📌 ব্রিক্স সম্মেলনে যোগদানের জন্য ভারত সফরে যাওয়া রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অদ্ভুত। তার মলমূত্রও নিয়ে যাবেন দেহরক্ষীরা। পুতিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ৫০ হাজার কর্মী নিয়োজিত এবং চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে
ব্রিক্স সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য ভারত সফরে যাওয়া রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিশ্বের অন্যতম জটিল এবং অদ্ভুত। পুতিনের ফেরার সময় তার মলমূত্রও নিয়ে যাবেন দেহরক্ষীরা। এই অদ্ভুত পদক্ষেপের পিছনে রয়েছে পুতিনের স্বাস্থ্য সম্পর্কে কোনো তথ্য কারও হাতে না যাওয়ার উদ্বেগ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রিক্স সম্মেলনে যোগদানের জন্য ভারত সফরে যাওয়া রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ফেরার সময় তার মলমূত্রও নিয়ে যাবেন দেহরক্ষীরা।
- 📌 পুতিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় প্রায় ৫০,০০০ কর্মী নিয়োজিত, যা মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা কর্মীদের সংখ্যার প্রায় ছয় গুণ বেশি।
- 📌 পুতিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা চার স্তরে বিভক্ত — ব্যক্তিগত দেহরক্ষী, গোপন গুপ্তচর, বহিরাগত বাধা এবং স্নাইপার।
- 📌 ভারত সফরকালে পুতিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি সার্ভিস (এসবিপি) এবং ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি) সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
- 📌 পুতিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ‘চেগেট’ নামে পরিচিত পারমাণবিক কমান্ড ব্রিফকেসও রয়েছে, যা পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কমান্ড নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
📰 বিস্তারিত
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ব্রিক্স সম্মেলনে যোগদানের জন্য তিন দিনের সফরে ভারতে এসেছেন। রোববার সম্মেলন শেষ করে দেশ ফেরার সময় তার মলমূত্রও নিয়ে যাবেন দেহরক্ষীরা। এই পদক্ষেপের পিছনে রয়েছে পুতিনের স্বাস্থ্য সম্পর্কে কোনো তথ্য কারও হাতে না যাওয়ার উদ্বেগ। পুতিনের মলমূত্র সহ সমস্ত মানববর্জ্য সংগ্রহ করা হয় একটি বিশেষ প্যুপ স্যুটকেসে।
পুতিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় প্রায় ৫০,০০০ কর্মী নিয়োজিত রয়েছে, যা মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা কর্মীদের সংখ্যার প্রায় ছয় গুণ বেশি। এই নিরাপত্তা ব্যবস্থার শিকড় সোভিয়েত আমলের গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবি-র সঙ্গে যুক্ত। উল্লেখ্য, পুতিন নিজেও একসময় কেজিবি-র এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন।
পুতিন সব সময় ৩০ জন সশস্ত্র রক্ষী দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকেন। তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা চার স্তরে বিভক্ত। প্রথম স্তরে পুতিনের ব্যক্তিগত দেহরক্ষীরা, দ্বিতীয় স্তরে গোপন গুপ্তচর, তৃতীয় স্তরে বহিরাগত বাধা এবং চতুর্থ স্তরে স্নাইপাররা নিয়োজিত। ভারত সফরকালে পুতিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি সার্ভিস (এসবিপি) এবং ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি) সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
পুতিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ‘চেগেট’ নামে পরিচিত পারমাণবিক কমান্ড ব্রিফকেসও রয়েছে, যা পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কমান্ড নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পুতিনের গতিবিধি ও শারীরিক অবস্থার ন্যূনতম কোনও তথ্য যাতে বিদেশি শক্তির নাগালে না আসতে পারে তার জন্য সদাজাগ্রত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে।
"পুতিনের স্বাস্থ্য সম্পর্কে যাতে কোনও তথ্য কারও হাতে না যায়, সে কারণেই বিদেশসফরের সময় রুশ প্রেসিডেন্টের মলমূত্র সংগ্রহ করে মস্কোয় ফেরত নিয়ে আসেন তার দেহরক্ষীরা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত; মস্কো, রাশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভ্লাদিমির পুতিন, দেহরক্ষীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০,০০০ (নিরাপত্তা কর্মী), ৩০ (সশস্ত্র রক্ষী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!