📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত উদয়ন উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের যৌন হয়রানি ও এআই ব্যবহার করে আপত্তিকর ছবি তৈরির অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটিতে ঢাবির দুই সহকারী প্রক্টর পদত্যাগ করেছেন। শিক্ষার্থীদের অনাস্থা ও কমিটির নিরপেক্ষতার প্রশ্নের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন তদন্ত কমিটি গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত উদয়ন উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের যৌন হয়রানি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে আপত্তিকর ছবি তৈরির অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটিতে ঢাবির দুই সহকারী প্রক্টর পদত্যাগ করেছেন। শিক্ষার্থীদের অনাস্থা ও কমিটির নিরপেক্ষতার প্রশ্নের কারণে এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের পর এই পদত্যাগ ঘোষণা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সহকারী প্রক্টর ড. এনামুল হক সজীব ও অন্য একজন তদন্ত কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন শিক্ষার্থীদের অনাস্থার কারণে।
- 📌 তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত ছিল, কিন্তু শিক্ষার্থীরা কমিটির ওপর আস্থা হারিয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়া প্রত্যাখ্যান করে।
- 📌 তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মো. আবুল হোসেন ব্যাপারী বলেছেন, কমিটির কাজ ৯৯ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে, কিন্তু শিক্ষার্থীদের অনাস্থা কারণে প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।
- 📌 বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নতুন তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেখানে ঢাবির অন্য অনুষদের শিক্ষকদের রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
- 📌 অভিযোগে জড়িত শিক্ষার্থীর বাবা ঢাবির বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন হলেও, তদন্ত কমিটিতে বাইরের শিক্ষকদের রাখা হয়েছিল নিরপেক্ষতার নিশ্চয়তা দেওয়ার জন্য।
- 📌 ৭ অক্টোবর অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বাবা ও ঢাবির দুই সহকারী প্রক্টর বিদ্যালয়ে গেলে, ১০ শিক্ষার্থীকে আলাদা কক্ষে নিয়ে লিখিত বক্তব্য নেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, তাদের দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখা ও অভিযোগের প্রমাণস্বরূপ ফোন নিয়ে নেওয়া হয়।
📰 বিস্তারিত
উদয়ন উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রীদের যৌন হয়রানি ও এআই ব্যবহার করে আপত্তিকর ছবি তৈরির অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটিতে ঢাবির দুই সহকারী প্রক্টর পদত্যাগ করেছেন। শিক্ষার্থীদের অনাস্থা ও কমিটির নিরপেক্ষতার প্রশ্নের কারণে এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তদন্ত কমিটির সদস্য ড. এনামুল হক সজীব জানান, তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত ছিল, কিন্তু শিক্ষার্থীরা কমিটির ওপর আস্থা হারিয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়া প্রত্যাখ্যান করে। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিবেদন প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শিক্ষার্থীরা কমিটির ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলার কারণে আমরা পদত্যাগ করেছি।’
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মো. আবুল হোসেন ব্যাপারী বলেন, কমিটির কাজ ৯৯ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের অনাস্থা কারণে প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও ঢাবির উপাচার্যের সাথে আলোচনা করবো পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিয়ে।’
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন ধরে তাদের বিরক্ত করত এবং সম্প্রতি এআই ব্যবহার করে আপত্তিকর ছবি তৈরির ঘটনা ঘটেছে। তারা বলেন, বিষয়টি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রতিকার পায়নি। গত ৭ অক্টোবর অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বাবা ও ঢাবির দুই সহকারী প্রক্টর বিদ্যালয়ে গেলে, পরদিন ১০ শিক্ষার্থীকে আলাদা কক্ষে নিয়ে লিখিত বক্তব্য নেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, তাদের দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখা হয় এবং অভিযোগের প্রমাণস্বরূপ ফোন নিয়ে নেওয়া হয়।
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের পর বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আরিফুর রহমান জানান, নতুন তদন্ত কমিটি গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘নতুন কমিটিতে ঢাবির অন্য অনুষদের শিক্ষকদের রাখার পরিকল্পনা রয়েছে নিরপেক্ষতার নিশ্চয়তা দেওয়ার জন্য।’
"আমাদের প্রতিবেদন প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শিক্ষার্থীরা কমিটির ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলার কারণে আমরা পদত্যাগ করেছি।"
"আমাদের কাজ ৯৯ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের অনাস্থা কারণে প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত উদয়ন উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. এনামুল হক সজীব, মো. আবুল হোসেন ব্যাপারী, মুহাম্মদ আরিফুর রহমান, শিক্ষার্থীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৯ শতাংশ (তদন্তের সম্পন্নতা), ৭ অক্টোবর (অভিযোগের সূত্রপাত), ১০ শিক্ষার্থী (লিখিত বক্তব্য নেওয়া)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!