📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কলকাতা যাত্রায় ক্ষুধার্ত মেয়ের ‘দেখন সুখ’ খাওয়ার জরিমানা: সৈয়দ মুজতবা আলীর রম্য কাহিনি

কলকাতা যাত্রায় ক্ষুধার্ত মেয়ের ‘দেখন সুখ’ খাওয়ার জরিমানা: সৈয়দ মুজতবা আলীর রম্য কাহিনি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ১৯০৪-১৯৭৪ সালের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনায় ঢাকার এক কৃপণ মেয়ের কলকাতা যাত্রায় ‘দেখন সুখ’ খাওয়ার জরিমানার কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। নদী-রেলপথে যাত্রায় ক্ষুধার্ত হয়ে হোটেলে খাওয়ার সময় অপ্রত্যাশিত জরিমানা পেতে হয় তাকে

১৯০৪-১৯৭৪ সালের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রখ্যাত লেখক সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি রম্য কাহিনি আজও পাঠকদের মনকে আকর্ষণ করে। তার লেখা ‘জরিমানা’ নামক গল্পে ঢাকার এক কৃপণ মেয়ের কলকাতা যাত্রার সময়ের একটি হাস্যরসাত্মক ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। ঢাকা তখন একটি ছোটো মফস্বল শহর ছিল, যেখানে সব কাজকর্ম কলকাতায়ই কেন্দ্রীভূত ছিল—বিয়ের বাজার থেকে শুরু করে চিকিৎসা, মুসলমানির দাওয়াতি খাওয়ানো, নাক-ফোড়ানির উৎসব বা পুতুলের বিয়ের ‘লওয়াজিমা’র ফর্দ পর্যন্ত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নারায়ণগঞ্জ-কার্তিকপুর থেকে কলকাতা যাত্রায় নদী-রেলপথে যাত্রা করে ঢাকার এক কৃপণ মেয়ের ক্ষুধা দমাতে হোটেলে খাওয়ার চেষ্টা।
  • 📌 হোটেলের বয় তাকে ‘দেখন সুখ’ খাওয়ার ব্যবস্থা করে—ভাত, ইলশা মাছের সুরা এবং পেটি খাওয়ার জন্য এক আনা জরিমানা নেয়া হয়।
  • 📌 জরিমানার কারণ ছিল পেটিতে চাটন না দেওয়া—মাত্র আধ আনা বেশি দিতে হয় তাকে।
  • 📌 সৈয়দ মুজতবা আলী রচনা করেছেন এই রম্য কাহিনিটি, যেখানে কলকাতা যাত্রার সময়ের দিনচর্যা ও মানুষের আচরণের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

১৯ শতকের শেষভাগে ঢাকার এক কৃপণ মেয়ের বিয়ের বাজার করতে কলকাতায় যাত্রা। তখন কলকাতা পৌঁছানোর একমাত্র পথ ছিল নারায়ণগঞ্জ বা কার্তিকপুর থেকে গোয়ালন্দ হয়ে নৌকা-স্টিমারে। গোয়ালন্দ স্টিমারঘাট ছিল তখন একটি জমজমাট এলাকা—দোকানপাট, ফেরিওয়ালা, হোটেল, নৌকায় ভাসমান হোটেল এবং কুলি-মিস্তির ছোটাছুটি। মেয়েটি রাস্তাঘাটে খেয়ে পয়সা নষ্ট করার ভয় করে কলকাতায় পৌঁছেই এক হোটেলে ঢুকে পড়ে। সেখানে খাওয়ার সময় বয় তাকে ‘দেখন সুখ’ খাওয়ার ব্যবস্থা করে—ভাত, ইলশা মাছের সুরা এবং পেটি খাওয়ার জন্য এক আনা জরিমানা নেয়া হয়।

মেয়েটি প্রথমে ভাত-নুন-পানি খেতে চায়, কিন্তু বয় তাকে সস্তা খাবারের বিকল্প দেয়। সে ‘ভাত লন’ (ভাত লাগানো) এবং ইলশা মাছের সুরা খেতে চায়। বয় তাকে বলে, ‘দেখন সুখ’ খাওয়ার ব্যবস্থা আছে—ভাত খাওয়ার সময় পেটি খেতে পারবে, কিন্তু তার জন্য এক আনা জরিমানা দিতে হবে। মেয়েটি এই ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং চার আনা পয়সা দিয়ে অর্ডার দেয়। খাওয়ার পরে বয় ম্যানেজারের ক্রিং শুনে বলে, ‘দেখন সুখ’ অর্ডারের জন্য চার আনা পয়সা ছাড়াও আধ আনা জরিমানা দিতে হবে। কারণ পেটিতে চাটন দেওয়া হয়নি।

"তো, আমাদের কৃপণ লোকটাও গেছে, সেই হোটেলে খেতে। তার ভয়, হৈটাল আলারা গলাকাটা দাম নেয়। তাই এক টেবিল বয়কে কাছে ডেকে সে জিজ্ঞাসা করে, সস্তায় কী খাওন যায়, ক তো!"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গোয়ালন্দ, কলকাতা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দ মুজতবা আলী (লেখক), কৃপণ মেয়ে (গল্পের চরিত্র)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চার আনা (অর্ডার), আধ আনা (জরিমানা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖