📌 আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য পাঠ্যবইয়ে জিয়াউর রহমানের 'স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি' নিবন্ধ ও তার ডায়েরির ছবি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি) চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে এই উদ্যোগকে
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য পাঠ্যবইয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা হিসেবে জিয়াউর রহমানের 'স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি' নিবন্ধ অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়েছে। এই নিবন্ধের পাশাপাশি তার তৎকালীন ঐতিহাসিক ডায়েরির ছবিও বইয়ে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি) চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে এই উদ্যোগকে, যা মুক্তিযুদ্ধের বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস শিক্ষার্থীদের কাছে তুলে ধরবে বলে আশা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য পাঠ্যবইয়ে জিয়াউর রহমানের 'স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি' নিবন্ধ অন্তর্ভুক্ত হবে।
- 📌 ২৪ আগস্ট তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভায় এনসিসিসি চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে এই উদ্যোগকে।
- 📌 পাঠ্যবইয়ে জিয়াউর রহমানকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধান, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, ১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার ও 'বীর উত্তম' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- 📌 নিবন্ধে চট্টগ্রামের 'উই রিভোল্ট' ও কালুরঘাটের স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা সচেতন হবে।
- 📌 ২৫ মার্চের গণহত্যার পর শেখ মুজিবুর রহমানের গ্রেপ্তার হলে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা 'তুর্যধ্বনির মতো' ছিল।
📰 বিস্তারিত
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানিয়েছেন, 'আগামী বছরের শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম-দশম শ্রেণির 'বাংলা সাহিত্য' বইয়ে জিয়াউর রহমানের লেখা 'স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি' অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি) চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।' তিনি বলেছেন, সরকারের উদ্যোগ হলো জিয়াউর রহমানের অবদানকে নিরপেক্ষ ও নির্মোহভাবে পাঠ্যবইয়ে তুলে ধরা।
বরেণ্য শিক্ষাবিদ ও জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেছেন, 'জিয়াউর রহমানের লেখা এই নিবন্ধে ঐতিহাসিক মূল্য রয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা স্বাধীনতার সংগ্রাম সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে। পাঠ্যবইয়ে এটি অন্তর্ভুক্ত করা যৌক্তিক।' ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদের মতে, 'এই নিবন্ধ অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ ঘটনা জানার সুযোগ পাবে।'
পাঠ্যবইয়ের ২২ নম্বর গদ্যের লেখক পরিচিত অংশে জিয়াউর রহমানের উল্লেখ করা হয়েছে 'মহান স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধান, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, ১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার ও 'বীর উত্তম' হিসেবে।' এছাড়াও, নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৭১ সালের মার্চে চট্টগ্রাম থেকে সশস্ত্র বিদ্রোহের মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা।
"সবাই আমরা যুদ্ধ করেছি। সৈনিক, জনগণ সবাই। জাতির চরম সংকটের মুহূর্তে কাউকে না কাউকে সামনে এগিয়ে আসতে হয়। নিতে হয় দায়িত্ব। আমি কেবল সেই দায়িত্ব পালন করেছি। নেতারা যখন উধাও হয়ে গেল— সিদ্ধান্ত দেওয়ার কেউ থাকল না, তখন জাতির পক্ষ থেকে সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত আমাকে ঘোষণা করতে হলো... ২৬শে মার্চ রাতের প্রথম প্রহরে সেই চূড়ান্ত সময়টি এলো। যার জন্য গোটা মাস আমরা রুদ্ধশ্বাস হয়ে প্রতীক্ষা করছিলাম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (এনসিটিবি), চট্টগ্রাম (মুক্তিযুদ্ধের সূচনা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জিয়াউর রহমান, প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা, ড. মাহবুব উল্লাহ, শাহ শামীম আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৭ (শিক্ষাবর্ষ), ২৪ (আগস্ট), ২২ (গদ্য নম্বর), ২৫ (মার্চ), ২৬ (মার্চ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!