📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:২৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দুই বছর ধরে এসএসসিতে শতভাগ ফেল স্কুলগুলোর করুণ চিত্র উন্মোচন

দুই বছর ধরে এসএসসিতে শতভাগ ফেল স্কুলগুলোর করুণ চিত্র উন্মোচন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দুই বছরে আটটি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী এসএসসিতে পাস করতে পারেনি। শিক্ষক সংকট, এমপিও না থাকা এবং পরীক্ষার্থী কম অংশগ্রহণের কারণে এমন ফলাফল দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বোর্ড কর্মকর্তারা

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দুই বছরে আটটি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি। গতকাল সোমবার প্রকাশিত এসএসসির ফলাফল বিশ্লেষণে এমন তথ্য উঠে এসেছে। এর মধ্যে তিনটি বিদ্যালয় রয়েছে পার্বত্য জেলা রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার নারায়ণহাট বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে চলতি বছর তিনজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়, কেউই পাস করতে পারেনি
  • 📌 গত বছর এই বিদ্যালয় থেকে দুজন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়, তারাও ফেল করে
  • 📌 ২০২১ সাল থেকে এ পর্যন্ত বিদ্যালয়টিতে ২৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছে, পাস করেছে মাত্র ১৭ জন
  • 📌 চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট আটটি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, যার মধ্যে তিনটি বিদ্যালয় রয়েছে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়
  • 📌 পাসের হার শূন্য থাকা বিদ্যালয়গুলো হলো আন্দারমানিক জুনিয়র উচ্চবিদ্যালয়, মহালছড়ি উচ্চবিদ্যালয়, উরিরচর জুনিয়র উচ্চবিদ্যালয়, ভাইবোনছড়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, জারুলছড়ি হেডম্যানপাড়া উচ্চবিদ্যালয়, তারাবানিয়া উচ্চবিদ্যালয় ও শিজক দাজার বাজার জুনিয়র স্কুল
  • 📌 এসব বিদ্যালয় থেকে মোট ৮১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছে, কিন্তু কেউই পাস করেনি

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার নারায়ণহাট বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে চলতি বছর মানবিক বিভাগে দুজন এবং বিজ্ঞান বিভাগে একজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের কেউই পাস করতে পারেনি। গত বছর এই বিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগে দুজন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়, তারাও ফেল করে। দুই বছর ধরে এই বিদ্যালয়ে পাসের হার শূন্য রয়ে গেছে।

বিদ্যালয়টির শিক্ষক সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। বিদ্যালয়টি এখনো মান্থলি পেমেন্ট অর্ডারভুক্ত (এমপিও) নয়। শিক্ষার্থী কম অংশগ্রহণ এবং পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হওয়ার কারণ সম্পর্কে জানতে বিদ্যালয়টির মুঠোফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট আটটি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। গত বছর এমন বিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল একটি। এ বছর পাসের হার শূন্য এমন বিদ্যালয়ের সংখ্যা বেশি রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়। এ দুই জেলায় তিনটি করে বিদ্যালয়ে পাসের হার শূন্য।

পাসের হার শূন্য থাকা বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে আন্দারমানিক (মাইজছড়ি) জুনিয়র উচ্চবিদ্যালয়, মহালছড়ি উচ্চবিদ্যালয়, উরিরচর জুনিয়র উচ্চবিদ্যালয়, ভাইবোনছড়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, জারুলছড়ি হেডম্যানপাড়া উচ্চবিদ্যালয়, তারাবানিয়া উচ্চবিদ্যালয় এবং শিজক দাজার বাজার জুনিয়র স্কুল। এসব বিদ্যালয় থেকে মোট ৮১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছে, কিন্তু কেউই পাস করতে পারেনি।

"বিদ্যালয়গুলোর ফলাফল কেন খারাপ হয়েছে, সেটি পর্যালোচনার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতিও দেখা হবে। বিষয়টি পর্যালোচনার পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। তাদের ব্যাখ্যা পাওয়ার পর সেটি যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের উপ–বিদ্যালয় পরিদর্শক তাজুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ জন, ১৭ জন, ৮১ জন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖