📌 ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে চলমান ‘দ্য কোয়ায়েট উইদিন’ প্রদর্শনীতে দর্শকেরা খুঁজে পেয়েছেন শহুরে কোলাহল থেকে মুক্তির এক নিস্তব্ধ মুহূর্ত। সিনেমাটোগ্রাফার রাশেদ জামানের আলোকচিত্রে ধরা পড়েছে প্রকৃতির নৈঃশব্দ্য আর আলোর তরল প্রবাহ
ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ের দোতলায় অবস্থিত কামরুল হাসান গ্যালারিতে চলমান ‘দ্য কোয়ায়েট উইদিন’ প্রদর্শনীটি যেন শহরের ব্যস্ত জীবনের মাঝে এক টুকরো নিস্তব্ধতার প্রতীক। এখানে দর্শকেরা নিজেদের হারিয়ে যাওয়া একাকিত্ব আর প্রশান্তি খুঁজে পাচ্ছেন রাশেদ জামানের তোলা আলোকচিত্রগুলোর সামনে দাঁড়িয়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ের কামরুল হাসান গ্যালারিতে চলছে ‘দ্য কোয়ায়েট উইদিন’ প্রদর্শনী
- 📌 রাশেদ জামানের আলোকচিত্রগুলো শহুরে কোলাহল থেকে পালিয়ে আসা দর্শকদের মনকে প্রশান্তি দেয়
- 📌 প্রদর্শনীতে অধিকাংশ ছবিই একরঙা বা কাছাকাছি টোনের কয়েকটি রঙের সমন্বয়ে তৈরি
- 📌 রাশেদ জামান আলোর মাধ্যমে নিজেকে প্রকাশ করেছেন, যা তাঁর শৈশবের স্মৃতির সঙ্গে যুক্ত
📰 বিস্তারিত
ধানমন্ডির কামরুল হাসান গ্যালারিতে আয়োজিত ‘দ্য কোয়ায়েট উইদিন’ প্রদর্শনীটি যেন শহরের ব্যস্ত জীবনের মাঝে এক টুকরো নিস্তব্ধতার প্রতীক। এখানে দর্শকেরা নিজেদের হারিয়ে যাওয়া একাকিত্ব আর প্রশান্তি খুঁজে পাচ্ছেন রাশেদ জামানের তোলা আলোকচিত্রগুলোর সামনে দাঁড়িয়ে। সাধারণত এ ধরনের প্রদর্শনীতে মানুষেরা ছবির সঙ্গে ছবি তুলতে আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করতে আসেন। কিন্তু এখানে দর্শকেরা ছবির সামনে কয়েক পল থেমে নিজেদের যান্ত্রিক জীবন থেকে খানিক দম নিয়ে নিজেকে খুঁজে নিচ্ছেন।
রাশেদ জামানের আলোকচিত্রগুলো যেন গতি আর স্থিরতার মাঝামাঝি অবস্থান করে। অধিকাংশ ছবিই একরঙা বা কাছাকাছি টোনের কয়েকটি রঙের সমন্বয়ে তৈরি। ফলে ছবিগুলো দর্শকের চোখে স্বস্তি আর প্রশান্তির অনুভূতি জাগায়। সূর্যকে দেখা যায় তার সবচেয়ে কোমল মুহূর্তে, যেখানে আলো তরল হয়ে মোমের মতো গলে পড়ছে। কোনো কোনো ছবিতে প্রকৃতির অবয়বের সঙ্গে মিশে আছে গভীর স্বপ্নময় নীল।
প্রদর্শনীতে দেখা গেল, একজন মানুষের ছবি যেখানে তিনি নিঃশব্দে চিৎকার করে বলছেন, ‘মানুষ মূলত একা, মহাশূন্যের মতো একা।’ রাশেদ জামান জানান, শহুরে জীবনের ব্যস্ততার মাঝে তিনি নিজের সঙ্গে কথা বলার সময় খুঁজে পেয়েছেন এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে। তাঁর শৈশবের স্মৃতির সঙ্গে আলোর সম্পর্ক রয়েছে বলে তিনি জানান। ছোটবেলায় তাঁর নানা ভোরে উঠে গোসল করে আতর মেখে পূর্বদিকের জানালার ধারে বসে লিখতেন। সেই আলো আর আতরের ঘ্রাণ তাঁকে প্রভাবিত করেছে।
"আমি দেখলাম, নানা কাজের ব্যস্ততায়, ভিড়ে শহুরে কোলাহলে আমার জীবন থেকে নির্জনতা, একাগ্রতা, মৌনতা শব্দগুলো হারিয়ে গেছে। বছরের পর বছর আমি হাজারো মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি, কিন্তু নিজের সঙ্গে বসে নিজের যে কথোপকথন, সেটা হয়নি। এই যাত্রাটা আমার কাছে ছিল আত্মানুসন্ধানের মতো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ধানমন্ডি, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাশেদ জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ (আগস্ট), ৪ (টা), ৮ (টা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!