📌 বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর ৫২ হাজার শিক্ষার্থী বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশে পড়ার জন্য আইইএলটিস, টোয়েফল, জিআরই ও জি-ম্যাটের মতো পরীক্ষা দিতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষক নাদিম মাহমুদ বলেছেন, ভাষাগত দক্ষতা ও একাডেমিক যোগ্যতা প্রমাণের জন্য এসব পরীক্ষা জরুরি
বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাচ্ছে। ২০২৩ সালে মাত্র এক বছরে প্রায় ৫২ হাজার ৭৯৯ শিক্ষার্থী বিদেশে পড়তে গিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, জাপান ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পড়ার জন্য শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা ও একাডেমিক যোগ্যতা প্রমাণের জন্য বিশেষ পরীক্ষা দিতে হয়। এসব পরীক্ষায় ভালো স্কোর পাওয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও স্কলারশিপ পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়াতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫২ হাজার ৭৯৯ শিক্ষার্থী ২০২৩ সালে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যান
- 📌 আইইএলটিস ও টোয়েফল হলো ইংরেজি ভাষার দক্ষতা প্রমাণের সবচেয়ে জনপ্রিয় পরীক্ষা
- 📌 জার্মান ভাষার কোর্সের জন্য টেস্টড্যাফ ও জাপান/চীনের জন্য স্থানীয় ভাষার পরীক্ষা দিতে হয়
- 📌 জিআরই পরীক্ষা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে মাস্টার্সে ভর্তির জন্য জরুরি
- 📌 জি-ম্যাট স্কোর প্রয়োজন এমবিএ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পড়ার জন্য
📰 বিস্তারিত
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা প্রমাণের পাশাপাশি একাডেমিক যোগ্যতা দেখাতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. নাদিম মাহমুদ বলেছেন, শিক্ষার্থীরা কোন দেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চান তার উপর নির্ভর করে বিভিন্ন পরীক্ষা দিতে হয়। ইংরেজি ভাষায় পরিচালিত কোর্সের জন্য আইইএলটিস ও টোয়েফল ছাড়াও এসএটি, জিআরই ও জি-ম্যাটের মতো পরীক্ষা দিতে হয়।
ড. নাদিম মাহমুদ জানান, আইইএলটিস ও টোয়েফল হলো বিশ্বের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারা স্বীকৃত ইংরেজি ভাষার দক্ষতা পরীক্ষা। যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আইইএলটিস স্কোরকে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার নির্ভরযোগ্য মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করে। তিনি বলেন, “এটিই ভাষাগত দক্ষতার প্রমাণ পরীক্ষা হিসেবে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য। যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আইইএলটিএস স্কোরকে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা যাচাইয়ের একটি নির্ভরযোগ্য মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করে।”
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মাস্টার্স ও পিএইচডি শিক্ষার্থীদের জন্য টোয়েফল স্কোরকে বেশি গুরুত্ব দেয়। তিনি বলেন, “মাস্টার্স ও পিএইচডি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনেক ক্ষেত্রে টোয়েফল স্কোর চায়।” যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের কিছু বিশ্ববিদ্যালয় উভয় পরীক্ষা (আইইএলটিস ও টোয়েফল) গ্রহণ করে থাকে।
জার্মান ভাষায় পরিচালিত কোর্সের জন্য টেস্টড্যাফ বা ডিএসএইচ পরীক্ষা দিতে হয়। আবার বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত বিষয়ে মাস্টার্সে ভর্তির জন্য জিআরই পরীক্ষার স্কোর প্রয়োজন হয়। এমবিএ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পড়ার জন্য জি-ম্যাট স্কোরের প্রয়োজন পড়ে। জি-ম্যাট হলো একটি কম্পিউটারভিত্তিক অনলাইন পরীক্ষা, যা ৮০০ নম্বরের স্কেলে মূল্যায়ন করা হয়।
"এটিই ভাষাগত দক্ষতার প্রমাণ পরীক্ষা হিসেবে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য। যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আইইএলটিএস স্কোরকে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা যাচাইয়ের একটি নির্ভরযোগ্য মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করে"
"মাস্টার্স ও পিএইচডি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনেক ক্ষেত্রে টোয়েফল স্কোর চায়,"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, জাপান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. নাদিম মাহমুদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২ হাজার ৭৯৯ শিক্ষার্থী, ৮০০ নম্বর (জি-ম্যাট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!