📅 ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পিআইএসএ জরিপে যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের পড়ার দক্ষতা ২৫ বছরের সর্বনিম্নে পৌঁছেছে, গণিতে পিছিয়ে পড়েছে এশিয়া

পিআইএসএ জরিপে যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের পড়ার দক্ষতা ২৫ বছরের সর্বনিম্নে পৌঁছেছে, গণিতে পিছিয়ে পড়েছে এশিয়া

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পিআইএসএ জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের পড়ার দক্ষতা ২৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে পৌঁছেছে। গণিতে তারা এশিয়ার দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে পড়েছে, তবে বিজ্ঞানে অবস্থান ধরে রেখেছে। বিশেষজ্ঞরা স্মার্টফোন, সোশ্যাল মিডিয়া ও এআই-এর অতিরিক্ত নির্ভরতার দায় দিয়েছেন এই অবনতির জন্য

আন্তর্জাতিক শিক্ষা মূল্যায়ন (পিআইএসএ) জরিপের সর্বশেষ ফলাফল প্রকাশের পর যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ উন্মোচিত হয়েছে। ৮ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এই জরিপে দেখা গেছে, ২০২২ সালের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের পড়ার দক্ষতা ২৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। গাণিতিক দক্ষতাও এখন পর্যন্ত অন্যতম সর্বনিম্ন স্কোরে আটকে আছে, যা ২০০০ সাল থেকে এই পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর থেকে সর্বনিম্ন। তবে বিজ্ঞানে তারা নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পিআইএসএ জরিপে যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের পড়ার দক্ষতা ২৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে পৌঁছেছে, যা ২০০০ সাল থেকে এই পরীক্ষার শুরু থেকে সর্বনিম্ন।
  • 📌 গণিতের দক্ষতা এখন পর্যন্ত অন্যতম সর্বনিম্ন স্কোরে আটকে আছে, তবে বিজ্ঞানে তারা অবস্থান ধরে রেখেছে।
  • 📌 সিঙ্গাপুর, চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া শিক্ষার্থীরা পিআইএসএ পরীক্ষায় সব সূচকে আমেরিকান শিক্ষার্থীদেরকে পিছিয়ে রেখেছে।
  • 📌 মার্গারেট স্পেলিংস বলেছেন, শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ছেড়ে তারা উল্টো পথে হাঁটছে।
  • 📌 ৯১টি দেশের ৭ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের মাত্র ১৪৪টি স্কুলের ৪ হাজার ৬০০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।
  • 📌 স্মার্টফোন, সোশ্যাল মিডিয়া ও এআই-এর অতিরিক্ত নির্ভরতা এবং করোনা মহামারির দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে।
  • 📌 ২০১৮ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দ্রুত ও অসতর্ক পাঠক শিক্ষার্থীদের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
  • 📌 ওইসিডির তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষার্থীরা পড়ার দক্ষতায় অন্যান্য ধনী দেশের তুলনায় পিছিয়ে পড়েছে, তবে গণিতে অবস্থান মাঝামাঝি।

📰 বিস্তারিত

পিআইএসএ জরিপে যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষার্থীদের পড়ার দক্ষতা ২৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে পৌঁছেছে। বিশেষজ্ঞরা এই অবনতিকে শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি বড় বিপদ সংকেত হিসেবে দেখছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক শিক্ষাসচিব মার্গারেট স্পেলিংস বলেছেন, “শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য যেসব পড়াশোনা ও দক্ষতা প্রয়োজন, তারা যেন সেসব ছেড়ে উল্টো পথে হাঁটছে। এটি সত্যিই ভয় পাওয়ার মতো বিষয়।” তিনি দ্রুত শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা স্মার্টফোন, সোশ্যাল মিডিয়া ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অতিরিক্ত নির্ভরতার দায় দিয়েছেন এই অবনতির জন্য। ইন্টারনেটের প্রভাবে শিক্ষার্থীরা সহজেই মনোযোগ হারিয়ে ফেলছে। পিআইএসএর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দ্রুত ও অসতর্ক পাঠক শিক্ষার্থীদের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। গত বছর ৯১টি দেশের প্রায় সাড়ে সাত লাখ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের মাত্র ১৪৪টি স্কুলের ৪ হাজার ৬০০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।

সিঙ্গাপুর, চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার শিক্ষার্থীরা পিআইএসএ পরীক্ষায় সব সূচকে আমেরিকান শিক্ষার্থীদেরকে পিছিয়ে রেখেছে। সিঙ্গাপুরে যেখানে ৩৭ শতাংশ শিক্ষার্থী গণিতে সর্বোচ্চ নম্বর পায়, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রে এই হার মাত্র ৮ শতাংশ। বিজ্ঞানে তারা সুইজারল্যান্ড ও ফিনল্যান্ডের সমপর্যায়ে থাকলেও, গত এক দশকে অনেক শিক্ষার্থী এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে তারা এমনকি একটি সাধারণ বিদ্যুৎ বা পানির বিল পড়ার মতো ন্যূনতম দক্ষতাও অর্জন করতে পারছে না।

"শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য যেসব পড়াশোনা ও দক্ষতা শেখা খুব দরকার, তারা যেন সেসব ছেড়ে উল্টো পথে হাঁটছে। এটি সত্যিই ভয় পাওয়ার মতো বিষয়।"

মার্গারেট স্পেলিংস, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক শিক্ষাসচিব

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্গারেট স্পেলিংস, শিক্ষার্থীরা, বিশেষজ্ঞরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর (শিক্ষার্থীদের বয়স), ২৫ বছর (পড়ার দক্ষতার সর্বনিম্ন পর্যায়), ৯১টি দেশ (পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী), ৭ লাখ+ শিক্ষার্থী (সর্বমোট), ১৪৪টি স্কুল (যুক্তরাষ্ট্রে অংশগ্রহণকারী), ৪ হাজার ৬০০ জন (যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষার্থী), ৩৭% (সিঙ্গাপুরে গণিতে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ার হার), ৮% (যুক্তরাষ্ট্রে গণিতে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ার হার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖