📅 ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৩৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অভাবের যুদ্ধে জিপিএ-৫ পেলেও পরের ধাপের পড়াশোনার খরচ কোথায় থেকে? চার শিক্ষার্থীর কষ্টের গল্প

অভাবের যুদ্ধে জিপিএ-৫ পেলেও পরের ধাপের পড়াশোনার খরচ কোথায় থেকে? চার শিক্ষার্থীর কষ্টের গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 অভাবের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েও চার শিক্ষার্থীর সামনে দাঁড়িয়েছে পরের ধাপের পড়াশোনার অর্থনৈতিক বাধা। কক্সবাজারের রিফাত, রাজবাড়ীর অথৈ, গাইবান্ধার ফেরদৌস ও ফরিদপুরের সিথী তাদের কষ্টের গল্প শেয়ার করছেন

অভাবের মধ্যেও জিপিএ-৫ পেয়েও চার শিক্ষার্থীর সামনে দাঁড়িয়েছে পরের ধাপের পড়াশোনার অর্থনৈতিক বাধা। কক্সবাজারের রিফাত, রাজবাড়ীর অথৈ আজাদ ওয়াজিহা, গাইবান্ধার ফেরদৌস ও ফরিদপুরের সিথী তাদের কষ্টের গল্প শেয়ার করছেন। তাদের প্রত্যেকেরই পড়াশোনার পথে অভাবের লড়াই ছিল অপরিহার্য।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **কক্সবাজারের রিফাত** গরু পালন করে পড়াশোনা চালিয়ে এসএসসি-তে জিপিএ-৫ পেয়েছেন, কিন্তু পরের ধাপের অর্থনৈতিক বাধা এখনো অতিক্রম করতে পারছেন না।
  • 📌 **রাজবাড়ীর অথৈ আজাদ ওয়াজিহা** বাবা-মায়ের অনিশ্চিত আয় ও মাঝেমধ্যে কাজের অভাবের মধ্যেও বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
  • 📌 **মো. হাছান** (রিফাতের বাবা) বলেছেন, “ছেলের কান্নাকাটি আর আগ্রহ দেখে পড়াশোনা বন্ধ করতে পারিনি।”
  • 📌 **রিফাতের মা রুজিনা আক্তার** পরীক্ষার সময়ও ছেলেকে ঠিকমতো খাওয়াতে পারেননি, মুরগি বিক্রি করে গাড়িভাড়া দিয়েছিলেন।
  • 📌 **শিক্ষক যিশু কান্তি দে** বলেছেন, রিফাত “আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ছাত্র”। নিজের দারিদ্র্য সে অন্যদের জানাতে চাইত না।

📰 বিস্তারিত

কক্সবাজারের টেকনাফের সাবরাং উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. রিফাতের পড়াশোনার পথ ছিল কঠিন। বাবা মো. হাছান অন্যের জমিতে শাকসবজি চাষ করে সংসার চালান। বর্ষায় জমিতে পানি ঢুকে বা শুষ্ক মৌসুমে লবণাক্ত পানি ঢুকলে পুরো খেত নষ্ট হয়ে যেত। তখন নাফ নদী বা বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরে খাওয়া-পড়ার ব্যবস্থা করতেন। সংসারের অভাব মুছতে ১০ হাজার টাকায় একটি গাভি কিনেছিলেন হাছান। গরুর লালন-পালনের দায়িত্ব ছিল রিফাতের ওপর।

রিফাতের মা রুজিনা আক্তার বলেছেন, “এসএসসি পরীক্ষার সময়ও ছেলেকে ঠিকমতো খাওয়াতে পারিনি। পরীক্ষার হলে যাওয়ার গাড়িভাড়া ছিল না। মুরগি বিক্রি করে যাতায়াতের খরচ দিয়েছি।” এত কষ্টের মধ্যেও রিফাত জিপিএ-৫ পেয়েছেন। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বেতন মওকুফ করে দিয়েছে। বিজ্ঞানের শিক্ষক যিশু কান্তি দে রিফাতকে বিনা পারিশ্রমিকে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও গণিত পড়াতেন।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ শহীদ স্মৃতি সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের অথৈ আজাদ ওয়াজিহা বাবা ফেরিঘাটের শ্রমিক। মাঝেমধ্যে সেই কাজও থাকে না। মায়ের সামান্য আয় আর বাবার অনিশ্চিত রোজগারে চলে তাদের সংসার। এর মধ্যেই পড়াশোনা চালিয়ে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছেন অথৈ।

"খুব কষ্টে সংসার চালাই। বেশ কয়েকবার ছেলের পড়াশোনা বন্ধ করে দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু ছেলের কান্নাকাটি আর আগ্রহ দেখে তা হয়নি।"

— মো. হাছান, রিফাতের বাবা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কক্সবাজার (টেকনাফ), রাজবাড়ী, গাইবান্ধা, ফরিদপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রিফাত, অথৈ আজাদ ওয়াজিহা, মো. হাছান, রুজিনা আক্তার, যিশু কান্তি দে
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: জিপিএ-৫ (৪ জন), ১০ হাজার টাকা (গাভির খরচ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖