📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাতকড়ায় পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগ নেতা রেনু মিয়া ১০ ঘণ্টার পর আবার ধরা পড়ে কিশোরগঞ্জে

হাতকড়ায় পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগ নেতা রেনু মিয়া ১০ ঘণ্টার পর আবার ধরা পড়ে কিশোরগঞ্জে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে আওয়ামী লীগের নেতা রেনু মিয়া হাতকড়ায় পালিয়ে যান, পরে গ্রামবাসীদের সহযোগিতায় ১০ ঘণ্টার পর পুলিশ তাকে আবার ধরে ফেলে। রেনুর বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে, নতুন মামলার প্রক্রিয়া চলছে

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে আওয়ামী লীগের সক্রিয় নেতা রেনু মিয়া হাতকড়ায় পালিয়ে যাওয়ার পর ১০ ঘণ্টার পর পুলিশ তাকে আবার ধরে ফেলেছে। সোমবার রাত ১০টায় মাধবদী গ্রামের তাঁর বাড়ির পাশ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার সময় তাঁর হাতকড়া ছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রেনু মিয়া (৬সূতি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি) হাতকড়ায় পালিয়ে যান, পরে গ্রামবাসীদের সহযোগিতায় পুলিশ তাকে আবার ধরে ফেলে
  • 📌 গ্রেপ্তারের সময় তাঁর হাতে ছিল হাতকড়া, পরে ভিড়ের সুযোগে পালিয়ে যান এবং গ্রামের মধ্যেই আশ্রয় নেন
  • 📌 পুলিশ ২০ থেকে ২৫ জন নারীসহ লোকজনকে ঘিরে ফেলে রেনুকে বের করার চেষ্টা করলে তিনি পালিয়ে যান
  • 📌 পরিবারের সাত সদস্যকে থানায় নিয়ে আসার পর রেনু পুলিশের কাছে ধরা দেন, কারণ তাঁর কাছে মুঠোফোন না থাকায় খবর পৌঁছায় না
  • 📌 রেনুর বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে: একটি উপজেলা বিএনপির কার্যালয় পোড়ানোর ঘটনায়, অন্যটি রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

রেনু মিয়া গতকাল দুপুর ১২টায় তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে প্রথমে গ্রেপ্তার হন। কিন্তু পুলিশ তাঁকে ঘরের ভেতরেই হাতকড়া পরায়। পরে বাড়ির উঠানে আনা হলে লোকজন জড়ো হতে থাকেন। একপর্যায়ে ২০ থেকে ২৫ জন নারীসহ লোকজন রেনুকে ঘিরে ফেলেন। পুলিশ তাঁকে বের করার চেষ্টা করলে ভিড়ের সুযোগে রেনু হাতকড়া নিয়ে পালিয়ে যান। পুলিশ তাঁর পিছু নিলেও তিনি গ্রামের মধ্যেই আশ্রয় নেন।

পুলিশ রেনুর পিছু নিতে সাঁড়াশি অভিযান চালায়। গ্রামের বিভিন্ন প্রবেশপথে পুলিশ অবস্থান নেয় এবং একাধিক দলে ভাগ হয়ে অভিযান চালায়। রেনুর বড় মেয়ে, এক বোনসহ পরিবারের সাত সদস্যকে থানায় নিয়ে আসার পর তাঁর কাছে খবর পৌঁছায়। পরিবারের সদস্যরা বলেন, তাঁদের মধ্যে তিনজন নারীসহ শিশুসন্তান এবং একজন অন্তঃসত্ত্বা ছিল। রেনু জানতে পারেন যে পরিবারের সদস্যদের আসামি করা হতে পারে, তাই তিনি পুলিশের কাছে ধরা দেন।

কুলিয়ারচর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শারফিন মিয়া বলেন, ‘রেনুকে গ্রেপ্তারে আমরা মরিয়া ছিলাম। একাধিক কৌশল নেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত ১০ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে আবার হাতে পাই।’ পুলিশ হেফাজতে রেনু মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, তিনি পালানোর সময় গ্রামবাসী তাঁর পক্ষে কথা বলায় সুযোগ পান। কিন্তু হাতকড়া নিয়ে গ্রাম ছাড়তে পারেননি। তিনি একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। পরে পরিবারের সাত সদস্যের কথা ভেবে পুলিশের কাছে ধরা দেন।

"হঠাৎ পুলিশ দেখে তিনি ভয় পেয়েছিলেন। গ্রামবাসী তাঁর পক্ষে কথা বলায় তিনি পালানোর সুযোগ পান। কিন্তু হাতকড়া নিয়ে তিনি গ্রাম ছাড়তে পারেননি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কুলিয়ারচর, কিশোরগঞ্জের মাধবদী গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রেনু মিয়া (৬সূতি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ ঘণ্টা (গ্রেপ্তারের মধ্যবর্তী সময়), ২০-২৫ জন (লোকজন), ৭ সদস্য (পরিবার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖