📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন জায়েদ খান নিজেকে 'গ্লোবাল ডিগবাজি স্টার' হিসেবে পরিচিত করেছেন। তিনি কানাডা থেকে ফিরে এসে বলেছেন, তার ডিগবাজি এবং কারিশমা তাকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এছাড়াও তিনি তার নতুন অ্যাকশন সিনেমা 'ভায়োলেন্স' এবং নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির সাথে তার সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেছেন
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে এক অনন্য পরিচয় জায়েদ খান। গুগলে ‘Most Entertaining Hero in Bangladesh’ সার্চ করলে প্রথমেই তার নাম আসে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনকারী এই অভিনেতা নিজেই এখনো একটা ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। তার নিজস্ব ডিগবাজি এবং কারিশমা তাকে গ্লোবাল ডিগবাজি স্টার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জায়েদ খান বলেছেন, তিনি ‘গ্লোবাল ডিগবাজি স্টার’ — গুগলে ‘Most Entertaining Hero in Bangladesh’ সার্চ করলে তার নাম প্রথমে আসে।
- 📌 ১৭ অক্টোবর কানাডা থেকে ফিরে এসেছেন তিনি। সকালে জিমে যাওয়ার পর সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।
- 📌 নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি তার ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ’ সিরিজে তার কাজ দেখে মুগ্ধ হয়ে তাকে পলিটিক্সের পরামর্শ দিয়েছেন।
- 📌 অ্যাকশন সিনেমা ‘ভায়োলেন্স’-এ তিনি কানাডিয়ান পুলিশ অফিসারের ভূমিকা পালন করছেন — প্রথম বাংলাদেশি অভিনেতা যিনি অন-স্ক্রিন কানাডিয়ান পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করছেন।
- 📌 ডিগবাজির রহস্য তিনি বলেছেন, “আমি পাওয়ার ব্যাংক! চার্জ শেষ হয় না। আমি ব্যাটারি নই, আমি চার্জড হয়ে যাই।”
- 📌 বিবাহিত তিনি নিজেকে — “আমি তো সিনেমার সঙ্গে বিবাহিত!”
- 📌 নতুন নায়কদের উপদেশ: “লুঙ্গি পরা শিখো, ডিগবাজি শিখো, আর অপমান হজম করা শিখো।”
📰 বিস্তারিত
জায়েদ খান বলেছেন, “আমি হলাম গ্লোবাল ডিগবাজি স্টার!” তিনি গতকাল (১৭ অক্টোবর) কানাডা থেকে ফিরে এসেছেন। সকালে জিমে যাওয়ার পর সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। তিনি বলেন, “শরীরটা ঠিক রাখতে হবে না? তাই কলটা ধরতে পারিনি।” তার শরীরের ফিটনেসের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “অলরেডি আমার সিক্স প্যাকের বাতাসে রুমের এসি অনেক ঠান্ডা হয়ে গেছে!”
নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি তার ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ’ সিরিজে জায়েদ খানের কাজ দেখে মুগ্ধ হয়ে তাকে পলিটিক্সের পরামর্শ দিয়েছেন। জায়েদ বলেন, “মামদানি আসলে আমার ফ্যান। তিনি আমাকে সামনাসামনি দেখেই বললেন, ‘আপনি তো ঢাবির ছাত্র, পলিটিকস আপনার রক্তে!’ আমি বললাম, ‘মিস্টার মামদানি, পলিটিকস করতে হলে বডিতে কারিশমা লাগে। এই যে আমার হাতের ব্রেসলেট, এটা দেখলেই ভোটাররা ইমপ্রেসড হয়ে ভোট দিয়ে দেয়!’”
তিনি তার নতুন অ্যাকশন সিনেমা ‘ভায়োলেন্স’-এ কানাডিয়ান পুলিশ অফিসারের ভূমিকা পালন করছেন। তিনি বলেন, “পুরো বাংলাদেশের সিনেমার ইতিহাসে আমিই একমাত্র পুরুষ অভিনেতা, যে অন-স্ক্রিন কানাডিয়ান পুলিশ অফিসার হয়েছে!” সিনেমায় তার ডিগবাজির কথা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, “জায়েদ খান থাকবে আর ডিগবাজি থাকবে না—তা কী করে হয়? ‘ভায়োলেন্স’ সিনেমায় ভিলেন যখন আমাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে, তখন আমি বাতাসে শূন্যে ভেসে তিনটা ব্যাকফ্লিপ আর চারটা ডিগবাজি খেয়ে সেই গুলি হাত দিয়ে ক্যাচ ধরি!”
তিনি তার অসাধারণ ডিগবাজির রহস্য প্রকাশ করেননি। বলেন, “রহস্য কিছুই না। আমি হলাম গ্লোবাল ডিগবাজি স্টার! কারণ, অন্য স্টাররা আকাশে থাকে, আমি ডিগবাজি দিয়ে মানুষের মনে থাকি!”
বিবাহের প্রশ্নে তিনি বলেন, “আমি তো বিবাহিত! সিনেমার সঙ্গে বিবাহিত। আর বউ খুঁজছি, যে আমার ডিগবাজি সহ্য করতে পারবে!” তার এনার্জির কথা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, “আমি ব্যাটারি না, আমি পাওয়ার ব্যাংক! চার্জ শেষ হয় না। আপনারা ভালোবাসা দেন, আমি চার্জড হয়ে যাই।”
হলিউডের ডাকের প্রশ্নে তিনি বলেন, “আমি বলব, ভাই, আগে বাংলা শেখো, তারপর আমাকে ডাকবে। কারণ, আমি ডায়ালগ বাংলায় দিলেই হিট!” তার প্রতিযোগী সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমার আয়না! রোজ সকালে আয়নার সামনে দাঁড়াই, আয়নাও কনফিউজড—এত সুন্দর মানুষ, কেমনে সম্ভব!”
নতুন নায়কদের জন্য তিনি একটাই উপদেশ দেন, “লুঙ্গি পরা শিখো, ডিগবাজি শিখো, আর অপমান হজম করা শিখো। তাইলে তুমিও জায়েদ খান হতে পারবে!”
"আমি গরিবের শাহরুখ খান না, বড়লোকের জায়েদ খান!"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, নিউইয়র্ক, কানাডা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জায়েদ খান, জোহরান মামদানি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!