📌 পটুয়াখালীর কলাপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান পাঠদানকালে পড়ে গিয়ে চিৎকার করে শিশু শিক্ষার্থীকে শিক্ষক বেত দিয়ে আঘাত করেছেন। আহত শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযুক্ত শিক্ষককে ইউএনও মহোদয়ের কাছে অভিযোগ করা হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে
পটুয়াখালীর কলাপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান পাঠদানকালে পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়ে চিৎকার করায় শিক্ষক বেত দিয়ে শিশু শিক্ষার্থীকে আঘাত করেছেন। বুধবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে ঘটনাটি ঘটে। আহত শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী আরেফিন ছিদ্দিকি বিজ্ঞান পাঠদানকালে পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়ে চিৎকার করলে শিক্ষক বেত দিয়ে আঘাত করায় আহত হন।
- 📌 আহত শিশুর বাবা জানান, শিক্ষকের বেত্রাঘাতে শিশুর শরীরে ফেটে রক্ত ঝড়ছে এবং জখমগুলো গুরুতর।
- 📌 অভিযুক্ত শিক্ষক রাশেদকে ইউএনও মহোদয়ের কাছে অভিযোগ করা হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
- 📌 কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি।
- 📌 মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম বলেন, ইউএনও মহোদয়ের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিভাগের পাঠদানকালে ঘটনাটি ঘটে। ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী আরেফিন ছিদ্দিকি পড়ে গিয়ে পায়ে ব্যথা পেয়ে জোরে চিৎকার করলে খণ্ডকালীন শিক্ষক রাশেদ বেত দিয়ে তাকে আঘাত করেন। আহত শিশুকে বাসায় এনে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আরেফিনের বাবা জানান, শিক্ষকের বেত্রাঘাতে তার ছেলের শরীরে কিছু অংশ ফেটে রক্ত ঝড়ছে এবং প্রতিটি আঘাতই গুরুতর।
আহত শিশুর সহপাঠীরা জানান, আরেফিন পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়ে চিৎকার করলে শিক্ষক কোনো জিজ্ঞাসাবাদ ছাড়াই বেত দিয়ে আঘাত করেন। অভিযুক্ত শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তার স্ত্রী বলেন, রাশেদ ফোন ব্যবহার করেন না। ফলে শিক্ষকের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম জানান, ইউএনও মহোদয়ের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আর কিছু বলতে পারবেন না। কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুজ্জামান বলেন, উভয় পক্ষই অভিযোগ দিয়েছে এবং শিক্ষক ক্ষমা চেয়েছেন। তবে কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি।
"আমার ছেলেটার মাত্র এগারো বছর বয়স। বিদ্যালয়ে পাঠদানকালীন আরেফিন পড়ে গিয়ে পায়ে ব্যথা পাওয়ায় একটু জোরে চিৎকার করে ওঠে। এ সময় প্রতিষ্ঠানের খণ্ডকালীন শিক্ষক রাশেদ সাহেব কোনো কিছু জিজ্ঞেস না করেই কক্ষে ঢুকে বেত দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে ছেলেকে আহত করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলাপাড়া, পটুয়াখালী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আরেফিন ছিদ্দিকি (শিক্ষার্থী), রাশেদ (শিক্ষক), আবদুর রহিম (প্রধান শিক্ষক), মো. আরিফুজ্জামান (ইউএনও), নজরুল ইসলাম (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ষ্ঠ শ্রেণি, ২৭ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!