📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মা হওয়ার নতুন অভিজ্ঞতা: সালহা খানম নাদিয়া কীভাবে প্যারেন্টিং শিখছেন রিলস ও ভিডিও থেকে

মা হওয়ার নতুন অভিজ্ঞতা: সালহা খানম নাদিয়া কীভাবে প্যারেন্টিং শিখছেন রিলস ও ভিডিও থেকে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 অভিনেত্রী সালহা খানম নাদিয়া তার মেয়ের সাথে প্যারেন্টিং শিখছেন রিলস ও ভিডিও থেকে। মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা তিনি মিশ্র অনুভূতির বলে উল্লেখ করেছেন। বাসার পরিবেশ সম্পূর্ণ বদলে গেছে মেয়ের জিনিসপত্রের কারণে

অভিনেত্রী সালহা খানম নাদিয়া তার মেয়ের সাথে একা একা প্যারেন্টিং শিখছেন। মাতৃত্বের নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘মিশ্র অনুভূতি’। মেয়ের দেখাশোনা, খাওয়ানো, জামা পরানো সবই নিজে নিজে শিখেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অভিনেত্রী সালহা খানম নাদিয়া তার মেয়ের জুতার পুরোনো ছবি ফেসবুকে পোস্ট করলে অনেকেই মনে করছেন তিনি আবার মা হচ্ছেন
  • 📌 মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা তিনি ‘মিশ্র’ বলে উল্লেখ করেছেন — ভালো লাগছে, কিন্তু চ্যালেঞ্জিংও
  • 📌 ২৪ ঘণ্টা মেয়ের দেখাশোনা নিজে ও স্বামী করছেন — কোনো সহায়তাকারী নেই
  • 📌 মেয়ের নাম ‘মেহরোজ নূর সানাহ’; আট মাস আগে প্রথম মা হয়েছেন
  • 📌 বাসার পরিবেশ সম্পূর্ণ বদলে গেছে মেয়ের খেলনা ও জিনিসপত্রের কারণে
  • 📌 শুটিং থেকে দূরে থাকলেও মেয়ের সাথে ব্যস্ততার কারণে আর কিছু মিস করার সুযোগ নেই

📰 বিস্তারিত

অভিনেত্রী সালহা খানম নাদিয়া তার মেয়ের জুতার ছবি ফেসবুকে পোস্ট করার পর অনেকেই মনে করছেন তিনি আবার মা হচ্ছেন। নাদিয়া বলেছেন, ‘ওটা পুরোনো ছবি। ছবিটি পোস্ট করার পর অনেকেই মনে করছেন, আমি আবার মা হচ্ছি।’ আট মাস আগে প্রথম মা হয়েছেন তিনি। মেয়ের নাম ‘মেহরোজ নূর সানাহ’।

মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘মা হওয়ার পর আমার অনুভূতি মিশ্র। অবশ্যই খুব ভালো লাগছে। মিশ্র বলছি বলে খারাপ কিছু বোঝাচ্ছি না। ভালো লাগা ও চ্যালেঞ্জ, দুটিই আছে এই সময়ে।’ মেয়ের দেখাশোনা নিজে ও স্বামী করছেন। কোনো সহায়তাকারী নেই। তিনি বলেন, ‘আমি আর আমার স্বামী ২৪ ঘণ্টাই মেয়েকে ঘিরে থাকি। সবকিছু নিজেদেরই শিখে নিতে হয়েছে।’

মেয়ের দেখাশোনা থেকে শুরু করে খাওয়ানো, জামা পরানো সবই নিজে শিখেছেন। রিলস ও ভিডিও দেখে প্যারেন্টিং শিখেছেন। তিনি বলেন, ‘হাতে ধরে বুঝিয়ে দেওয়ার মতো কেউ নেই। মা বা পরিবারের অন্যরা আসেন, কিন্তু নিয়মিত থাকতে পারেন না।’

মেয়ের জন্মের পর বাসার পরিবেশ সম্পূর্ণ বদলে গেছে। মেয়ের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রে বাসার চেহারা বদলে গেছে। নাদিয়া বলেন, ‘আমাদের বাসার আনাচকানাচ খেলনা আর বাচ্চার নানা জিনিসে ভর্তি। কোনো আত্মীয়স্বজন যদি বলেন, আমাদের বাসায় বেড়াতে আসবেন, তখন আমরা বলি, “তোমাদের আসতে হবে না, আমরাই যাচ্ছি।” বাসার যা অবস্থা, বসার মতো জায়গাই যেন নেই।’

শুটিং থেকে দূরে থাকলেও মেয়ের সাথে ব্যস্ততার কারণে আর কিছু মিস করার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ‘নাটকের শুটিং থেকে দীর্ঘদিন দূরে আছি। এখন প্রচারণামূলক কাজ, ওভিসি ও বিজ্ঞাপনচিত্রে কিছুটা কাজ করছি। তাই নাটকের শুটিং তেমন মিস করি না। আট মাসের মেয়ে আমাকে আর কিছু মিস করার সুযোগই দেয় না।’

"তোমাদের আসতে হবে না, আমরাই যাচ্ছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: অভিনেত্রী সালহা খানম নাদিয়া (বাসা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালহা খানম নাদিয়া
  • 📍 স্থান: মেয়ের নাম: মেহরোজ নূর সানাহ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ ঘণ্টা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖