📌 নেপালের ভোতেনদী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত দুটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র পুনরায় কার্যকর হলে বাংলাদেশে আবার ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে নেপাল। নতুন ব্যবস্থায় সোলু খোলা ও কাবেলি বি-ওয়ান কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ পাঠানো হবে
নেপালের দুটি ক্ষতিগ্রস্ত জলবিদ্যুৎকেন্দ্র পুনরায় কার্যকর হলে বাংলাদেশে আবার বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় নেপাল ভারতীয় গ্রিডের মাধ্যমে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাঠানোর কাজ পুনরায় শুরু করেছে। আগস্টের ভয়াবহ বন্যায় নেপালের ত্রিশূলী ও চিলিম জলবিদ্যুৎকেন্দ্র দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, যা বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজ থামিয়ে দিয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পুনরায় বাংলাদেশে পাঠানো শুরু করেছে নেপাল, ভারতীয় গ্রিডের মাধ্যমে।
- 📌 সোলু খোলা ও কাবেলি বি-ওয়ান জলবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে এখন থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে।
- 📌 ৫.৯২৫ বিলিয়ন রুপি আয় করেছে নেপাল সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে ভারতে বিদ্যুৎ বিক্রি করে।
- 📌 ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে নেপাল সর্বমোট ১৬.১৫১৩ বিলিয়ন রুপি বিদ্যুৎ রপ্তানি করেছে।
- 📌 বর্ষার মৌসুমে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে নেপাল বিদেশে রপ্তানি বাড়াতে চায়।
📰 বিস্তারিত
নেপালের ন্যাশনাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (এনইএ) পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ জানিয়েছেন, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেয়ে নতুন জলবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়েছে। আগের চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি বছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত নেপাল বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে। তবে আগস্টের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ত্রিশূলী ও চিলিম কেন্দ্রের পরিবর্তে এবার সোলু খোলা ও কাবেলি বি-ওয়ান কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ পাঠানো হবে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও নেপালের বিদ্যুৎ ব্যবসা বাড়ছে। গত সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাসে নেপাল ভারতে ৬৩৩.৯৮৬ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ বিক্রি করে ৫.৯২৫ বিলিয়ন রুপি আয় করেছে। এই সময়ের তুলনায় গত বছরের আয় ছিল ৪.৯৬৩ বিলিয়ন রুপি, যা এবার ৯৬২ মিলিয়ন রুপি বেশি। এনইএ-এর হিসাব অনুযায়ী, বর্ষার মৌসুমে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে নেপাল বিদেশে রপ্তানি বাড়াতে চায়।
নেপালের বিদ্যুৎ ব্যবসায়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হচ্ছে ভারতের হরিয়ানা ও বিহার রাজ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ। এছাড়া, ইন্ডিয়ান এনার্জি এক্সচেঞ্জের (আইইএক্স) ‘ডে-অ্যাহেড’ ও ‘রিয়েল-টাইম’ বাজারে প্রতিযোগিতামূলক দরদামে বিদ্যুৎ বিক্রি করা হয়। পরিচালক শ্রেষ্ঠ বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্রের পরিবর্তে নতুন কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের ফলে আয় বেড়েছে।
"বন্যায় জলবিদ্যুৎকেন্দ্র আর সঞ্চালন লাইনের ক্ষতি হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ ফিরিয়ে আনা এবং অন্যান্য প্রকল্পের মাধ্যমে ব্যবসা চালু রাখা নেপালের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেপাল (ত্রিশূলী, চিলিম, সোলু খোলা, কাবেলি বি-ওয়ান কেন্দ্র), বাংলাদেশ, ভারত (হরিয়ানা, বিহার)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ (এনইএ পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ মেগাওয়াট, ৫.৯২৫ বিলিয়ন রুপি, ১৬.১৫১৩ বিলিয়ন রুপি, ৬৩৩.৯৮৬ মিলিয়ন ইউনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!