📌 অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা তার স্বামী বিজয় দেবরাকোন্ডার ঋতুস্রাবকালীন যত্নের কথা তুলে ধরেছেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে কীভাবে স্বামী তাঁর যন্ত্রণা কমাতে সাহায্য করেন এবং চলচ্চিত্র শিল্পে ঋতুস্রাবকালীন ছুটির অভাব নিয়ে আলোচনা করেছেন
অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা তার স্বামী বিজয় দেবরাকোন্ডার প্রতি ঋতুস্রাবকালীন যত্নের কথা ব্যক্তিগতভাবে তুলে ধরেছেন। ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পে নারীদের অবস্থান সুনির্দিষ্ট হলেও ঋতুস্রাবকালীন শারীরিক ও মানসিক অস্বস্তির সমাধান নিয়ে তিনি আলোচনা করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা স্বামী বিজয় দেবরাকোন্ডার ঋতুস্রাবকালীন যত্নের কথা ব্যক্তিগতভাবে তুলে ধরেছেন, যেখানে তিনি তাঁর পাশে থাকার জন্য বিজয়ের অনুভূতি প্রশংসা করেছেন।
- 📌 বিজয় দেবরাকোন্ডা ঋতুস্রাবকালীন যন্ত্রণা কমাতে রাশমিকার পেটে ও হাতে-পায়ে মালিশ করে দেন এবং গরম পানি প্যাড ব্যবহার করার পরামর্শ দেন।
- 📌 রাশমিকা জানান, তাঁর প্রথম ঋতুস্রাবের অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত ভয়ঙ্কর, কারণ সচেতনতার অভাবে তিনি সানিটারি প্যাডের ব্যবহার জানতেন না।
- 📌 চলচ্চিত্র শিল্পে নারীদের ঋতুস্রাবকালীন ছুটির সুবিধা এখনো অনুপস্থিত, যা কাজের পরিবেশকে অস্বাভাবিকভাবে প্রভাবিত করছে।
📰 বিস্তারিত
অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা ‘মিড-ডে’ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাঁর স্বামী বিজয় দেবরাকোন্ডার প্রতি ঋতুস্রাবকালীন যত্নের কথা ব্যক্তিগতভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, ঋতুস্রাবের সময় তাঁর শারীরিক ও মানসিক অস্বস্তি কমাতে বিজয় তাঁর পাশে থাকেন। রাশমিকা জানান, ‘আমার মন খারাপ থাকলে বা শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে আমি তাকে আগেই জানিয়ে রাখি যে, আর কয়েক দিনের মধ্যেই আমার পিরিয়ড শুরু হবে। একজন পুরুষ হিসেবে এর চেয়ে বেশি তো তার করার কিছু নেই, তারা তো গর্ভাশয় শরীর থেকে বের করে নিতে পারবে না। তবে সে যে পাশে আছে, এই অনুভূতিটাই অনেক বড় মানসিক শান্তি দেয়।’
ঋতুস্রাবকালীন যন্ত্রণা সামলাতে বিজয় রাশমিকার পেটে ও হাতে-পায়ে মালিশ করে দেন। এছাড়া তিনি গরম পানি প্যাড (হট প্যাড) ব্যবহার এবং জিরা পানি পান করার মতো পারিবারিক উপায়ের কথা উল্লেখ করেছেন। রাশমিকা জানান, তাঁর প্রথম ঋতুস্রাবের অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। তিনি বলেন, ‘আমার স্পষ্ট মনে আছে, আমি তোয়ালে ভাঁজ করে প্যাড হিসেবে ব্যবহার করতাম। কারণ সানিটারি প্যাড বলে যে কিছু আছে, তা আমার জানাই ছিল না। কোনো এক অজানা কারণে আমার মনে হয়েছিল এটি হয়তো জীবনে একবারই ঘটে।’
রাশমিকা আরও জানান, প্রতিবার ঋতুস্রাবকালীন তীব্র যন্ত্রণায় ভোগেন। তিনি বলেন, প্রতিবারই এই সময়টি আসার আগে তিনি একধরনের দুশ্চিন্তায় থাকেন। চলচ্চিত্র শিল্পে নারীদের ঋতুস্রাবকালীন ছুটির সুবিধা এখনো অনুপস্থিত, যা কাজের পরিবেশকে অস্বাভাবিকভাবে প্রভাবিত করছে। তিনি বলেন, ‘চলচ্চিত্র শিল্পে নারীরা এখন বিশিষ্ট স্থানে কাজ করছেন, কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, ঋতুস্রাবকালীন ছুটির সুবিধা ছাড়াই নারীদের দিনের পর দিন কাজ করে যেতে হচ্ছে। আর এটিকেই কাজের স্বাভাবিক নিয়ম হিসেবে ধরে নেওয়া হয়েছে।’
"আমার মন খারাপ থাকলে বা শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে আমি তাকে আগেই জানিয়ে রাখি যে, আর কয়েক দিনের মধ্যেই আমার পিরিয়ড শুরু হবে। একজন পুরুষ হিসেবে এর চেয়ে বেশি তো তার করার কিছু নেই, তারা তো গর্ভাশয় শরীর থেকে বের করে নিতে পারবে না। তবে সে যে পাশে আছে, এই অনুভূতিটাই অনেক বড় মানসিক শান্তি দেয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্প (রূপালি মঞ্চ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা ও তার স্বামী বিজয় দেবরাকোন্ডা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২.০ (পিরিয়ড লিভ বা ঋতুস্রাবকালীন ছুটির প্রয়োজনীয়তা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!