিফা নির্বাচনে আবার প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন, যা তাকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত ফিফার সভাপতি পদে রাখবে
- 📌 ফিফার বাণিজ্যিক স্বত্বের বিতর্ক ও উয়েফার সমালোচনার কারণে তার পুনর্নির্বাচন আশঙ্কাজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে
- 📌 ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও আয়ারল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ইনফান্তিনোর সমর্থন প্রত্যাহার করেছে
- 📌 উয়েফা সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে কনক্যাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্তাগ্লিয়ানির নাম আলোচনায় আছে
- 📌 ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত প্রার্থিতা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ
- 📌 ফিফার ২১১ সদস্যের মধ্যে ১০৬টির সমর্থন প্রয়োজন ইনফান্তিনোর পুনর্নির্বাচনের জন্য
- 📌 পাকিস্তান ক্রিকেটের ত্রাসের মুখে পড়েছেন নতুন কোচ মাইক হেসন — সাত ক্রিকেটারকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
ফিফার সভাপতি পদে আবারও লড়াইয়ে নামার সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেছেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তিনি ২০২৭ সালের নির্বাচনে চতুর্থ মেয়াদে ফিফার শীর্ষ পদে দাবি জানানোর সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেছেন। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী একজন সভাপতি সর্বোচ্চ চার মেয়াদে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। ইনফান্তিনো ২০১৬ সাল থেকে ফিফার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং বর্তমান মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালে। তবে তার পুনর্নির্বাচনের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ফিফার বাণিজ্যিক স্বত্বের বিতর্ক এবং উয়েফার সাথে তার সাম্প্রতিক বিরোধ।
ফিফার বাণিজ্যিক স্বত্বে বেসরকারি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের অংশীদারত্ব আনার পরিকল্পনা নিয়ে গত কয়েক মাসে তীব্র সমালোচনা হয়েছিল। এই পরিকল্পনা পরে বাতিল করা হলেও উয়েফা ফিফার বিরুদ্ধে অবস্থান জানিয়েছে। এমনকি ফিফার বিভিন্ন প্রতিযোগিতা বয়কটের হুমকিও দিয়েছে উয়েফা। ফিফার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ইনফান্তিনো এপ্রিলে ২০২৭ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন এবং তিনি সেই সিদ্ধান্তেই বহাল আছেন।
শনিবার পোল্যান্ডে চলমান নারী অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন ইনফান্তিনো। তবে তিনি তার ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। উয়েফার বিরোধের কারণে ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও আয়ারল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ইনফান্তিনোর সমর্থন প্রত্যাহার করেছে। এখন উয়েফা সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে কনক্যাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্তাগ্লিয়ানির নাম আলোচনায় আছে। নির্বাচনে প্রার্থী হতে ফিফার ২১১ সদস্যের মধ্যে অন্তত ১০৬টির সমর্থন প্রয়োজন। এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর নাম ঘোষণা করা হয়নি।
"ফিফার বাণিজ্যিক স্বত্বের বিতর্ক ও উয়েফার বিরোধের কারণে ইনফান্তিনোর পুনর্নির্বাচন আশঙ্কাজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পোল্যান্ড (নারী অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ), ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস, আয়ারল্যান্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জিয়ান্নি ইনফান্তিনো, ভিক্টর মন্তাগ্লিয়ানি, মাইক হেসন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৬ বছর (ইনফান্তিনোর বয়স), ২০২৭ (নির্বাচন বছর), ২১১ (ফিফার সদস্য), ১০৬ (প্রয়োজনীয় সমর্থন), ১৮ (নভেম্বর, প্রার্থিতা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!