📌 কে-পপের জগতে নতুন মুখ হয়ে উঠেছেন ওনি। ব্র্যান্ড সুনাম সূচকে দুই মাস ধরে শীর্ষে থাকা ওনির জনপ্রিয়তার পেছনে রয়েছে তাঁর স্বাভাবিক উপস্থিতি ও 'জিওজে ইয়াহো' মিমের প্রভাব। রেসিন দলের সদস্য হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হলেও ইউটিউব ভিডিওর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে গেছেন তিনি
কে-পপের জগতে নতুন মুখ হয়ে উঠেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার গায়িকা ওনি। ব্যক্তিগত আইডল ব্র্যান্ড সুনাম সূচকে টানা দুই মাস অর্থাৎ জুলাই ও আগস্টে শীর্ষ স্থান অধিকার করেছেন তিনি। ব্রিকোরিয়া নামক ব্র্যান্ড বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত আগস্টের তালিকায় ওনির ব্র্যান্ড সুনাম সূচক ছিল ৬৯ লাখ ৫১ হাজার ৮৯১। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে বিটিএসের জিমিন ও আইভের জ্যাং ওয়নইয়ং। ভোক্তাদের সম্পৃক্ততা, গণমাধ্যম উপস্থিতি, অনলাইন যোগাযোগ এবং বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সক্রিয়তার তথ্যের ভিত্তিতে এই তালিকা তৈরি করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্যক্তিগত আইডল ব্র্যান্ড সুনাম সূচকে আগস্টে শীর্ষে ছিলেন ওনি, সূচক ছিল ৬৯ লাখ ৫১ হাজার ৮৯১
- 📌 দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন বিটিএসের জিমিন, তৃতীয় জ্যাং ওয়নইয়ং
- 📌 রেসিন দলের সদস্য ওনি ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পরিচিতি পান
- 📌 'জিওজে ইয়াহো' মিমের মাধ্যমে তাঁর দল রেসিনের গান 'লাভ অ্যাটাক' জনপ্রিয়তা লাভ করে
- 📌 'লাভ অ্যাটাক' গানটি মেলনের সেরা ১০০ গানের তালিকায় জুলাইয়ে একাধিকবার শীর্ষ স্থান অধিকার করে
📰 বিস্তারিত
রেসিন দলের সদস্য ওনি দক্ষিণ কোরিয়ার কে-পপ জগতে নতুন মুখ হিসেবে আবির্ভূত হন। তাঁর দল রেসিনের যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০২৪ সালের মার্চ মাসে। দলটির সদস্যরা হলেন ওনি, মিনামি, লিভ, জেনা ও মে। শুরুতে দলটি দক্ষিণ কোরিয়ার মূলধারায় তেমন পরিচিতি পায়নি। বিদেশেও তাদের পরিচিতি ছিল সীমিত। তবে চলতি বছরের শুরু থেকেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটতে শুরু করে। এর পেছনে মূল ভূমিকা পালন করে ইউটিউব।
২০২৪ সালের ২৬ মার্চ রেসিনের অভিষেক হয়। দলটির প্রথম একক অ্যালবামের নাম ছিল 'রিঃসিন', যার প্রধান গান ছিল 'উহউহ'। শুরুতে এই গানটি জনপ্রিয়তা লাভ করতে পারেনি। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলোর তালিকাতেও এটি জায়গা করে নিতে পারেনি। তবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ওনি তাঁর ইউটিউব চ্যানেল চালু করেন। এই চ্যানেলে তিনি তাঁর দলের সদস্যদের দৈনন্দিন জীবনের গল্প তুলে ধরেন। তাঁর এই স্বাভাবিক উপস্থিতিই দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায়।
মার্চ মাসে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায় মিনামিকে 'গিয়ারু' সাজে। এটি জাপানের একটি জনপ্রিয় উপসংস্কৃতি। মিনামির এই সাজ দেখে ওনি মজা করে বলেন যে তাঁর শহর জিওজেতে গেলে স্থানীয় লোকজন মিনামিকে বকাঝকা করবেন। মিনামির জবাব ছিল 'জিওজে, ইয়াহো!'। 'ইয়াহো' জাপানি ভাষার একটি অনানুষ্ঠানিক সম্ভাষণ, যা অনেকটা 'হাই' বা 'হেই'-এর মতো। এই কথোপকথন পরবর্তীতে ভাইরাল হয়ে যায় এবং 'জিওজে ইয়াহো' মিম হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
এর ফলে ওনির ইউটিউব চ্যানেলে দর্শক সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। দল রেসিনকেও নতুন করে চিনতে শুরু করেন অনেকে। এই প্রভাব দলটির গানের জনপ্রিয়তাতেও প্রতিফলিত হয়। দলটির প্রথম ইপি 'সিনড্রোম'-এর প্রধান গান 'লাভ অ্যাটাক' দুই বছর পর আলোচনায় আসে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে মেলনের দৈনিক তালিকায় গানটির অবস্থান ছিল ৯০৪। তবে চলতি বছরের মে মাসে এটি আবার তালিকায় স্থান পায় এবং জুন মাসে তা সেরা ১০-এর মধ্যে উঠে আসে। জুলাই মাসে গানটি মেলনের তালিকায় এক নম্বর স্থান অধিকার করে।
মেলন ডেটা ল্যাবের তথ্য অনুযায়ী, ওনির ইউটিউব চ্যানেল চালুর পর 'লাভ অ্যাটাক'-এর স্ট্রিম বৃদ্ধির হার ছিল সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৯ শতাংশ। 'জিওজে ইয়াহো' মিম ভাইরাল হওয়ার পর মেলনে রেসিনকে নিয়ে অনুসন্ধানের হার বৃদ্ধি পায় ৬ হাজার ৫৫০ শতাংশ। মেলন ডেটা ল্যাব ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের সেরা শিল্পী হিসেবে রেসিনকে নির্বাচিত করে। জুলাই মাসে একসঙ্গে রেসিনের চারটি গান মেলনের সেরা ১০০ গানের তালিকায় স্থান পায়।
"কয়েক মাস আগেও সাধারণ দর্শকের কাছে ওনি ও রেসিন খুব বেশি পরিচিত ছিল না। তবে তাঁর স্বাভাবিক উপস্থিতি এবং দলের সদস্যদের সঙ্গে সাধারণ জীবনের মুহূর্তগুলো ভাগ করে নেওয়ার ফলে তাঁরা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দক্ষিণ কোরিয়া
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ওনি (রোসিন দলের সদস্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৯ লাখ ৫১ হাজার ৮৯১, ২ হাজার ১৯ শতাংশ, ৬ হাজার ৫৫০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!