📌 ফুলগাজী উপজেলায় ২০১৮ সালে বিএনপির কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার ছবি পোড়ানোর মামলায় আ.লীগ নেতা হাজী জামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাদী আব্দুল কাদের জিলানী জানান, তিনি জামালকে চেনেন না
ফুলগাজী উপজেলায় বিএনপির কার্যালয়ে ২০১৮ সালে খালেদা জিয়ার ছবি পোড়ানোর মামলায় আ.লীগ নেতা হাজী জামাল উদ্দিনকে (৬৬) গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফুলগাজী থানা পুলিশ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টায় হাজী জামাল উদ্দিনকে ঘনিয়ামোড়া এলাকার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে
- 📌 ২০১৮ সালের বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর ও খালেদা জিয়ার ছবি পোড়ানোর মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়
- 📌 মামলায় ১৫৮ জন এজাহারনামীয় ও ১৫০ থেকে ২৫০ জন অজ্ঞাত আসামি রয়েছে
- 📌 বাদী আব্দুল কাদের জিলানী জানান, তিনি গ্রেপ্তারকৃত জামাল উদ্দিনকে চেনেন না
- 📌 হাজী জামাল উদ্দিন ফুলগাজী উপজেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি ও ফেনী জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি
📰 বিস্তারিত
ফুলগাজী উপজেলার ঘনিয়ামোড়া এলাকায় অবস্থিত হাজী জামাল উদ্দিনের বাড়ি থেকে রোববার রাত সাড়ে ৮টায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর ও তৎকালীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছবি পোড়ানোর ঘটনায় এই মামলা করা হয়েছিল।
২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর আব্দুল কাদের জিলানী নামে এক বিএনপি নেতা বাদী হয়ে ফুলগাজী থানায় এই মামলা করেন। বাদী জিলানী জানান, তিনি গ্রেপ্তারকৃত হাজী জামাল উদ্দিনকে চেনেন না। তিনি বলেন, “আমি তাকে দেখিনি। তার বাড়ি কোথায়?”
হাজী জামাল উদ্দিন স্থানীয়ভাবে ‘হাজী জামাল’ নামে পরিচিত। তিনি মৃত ননু মিয়ার ছেলে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আ.লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তিনি নিজ বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি বিভিন্ন অসুস্থতায় ভুগছেন। তিনি ফুলগাজী উপজেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি ও ফেনী জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল আলিমের অধীনে তিনি ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।
"আমি তাকে দেখিনি। তার বাড়ি কোথায়?" — মামলার বাদী আব্দুল কাদের জিলানী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফুলগাজী উপজেলা, ঘনিয়ামোড়া এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাজী জামাল উদ্দিন (৬৬), আব্দুল কাদের জিলানী, ননু মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫৮ জন এজাহারনামীয়, ১৫০ থেকে ২৫০ জন অজ্ঞাত আসামি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!