📌 হিন্দি চলচ্চিত্র নির্মাতা রাজ কাপুরের নির্মিত ‘রাম তেরি গঙ্গা মৈলি’ চলচ্চিত্রে নারী চরিত্রের যৌন আবেদনময় উপস্থাপন নিয়ে নতুন প্রজন্মের দর্শকেরা প্রশ্ন তুলছেন। রাজ কাপুর নিজেই ছিলেন নগ্নতার উপাসক বলে দাবি করেছেন
হিন্দি চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রভাবশালী নির্মাতা রাজ কাপুরকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র ‘রাম তেরি গঙ্গা মৈলি’র মাধ্যমে তিনি নারী চরিত্রের উপস্থাপন নিয়ে নতুন করে বিতর্কের মুখোমুখি হয়েছেন। চলচ্চিত্রটির কেন্দ্রীয় চরিত্র গঙ্গা হিসেবে অভিনয় করা মন্দাকিনীকে স্বচ্ছ পোশাকে উপস্থাপন করা হয়, যা তৎকালীন সময়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজ কাপুর নিজেকে ‘নগ্নতার উপাসক’ হিসেবে দাবি করেছিলেন বলে তাঁর মেয়ে ঋতু নন্দার লেখা বইয়ে উল্লেখ রয়েছে।
- 📌 ‘রাম তেরি গঙ্গা মৈলি’ চলচ্চিত্রে গঙ্গা চরিত্রে অভিনয় করা মন্দাকিনীকে স্বচ্ছ সাদা পোশাকে উপস্থাপন করা হয়, যা সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
- 📌 চলচ্চিত্রটির গল্পে গঙ্গা নামের এক সরল তরুণী শহরের পুরুষের প্রেমে পড়ে গর্ভবতী হন এবং পরবর্তীতে নির্যাতনের শিকার হন।
- 📌 রাজ কাপুর তাঁর চলচ্চিত্রের মাধ্যমে গঙ্গা নদীর মতোই নির্মল থাকার প্রতীক তুলে ধরতে চেয়েছিলেন বলে দাবি করেন।
📰 বিস্তারিত
হিন্দি চলচ্চিত্রের ইতিহাসে রাজ কাপুরকে ‘দ্য গ্রেট শোম্যান’ হিসেবে পরিচিতি দেওয়া হলেও তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্রগুলোর শেষ পর্যায়ের কাজগুলো নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে ১৯৮৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রাম তেরি গঙ্গা মৈলি’ চলচ্চিত্রটি তাঁর কর্মজীবনের অন্যতম আলোচিত চলচ্চিত্র হিসেবে বিবেচিত। চলচ্চিত্রটির কেন্দ্রীয় চরিত্র গঙ্গা হিসেবে অভিনয় করা মন্দাকিনীকে স্বচ্ছ পোশাকে উপস্থাপন করা হয়, যা তৎকালীন সময়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।
চলচ্চিত্রটির গল্প অনুসারে, গঙ্গা নামের এক সরল তরুণী শহরের এক ব্যক্তির প্রেমে পড়ে গর্ভবতী হন। পরবর্তীতে স্বামীর খোঁজে শহরে এসে তিনি একের পর এক শোষণ, প্রতারণা ও নির্যাতনের শিকার হন। সমালোচকদের মতে, চলচ্চিত্রটির মাধ্যমে গঙ্গাকে এমন এক অসহায় নারী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যার নিজের ভাগ্য নির্ধারণের কোনো ক্ষমতাই নেই। তাঁর ওপর একের পর এক দুর্ভোগ চাপিয়ে দেওয়া হলেও মুক্তির পথ খুব কমই দেখানো হয়েছে।
রাজ কাপুর নিজেই একবার বলেছিলেন, ‘আমি নগ্নতার উপাসক।’ তাঁর মেয়ে ঋতু নন্দার লেখা ‘রাজ কাপুর: দ্য ওয়ান অ্যান্ড অনলি শোম্যান’ বইয়ে এই উক্তির উল্লেখ রয়েছে। রাজ কাপুর তাঁর চলচ্চিত্রের মাধ্যমে গঙ্গা নদীর মতোই নির্মল থাকার প্রতীক তুলে ধরতে চেয়েছিলেন বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘গঙ্গার স্বল্পবসনা উপস্থিতি নিয়ে যত সমালোচনাই হোক, দর্শক গঙ্গা নদীর পবিত্রতার প্রতি যে বিশ্বাস রাখে, সেটিই চলচ্চিত্রের গঙ্গা চরিত্রের নিষ্কলুষতাকে টিকিয়ে রেখেছে।’
‘গঙ্গা প্রবাহিত হয়।’ — রাজ কাপুর
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাজ কাপুর, মন্দাকিনী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৮৫ (চলচ্চিত্রটির মুক্তির বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!