📌 রামেন্দু মজুমদারের ৮৬তম জন্মদিন উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর কর্মময় জীবনের দ্বিভাষিক ছবির বই। অনুষ্ঠানে তিনি জীবনের মূল্যবান সময় কাজে লাগানোর আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেন
বাংলাদেশের নাটক ও সংস্কৃতি ভুবনের প্রবাদপুরুষ রামেন্দু মজুমদার তাঁর ৮৬তম জন্মদিনে জীবনের মূল্যবান সময় কাজে লাগানোর আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন। গতকাল রোববার ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘জীবনের শেষ প্রান্তে এসে দাঁড়িয়ে আজ মনে হচ্ছে জীবনটা কতই না মূল্যবান। কত সময় অপচয় করেছি। বাঁচার ইচ্ছা তো মানুষের শেষ হয় না। কিন্তু জীবন শেষ হয়। সেটিই চূড়ান্ত সত্য। তাই যে দিনগুলো বাঁচি, যেন অর্থবহ কাজ করতে পারি।’
🔴 আলোচিত তথ্য
- 📌 রামেন্দু মজুমদারের ৮৫ বছর পূর্ণ হয়েছে গত বছর, এবার পালিত হলো ৮৬তম জন্মদিন
- 📌 ‘রামেন্দু মজুমদার: স্টেজিং আ লাইফটাইম, আ পিকটোরিয়াল ক্রনিকল’ শিরোনামের দ্বিভাষিক ছবির বই প্রকাশ
- 📌 বইটিতে রয়েছে প্রায় ২০০টি ছবি ও ১০টির বেশি লেখা
- 📌 প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘ইচ্ছাপূরণ’-এর প্রথম প্রকাশনা হিসেবে বইটি প্রকাশিত
- 📌 অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন দেবপ্রসাদ দেবনাথ, সারাহ আলী, শেকানুল ইসলাম প্রমুখ
📰 বিস্তারিত
ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে রোববার সন্ধ্যায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে রামেন্দু মজুমদারের জন্মদিন পালন করা হয়। অনুষ্ঠানের সূচনা হয় ছায়া কর্মকারের গাওয়া ‘আমি অকৃতি অধম বলেও তো কিছু/ কম করে মোরে দাওনি’ গানটির মধ্য দিয়ে। প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘ইচ্ছাপূরণ’-এর প্রকাশক ও সম্পাদক ত্রপা মজুমদার জানান, বছর দশেক ধরে তাঁরা এমন একটি বই প্রকাশের পরিকল্পনা করেছিলেন। তাঁর মেয়ে ‘ইচ্ছা’র নাম অনুসারে প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ করা হয়েছে।
বইটিতে রামেন্দু মজুমদারের জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে সাতটি পর্বে। প্রথম পর্বে রয়েছে তাঁর লক্ষ্মীপুরে জন্ম ও শিক্ষাজীবন, এরপর থিয়েটার চর্চা, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, বিজ্ঞাপনী সংস্থায় কর্মজীবন, নাটক, চলচ্চিত্র ও বেতার-টেলিভিশনে খবর পাঠ, ব্যক্তিজীবন এবং শেষে সাংগঠনিক ও অন্যান্য কাজ।
অনুষ্ঠানে ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইনস্টিটিউটের (আইটিআই) সম্পাদক দেবপ্রসাদ দেবনাথ বলেন, রামেন্দু মজুমদারের সঙ্গে তাঁর ৪০ বছরের সম্পর্ক। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নাটকে রামেন্দু মজুমদারের ভূমিকা বটবৃক্ষের মতো। দেশে তিনি আধুনিক নাট্যচর্চার অন্যতম স্থপতি এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের নাটকের পরিচিতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
"রামেন্দু মজুমদার একজন অত্যন্ত সৎ, পরিশ্রমী ও মেধাবী মানুষ। তাঁর বাবা রেজা আলীর সঙ্গে মিলে তিনি দেশে বিজ্ঞাপনী সংস্থার সৃজনশীল কাজকে বহুদূর সম্প্রসারিত করেছেন।"
বিজ্ঞাপনী সংস্থা বিটপীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সারাহ আলী তাঁর বক্তব্যে রামেন্দু মজুমদারের কর্মনিষ্ঠা ও সৃজনশীলতার প্রশংসা করেন। তরুণ থিয়েটার কর্মী শেকানুল ইসলাম বলেন, রামেন্দু মজুমদার দেশের থিয়েটার কর্মীদের প্রধান আশ্রয়স্থল। তিনি সব সময় তরুণদের সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধির শিক্ষা দিয়েছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ধানমন্ডি, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রামেন্দু মজুমদার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৫, ৮৬, ২০০, ১০, ৪০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!