📅 ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আবুল হায়াত: অভিনয়ের ৮২ বছরের জীবনের সত্যিকারের অভিনেতা

আবুল হায়াত: অভিনয়ের ৮২ বছরের জীবনের সত্যিকারের অভিনেতা

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আবুল হায়াত ৮২ তম জন্মদিনে অভিনয়ের ছয় দশক পেরিয়ে নিয়মিত অভিনয় চালিয়ে যাচ্ছেন

অভিনয়ের ছয় দশক পেরিয়ে ৮২ তম জন্মদিনে অভিনয়ের জীবনের সত্যিকারের অভিনেতা আবুল হায়াত ছবি: সংগৃহীত

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৮২ তম জন্মদিনে অভিনয়ের ছয় দশক পেরিয়ে নিয়মিত অভিনয় চালিয়ে যাচ্ছেন আবুল হায়াত
  • 📌 বাবা ছিলেন রেলওয়ে কর্মকর্তা, চট্টগ্রামে দেশভাগের সময় চলে আসেন
  • 📌 ১৯৬২ সালে বুয়েটে ভর্তি হন, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পাস করে ঢাকা ওয়াসায় প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দেন
  • 📌 পরিবারে সংস্কৃতির চর্চা ছিল, সেই থেকেই আবুল হায়াতেরও আগ্রহ তৈরি হয়
  • 📌 টিভি পর্দায় তাকে প্রথমবার দেখা যায় ১৯৬৯ সালের ‘ইডিপাস’ নাটকে
  • 📌 আবুল হায়াতের অভিনীত সিনেমার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো—‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’, ‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘চরিত্রহীন’, ‘বধূ বিদায়’, ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, ‘আগুনের পরশমণি’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘বাবা কেন চাকর’, ‘তেজী’, ‘অনন্ত ভালোবাসা’, ‘প্রেমের তাজমহল’, ‘জয়যাত্রা’, ‘রূপকথার গল্প’, ‘গহীনে শব্দ’, ‘থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার’, ‘কোটি টাকার প্রেম’, ‘দারুচিনি দ্বীপ’, ‘অজ্ঞাতনামা’, ‘ফাগুন হাওয়ায়’, ‘রাত জাগা ফুল’ ইত্যাদি
  • 📌 দেশের কালজয়ী নাটকের সিংহভাগেও অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত

📰 বিস্তারিত

আবুল হায়াত অভিনেতা হিসেবে যেমন অনন্য, তার নামটিও বেশ আলাদা। আবুল হায়াত নামে খ্যাতি পেলেও তার আসল নাম ৯ শব্দের—খন্দকার মোহাম্মদ শামসুল আরেফিন আবুল হায়াত গোলাম মাহবুব। আবার ডাকনাম রবি। অভিনেতার মায়ের নানা এই নামটি রেখেছিলেন। একদা নামের পেছনের গল্প নিয়ে আবুল হায়াত বলেছিলেন, ‘আমার বংশের টাইটেল খন্দকার। আর আমাদের অধিকাংশের নামের আগেই মোহাম্মদ থাকে; শামসুল আরেফিন আবুল হায়াত হলো মূল নাম। এর সঙ্গে আবার গোলাম মাহবুব লাগিয়েছেন উনি। আর রবি ডাকনামটি আমার বাবার দেওয়া। সময়ের পরিক্রমায় অবশ্য নামের বেশিরভাগ অংশ ঝরে পড়ে গেছে, রবি নামেও এখন বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন ছাড়া কেউ ডাকে না।

‘আমার বংশের টাইটেল খন্দকার। আর আমাদের অধিকাংশের নামের আগেই মোহাম্মদ থাকে; শামসুল আরেফিন আবুল হায়াত হলো মূল নাম। এর সঙ্গে আবার গোলাম মাহবুব লাগিয়েছেন উনি। আর রবি ডাকনামটি আমার বাবার দেওয়া। সময়ের পরিক্রমায় অবশ্য নামের বেশিরভাগ অংশ ঝরে পড়ে গেছে, রবি নামেও এখন বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন ছাড়া কেউ ডাকে না।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবুল হায়াত
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮২

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖