📌 স্বাধীনতার পর থেকে ঢাকাই চলচ্চিত্রে শিশুতোষ গানের সংখ্যা ছিল সীমিত। তবে কয়েকটি বিশেষ গান শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। ৮০ ও ৯০ দশকের জনপ্রিয় এসব গান এখনও স্মরণীয় হয়ে আছে
ঢাকাই চলচ্চিত্রের ইতিহাসে শিশুতোষ গানের সংখ্যা ছিল হাতেগোনা। স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত নির্মিত বেশিরভাগ চলচ্চিত্রই ছিল প্রাপ্তবয়স্কদের উপযোগী। তবে কিছু ব্যতিক্রমী নির্মাতা ও সুরকার শিশুদের জন্য বিশেষ গান তৈরি করেছেন, যা সময়ের পরিক্রমায় শ্রোতাদের কাছে হয়ে উঠেছে অমর।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্বাধীনতার পর থেকে ঢালিউডে শিশুতোষ চলচ্চিত্র নির্মাণের সংখ্যা ছিল অত্যন্ত সীমিত
- 📌 ৮০ ও ৯০ দশকের কয়েকটি চলচ্চিত্রে ব্যবহৃত শিশুতোষ গানগুলো বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করে
- 📌 বাংলাদেশ বেতারে প্রচারের ফলে এসব গান আরও বেশি শ্রোতাপ্রিয় হয়ে ওঠে
- 📌 গাজী মাজহারুল আনোয়ার, সত্য সাহা, আলাউদ্দিন আলী প্রমুখ সুরকার এসব গানের সুর করেছেন
📰 বিস্তারিত
১৯৭৮ সালে পরিচালক আজিজুর রহমান নির্মাণ করেন চলচ্চিত্র ‘অশিক্ষিত’, যেখানে রাজ্জাক অভিনীত চরিত্রের মুখে স্থান পায় ‘মাস্টার সাব আমি নাম দস্তখত শিখতে চাই’ গানটি। গাজী মাজহারুল আনোয়ারের কথায় ও সত্য সাহার সুরে গানটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। একই বছর মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ডুমুরের ফুল’ চলচ্চিত্রেও একাধিক শিশুতোষ গান যুক্ত হয়, যার মধ্যে রয়েছে ‘এক শিয়ালে রাঁধে বাড়ে দুই শিয়ালে খায়’ এবং ‘আপায় কইছে আমারে বাল্যশিক্ষা কিন্না দিছে’।
১৯৭৯ সালে খান আতাউর রহমান পরিচালিত ‘দিন যায় কথা থাকে’ চলচ্চিত্রে কন্যা শিশুশিল্পী রুমানা খানকে দিয়ে গাওয়ানো হয় ‘মায়ের মতো আপন কেহ নাই রে’ গানটি। আশির দশকে এসে চলচ্চিত্র নির্মাতারা আরও বেশি শিশুতোষ গান অন্তর্ভুক্ত করতে শুরু করেন। ১৯৮০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ছুটির ঘণ্টা’ চলচ্চিত্রে সাবিনা ইয়াসমিন ও সহশিল্পীরা গেয়েছেন ‘একদিন ছুটি হবে অনেক দূরে যাব’ এবং ‘আমাদের দেশটা স্বপ্নপুরী সাথী মোদের ফুলপরী’ গান দুটি।
একই বছর মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ডানপিটে ছেলে’ চলচ্চিত্রে মাস্টার শাকিলের কণ্ঠে স্থান পায় খান আতাউর রহমান রচিত ও সুরারোপিত দেশাত্মবোধক গান ‘হায়রে আমার মন মাতানো দেশ হায়রে আমার সোনা ফলা মাটি’। পরিচালক বাদল রহমান নির্মিত ‘এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী’ চলচ্চিত্রে জনপ্রিয় হয়েছে আলম খান সুরারোপিত দুটি গান—‘আমরা যাব অভিযানে সঙ্গে যাবে কে’ এবং ‘চোর চোর চোর ধরব আমরা মিলে সবাই’।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিশুশিল্পী, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, সত্য সাহা, আলাউদ্দিন আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০ দশক, ৯০ দশক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!