📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৮৩ বছরে পা দিলেন হলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো

৮৩ বছরে পা দিলেন হলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৮৩ বছরে পা দেওয়া হলিউড অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো তাঁর ছয় দশকের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে অভিনয়, পরিচালনা ও ব্যক্তিগত জীবনে রেখেছেন অসামান্য অবদান। অভিনয়ের জগতে তাঁর অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে কান চলচ্চিত্র উৎসব থেকে পেয়েছেন আজীবন সম্মাননা

হলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো আজ ৮৩ বছরে পা দিয়েছেন। জন্ম ১৯৪৩ সালের ১৭ আগস্ট নিউইয়র্কের ম্যানহাটানে। তাঁর অভিনয় জীবনের শুরু শৈশব থেকেই, যখন মাত্র ১০ বছর বয়সে স্কুলের মঞ্চে অভিনয় করেছিলেন তিনি। পরবর্তীতে স্টেলা অ্যাডলার ও লি স্ট্রাসবার্গের কাছে অভিনয়ের প্রশিক্ষণ নেন, যা তাঁকে পরবর্তী সময়ে হলিউডের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অভিনেতা রবার্ট ডি নিরোর জন্ম ১৯৪৩ সালের ১৭ আগস্ট নিউইয়র্কের ম্যানহাটানে
  • 📌 শৈশবেই অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত হন, মাত্র ১০ বছর বয়সে স্কুলের মঞ্চে অভিনয় করেন
  • 📌 অভিনয়ের প্রশিক্ষণ নেন স্টেলা অ্যাডলার ও লি স্ট্রাসবার্গের কাছে
  • 📌 মার্টিন স্করসেজির সঙ্গে দীর্ঘ সহযোগিতায় নির্মিত হয়েছে একাধিক ক্লাসিক চলচ্চিত্র
  • 📌 দুইবার অস্কার জয় করেন: ১৯৭৪ সালে ‘দ্য গডফাদার ২’-এ সেরা পার্শ্ব অভিনেতা এবং ১৯৮০ সালে ‘রেজিং বুল’-এ সেরা অভিনেতা হিসেবে
  • 📌 ২০২৫ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসব থেকে পান আজীবন সম্মাননা পুরস্কার
  • 📌 পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন, নির্মাণ করেছেন ‘আ ব্রঙ্কস টেল’ ও ‘দ্য গুড শেফার্ড’

📰 বিস্তারিত

রবার্ট ডি নিরোর অভিনয় জীবন শুরু হয়েছিল শৈশব থেকেই। তাঁর বাবা রবার্ট ডি নিরো সিনিয়র ছিলেন কবি, ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী, আর মা ভার্জিনিয়া অ্যাডমিরাল ছিলেন চিত্রশিল্পী। শৈশবে মা-বাবার বিচ্ছেদের পর মূলত মায়ের কাছেই বড় হন তিনি। গ্রিনউইচ ভিলেজ ও লিটল ইতালির পরিবেশে তাঁর শৈশব কাটে। তাঁর গায়ের ফরসা রঙের কারণে ছোটবেলায় ডাকনাম ছিল ‘ববি মিল্ক’।

১৬ বছর বয়সে আবার অভিনয়ের জগতে ফিরে আসেন ডি নিরো। স্টেলা অ্যাডলার ও লি স্ট্রাসবার্গের কাছে অভিনয়ের প্রশিক্ষণ নেন, যা তাঁকে পরবর্তী সময়ে হলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। তাঁর অভিনয়ের বিশেষত্ব ছিল চরিত্রের ভেতরে সম্পূর্ণ ডুবে যাওয়া। তিনি শুধু সংলাপ বলতেন না; চরিত্রের হাঁটা, কথা বলার ধরন, চোখের ভাষা ও শরীরের ভঙ্গি সবকিছু পরিবর্তন করে ফেলতেন। ফলে পর্দায় রবার্ট ডি নিরোকে নয়, চরিত্রটিকেই দেখা যেত।

মার্টিন স্করসেজির সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সহযোগিতায় নির্মিত হয়েছে আমেরিকান সিনেমার একাধিক মাইলফলক। তাঁদের যৌথ কাজের মধ্যে রয়েছে ‘মিন স্ট্রিটস’, ‘ট্যাক্সি ড্রাইভার’, ‘রেজিং বুল’, ‘দ্য গডফাদার ২’, ‘গুডফেলাস’, ‘ক্যাসিনো’ ও ‘দ্য আইরিশম্যান’। এই সহযোগিতাকে আমেরিকান একাডেমি অব আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস ডি নিরোর ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেছে।

"তিনি শুধু অভিনেতাই নন, একজন সম্পূর্ণ শিল্পী। তাঁর প্রতিটি চরিত্র যেন জীবন্ত হয়ে ওঠে।"

ডি নিরোর অভিনয় জীবনে দুটি অস্কার জয় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রথম অস্কার পান ১৯৭৪ সালে ‘দ্য গডফাদার ২’-এ তরুণ ভিটো করলিওনে চরিত্রে অভিনয়ের জন্য। দ্বিতীয় অস্কার আসে ১৯৮০ সালে ‘রেজিং বুল’-এ জেক লামোটা চরিত্রে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য। তাঁর অভিনয় পদ্ধতি পরবর্তী প্রজন্মের অসংখ্য অভিনেতাকে প্রভাবিত করেছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবার্ট ডি নিরো
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৩ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖