📌 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ হবিগঞ্জে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেছেন, মেয়েদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলা এবং তাদের STEM শিক্ষায় সম্পৃক্ত করার প্রয়োজন। তিনি নতুন শিক্ষাক্রমে শিল্প-কর্মক্ষেত্রের সংযোগ জোরদার করার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেছেন
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ হবিগঞ্জে মেয়েদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বাল্যবিবাহ, সহিংসতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কারণে অনেক মেয়ে উচ্চশিক্ষায় আসার আগেই পিছিয়ে পড়ে। এই সমস্যার সমাধানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবার ও সমাজের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হবিগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাইস-চ্যান্সেলর ড. আমানুল্লাহ মেয়েদের নিরাপদ শিক্ষা পরিবেশের দাবি তুলেছেন।
- 📌 গণনা: ২০২৮ সাল থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হবে, যেখানে শিল্প ও কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে শিক্ষার সংযোগ জোরদার করা হবে।
- 📌 উদ্যোগ: সরকারের লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশব্যাপী সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অব্যাহত রাখা হচ্ছে।
- 📌 মেয়েদের জন্য: STEM শিক্ষায় তাদের আরও বেশি সম্পৃক্ত করার জন্য শিক্ষা পরিবেশে পরিবর্তন আনতে হবে।
- 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ, প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর জাহান আরা খাতুন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল করিমসহ অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মকর্তা।
📰 বিস্তারিত
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ আজ সোমবার হবিগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে অনুষ্ঠিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আন্তঃকলেজ সাংস্কৃতিক ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর হবিগঞ্জ জেলা পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়েদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক শিক্ষা পরিবেশের দাবি তুলেছেন। তিনি বলেছেন, বাল্যবিবাহ, সহিংসতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কারণে অনেক মেয়ে উচ্চশিক্ষায় আসার আগেই পিছিয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবার ও সমাজের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
ড. আমানুল্লাহ গণনা করেছেন, ২০২৮ সাল থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হবে। নতুন শিক্ষাক্রমে শিল্প ও কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে শিক্ষার সংযোগ আরও জোরদার করা হবে। তিনি বলেন, এই পরিবর্তনের যাত্রায় মেয়েদেরও সমানভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে। তিনি মেয়েদের STEM শিক্ষায় আরও বেশি সম্পৃক্ত করার জন্য শিক্ষা পরিবেশে পরিবর্তন আনতে বলেছেন।
লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দেশব্যাপী সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। এই কর্মসূচির মূল কথা হলো—শিক্ষার্থীদের আনন্দময়, মানবিক ও নিরাপদ পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তৈরি করা। তিনি বলেন, শুধু শ্রেণিকক্ষের পড়াশোনা নয়, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, বিতর্ক, খেলাধুলা ও সৃজনশীল কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ, প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর জাহান আরা খাতুন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল করিম, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ইলিয়াছ বখত চৌধুরীসহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অতিথিরা। উদ্বোধনী আয়োজনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।
"সমাজে মেয়েদের জন্য এখনো পর্যাপ্ত নিরাপদ পরিসর তৈরি করা সম্ভব হয়নি। বাল্যবিবাহ, সহিংসতা ও নানা সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কারণে অনেক মেয়ে উচ্চশিক্ষায় আসার আগেই ঝরে পড়ে। এই পরিস্থিতির পরিবর্তনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজকেও দায়িত্ব নিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হবিগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ, হবিগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৮ (শিক্ষাক্রম পরিবর্তনের বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!