📌 ঠাকুরগাঁওয়ের এসএসসি পরীক্ষায় পাঁচটি বিদ্যালয় শতভাগ ফেল করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত দুর্বলতা ও শিক্ষার্থী সংকটের কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মানোন্নয়নের পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
ঠাকুরগাঁও জেলায় এবারের এসএসসি পরীক্ষায় পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। জেলার সদর, রুহিয়া ও হরিপুর উপজেলার পাঁচটি বিদ্যালয়ের সব পরীক্ষার্থীর ব্যর্থতার কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। গত বছর জেলায় এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল দুইটি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সদর উপজেলার আকচা আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়, অনভারদিঘি উচ্চবিদ্যালয় ও তেঁওয়ারিগাঁও উচ্চবিদ্যালয় থেকে একজনও পাস করেনি
- 📌 রুহিয়া উপজেলার মাধবপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও হরিপুর উপজেলার রামপুর ভাতুরিয়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সব পরীক্ষার্থী ফেল করেছে
- 📌 অনভারদিঘি উচ্চবিদ্যালয় থেকে সাতজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন, যার মধ্যে একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেননি
- 📌 মাধবপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে সরেজমিনে দেখা যায় মাত্র নয়জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন
- 📌 বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৯৬ সাল হলেও অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি
📰 বিস্তারিত
ঠাকুরগাঁও জেলার এসএসসি পরীক্ষায় পাঁচটি বিদ্যালয় শতভাগ ফেল করেছে। জেলার সদর উপজেলার আকচা আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়, অনভারদিঘি উচ্চবিদ্যালয় ও তেঁওয়ারিগাঁও উচ্চবিদ্যালয় থেকে একজনও পাস করতে পারেননি। এছাড়া রুহিয়া উপজেলার মাধবপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও হরিপুর উপজেলার রামপুর ভাতুরিয়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সব পরীক্ষার্থী ব্যর্থ হয়েছে। গত বছর জেলায় এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল দুইটি।
রুহিয়া উপজেলার মাধবপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে এবার পাঁচজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। বিদ্যালয়টি ঢোলারহাট ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে অবস্থিত। সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির অবকাঠামো অত্যন্ত জরাজীর্ণ। বিদ্যালয়ে শিক্ষক রয়েছেন সাতজন এবং কর্মচারী পাঁচজন। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, বিদ্যালয়টিতে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৩০ জন, সপ্তম শ্রেণিতে ২৮ জন, অষ্টম শ্রেণিতে ২৬ জন, নবম শ্রেণিতে ২৫ জন এবং দশম শ্রেণিতে ২৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তবে সরেজমিনে বিদ্যালয়টিতে মাত্র নয়জন শিক্ষার্থীকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।
বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৯৬ সাল হলেও ২০১০ সালে এমপিওভুক্ত হওয়ার পর থেকে অবকাঠামোগত কোনো উন্নয়ন হয়নি। বিদ্যালয়টি মাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীত হয় ২০২৩ সালে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তোয়াবুর রহমান বলেন, এমন লজ্জাজনক পরিস্থিতিতে আগে কখনো পড়তে হয়নি।
"প্রতিবছরই বোর্ড পরীক্ষার ফলাফলে এমন চিত্র দেখা যায়। এসব প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের চেয়ে পাঠদানের অনুমোদন টিকিয়ে রাখা ও এমপিওভুক্তির প্রতি শিক্ষকদের আগ্রহ বেশি। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শিক্ষার্থীও নেই। পরীক্ষা এলেই গুটিকয়েক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। অনিয়মিত পাঠদানের কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল ভালো হয় না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঠাকুরগাঁও জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তোয়াবুর রহমান (প্রধান শিক্ষক, মাধবপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫টি বিদ্যালয়, ৩০ জন শিক্ষার্থী (ষষ্ঠ শ্রেণি), ৯ জন শিক্ষার্থী (সরেজমিন উপস্থিত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!