📌 রংপুরের তিস্তা নদী ও সংলগ্ন এলাকায় বিরল উত্তুরেল্যাঞ্জা ও উত্তুরেখুন্তে হাঁসের দেখা মিলেছে। দেশি হাঁসের ঝাঁকে মিশে থাকা এই পরিযায়ী পাখিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে বলে মত দিয়েছেন পরিবেশবিদরা
রংপুরের তিস্তা নদী ও সংলগ্ন এলাকায় বিরল দুটি পরিযায়ী হাঁসের দেখা মিলেছে। দেশি হাঁসের ঝাঁকে ঘুরে বেড়ানো উত্তুরেল্যাঞ্জা ও উত্তুরেখুন্তে হাঁসের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় পাখি পর্যবেক্ষকরা। শীতকালীন পরিযায়ী পাখিদের মধ্যে এ দুটি প্রজাতি বিরল হিসেবে বিবেচিত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তিস্তা নদীর সংলগ্ন কোলা এলাকায় উত্তুরেল্যাঞ্জা ও উত্তুরেখুন্তে হাঁসের দেখা মিলেছে
- 📌 উত্তুরেল্যাঞ্জা হাঁসের লেজ সুচের মতো এবং মাথা থেকে গলা পর্যন্ত চকলেট রংয়ের
- 📌 উত্তুরেখুন্তে হাঁস স্ত্রী প্রজাতির এবং দেখতে দেশি হাঁসের মতো হলেও ঠোঁট চ্যাপ্টা
- 📌 স্থানীয় মাঝি খাইরুল ইসলামের সহায়তায় পাখি দুটির সন্ধান পাওয়া যায়
- 📌 রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার ভাড়ারদহ বিলেও উত্তুরেল্যাঞ্জা হাঁসের উপস্থিতি নিশ্চিত
📰 বিস্তারিত
ছোটবেলা থেকেই স্থানীয় প্রবীণদের মুখে শোনা কথা মনে পড়ে যায় বলে উল্লেখ করেন অধ্যাপক তুহিন ওয়াদুদ। তিনি জানান, পালিত হাঁসের সঙ্গে মাঝেমধ্যে বুনো হাঁসও দেখা যেত। পরিবেশ ও পাখি বিষয়ে লেখাপড়া শুরু করার পর থেকে তিনি নিয়মিত পাখি পর্যবেক্ষণ করেন। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে তিস্তা নদীতে দেশি হাঁসের ঝাঁকে দুটি বিরল হাঁস দেখতে পান তিনি।
স্থানীয় মাঝি খাইরুল ইসলামের সহায়তায় প্রায় দেড় কিলোমিটার চরে হেঁটে তিনি পাখি দুটির সন্ধান পান। সেখানে শামুকখোল, গাঙ টিটি, তিলা লালপা, পাতি সবুজপা ও নথজিরিয়া সহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখির দেখা মিলে। দেশি হাঁসের ঝাঁকে থাকা উত্তুরেল্যাঞ্জা হাঁসটির লেজ সুচের মতো এবং মাথা থেকে গলা পর্যন্ত চকলেট রংয়ের ছিল। অন্যদিকে উত্তুরেখুন্তে হাঁসটি স্ত্রী প্রজাতির এবং দেখতে দেশি হাঁসের মতো হলেও এর ঠোঁট ছিল চ্যাপ্টা।
তিস্তা নদীর পাশাপাশি রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার ভাড়ারদহ বিলেও উত্তুরেল্যাঞ্জা হাঁসের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন প্রকৌশলী ফজলুল হক। রমজান মাসের এক বিকেলে তিনি হাজার হাজার পাতিসরালির ভিড়ের মধ্যে কয়েকটি উত্তুরেল্যাঞ্জা হাঁস দেখতে পান।
"বিভিন্ন শীতপ্রধান দেশ থেকে পরিযায়ী পাখিরা খাবার ও নিরাপদ আবাসের খোঁজে বাংলাদেশে আসে। উত্তুরেল্যাঞ্জা ও উত্তুরেখুন্তে হাঁসও তা-ই করে। আমাদের উচিত পরিযায়ী পাখিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।" — তুহিন ওয়াদুদ, অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর জেলা, তিস্তা নদী ও ভাড়ারদহ বিল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তুহিন ওয়াদুদ (অধ্যাপক, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়)
- 👥 সহায়তাকারী ব্যক্তি: খাইরুল ইসলাম (স্থানীয় মাঝি), ফজলুল হক (প্রকৌশলী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় দেড় কিলোমিটার চর হেঁটে পাখির সন্ধান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!