📌 বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় খল অভিনেতা মিশা সওদাগর যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস থেকে রস+আলোর মুখোমুখি হন। তিনি বলেন, তিন যুগ ধরে অভিনয় জীবনে কঠিন সময়গুলো সামলাতে পারলেও রস+আলোর প্রশ্নগুলোও সামলাতে পারবেন
বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় খল অভিনেতা মিশা সওদাগর বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) রস+আলোর মুখোমুখি হন। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে অবস্থানরত তিনি বাংলাদেশ সময় মধ্যরাতে সাক্ষাৎকার দেন। সাক্ষাৎকার নেন মনজুর কাদের। মিশা সওদাগর বলেন, বাংলাদেশের সব নায়ক-নায়িকার মুখোমুখি হয়ে তিনি সম্মান বজায় রেখেছেন এবং রস+আলোর মুখোমুখি হওয়া তাকে স্বাভাবিক লাগছে, কিন্তু একটু সাসপিশিয়াসও লাগছে!
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিশা সওদাগর বলেন, তিন যুগ ধরে অভিনয় জীবনে কঠিন সময়গুলো সামলাতে পারলেও রস+আলোর প্রশ্নগুলোও সামলাতে পারবেন
- 📌 তিনি বলেন, ‘আমার চিন্তা, রস+আলো আমাকে সামলাতে পারবে তো!’
- 📌 মিশা সওদাগর বলেন, ‘আমার ব্রেন শুধু বড় পর্দায়ই চালু নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও অনেক চালু’
- 📌 তিনি বলেন, ‘আমি তিন যুগ ধরে আমার সওদাগরি অক্ষুণ্ন রেখেছি’
- 📌 মিশা সওদাগর বলেন, ‘পৃথিবী একটা বড় স্টেডিয়াম, সবাই নিজের চাট্টিবাট্টি গোল করে নিজের যোগ্যতায় উত্তম হতে চায়’
- 📌 তিনি বলেন, ‘আমাকে নিয়ে মিমের ছড়াছড়ি চোখে পড়ে, মজাই লাগে, আমিও বিনোদিত হই’
- 📌 মিশা সওদাগর বলেন, ‘আমার ডিএমসি এখন ডেডিকেশন, মেডিটেশন অ্যান্ড কনসেনট্রেশন’
- 📌 তিনি বলেন, ‘আরিয়ান মির্জা আমার ছেলে, আমার পৃথিবী’
📰 বিস্তারিত
মিশা সওদাগর বলেন, “নায়কের মুখোমুখি তো অনেক হয়েছেন। এবার রস+আলোর মুখোমুখি। কেমন লাগছে? বাংলাদেশের সব নায়ক-নায়িকার মুখোমুখি হয়ে এখনো যেহেতু সম্মানের সাথে দাঁড়িয়ে আছি, রস+আলোর মুখোমুখি হয়েও নিজের সম্মানটা বজায় রাখতে পারব। খুবই স্বাভাবিক লাগছে, খানিকটা সাসপিশিয়াসও লাগছে!”
রস+আলোর প্রশ্নগুলো কঠিন বলে মনে করলেও তিনি বলেন, “আমার চিন্তা, রস+আলো আমাকে সামলাতে পারবে তো! তিন দশকে কঠিন থেকে কঠিন সব সময় যেহেতু পার করেছি, এটা সামলানো কোনো সমস্যাই না। আপনার ব্রেন কি শুধু বড় পর্দায়ই চালু, নাকি ব্যক্তিগত জীবনেও অনেক চালু? কিছু কিছু সংলাপ জীবনের দর্শন হয়ে যায়। মূল বিষয় হচ্ছে, সব পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেওয়া, তাই ডায়ালগ হওয়া উচিত—নাম আমার লালু, ব্রেনটা বড়ই চালু, প্রয়োজনে নিজের ব্রেনকে করব মসৃণ আর ঢালু...”
মিশা সওদাগর বলেন, “চৌদ্দপুরুষের ইতিহাস জানি না, তিনপুরুষের ইতিহাস জানি। আমার দাদা জুম্মন সওদাগর, বাবা উসমান সওদাগর, আমি মিশা সওদাগর। আমি তিন যুগ ধরে আমার সওদাগরি অক্ষুণ্ন রেখেছি। আপনার পছন্দের রং কী? ঋতুভেদে যেমন মৌসুমের পরিবর্তন হয়, তেমনি আমার রংও পরিবর্তনশীল। আবহাওয়া ও ঋতু অনুযায়ী কখনো সাদা, কখনো কালো, কখনো সোনালি।”
মিশা সওদাগর বলেন, “পৃথিবী একটা বড় স্টেডিয়াম, এখানে মানুষ তার সর্বোচ্চ দিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চায়। যে সামনে থাকবে, সে-ই উত্তম। সবাই তাই নিজ নিজ চাট্টিবাট্টি গোল করে নিজের যোগ্যতায় উত্তম হতে চায়। এটাই আমার নেশা। আপনাকে নিয়ে তো মিমের ছড়াছড়ি, চোখে পড়ে সব? পৃথিবীতে মানুষ একটু বিনোদিত হতে চায় আর আমাদের চেষ্টা থাকে বিনোদিত করার। তাই আমাকে নিয়ে মিমের এত ছড়াছড়ি। চোখে পড়ে, মজাই লাগে, আমিও বিনোদিত হই। কোন মিমটা বেশি পছন্দের? ছবির নাম, বলো না কবুল। ওখানে নায়িকাকে কাজি সাহেব কবুল বলতে বলে, কিন্তু নায়িকা দেরি করে। তখন আমি জোরে একটা ঝাড়ি দিয়ে বলি, বল কবুল। যখন কবুল বলে, তখন কাজি সাহেবকে লাথি মারি। এটাই সবচেয়ে ভাইরাল, সবচেয়ে মজার!”
মিশা সওদাগর বলেন, “পর্দার খলনায়কের মতো আমিও কখনো DMC (ধরো, মারো, ছাড়ো)-তে বিশ্বাসী ছিলাম না। সময়ের সাথে সাথে বোধ আর বিচারের পরিবর্তন হয়। ওই সময় ডিএমসি ছিল—ধরো, মারো ছাড়ো। আর এখন আমার ডিএমসি—ডেডিকেশন, মেডিটেশন অ্যান্ড কনসেনট্রেশন। আপনার সবচেয়ে পছন্দের ডায়ালগ কোনটা? পছন্দের ডায়ালগ তো অনেকগুলো, কোনটা রেখে কোনটা বলি! এ মুহূর্তে মনে পড়ছে, ‘জয়কালে ক্ষয় নাই, মরণকালে ওষুধ নাই!’”
"আরিয়ান মির্জা আমার ছেলে, আমার পৃথিবী। পৃথিবীর সবখানে হাত দিলেও এই একটি জায়গায় হাত দেওয়া যাবে না। যদি হাত দেন, তাহলে আপনার এমন জায়গায় হাত দেব, আপনার অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে!"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিশা সওদাগর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিন যুগ (৩০ বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!